জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي صَلاَةٍ وَقُمْنَا مَعَهُ، فَقَالَ أَعْرَابِيٌّ وَهْوَ فِي الصَّلاَةِ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي وَمُحَمَّدًا، وَلاَ تَرْحَمْ مَعَنَا أَحَدًا. فَلَمَّا سَلَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِلأَعْرَابِيِّ " لَقَدْ حَجَّرْتَ وَاسِعًا ". يُرِيدُ رَحْمَةَ اللَّهِ.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার সালাতে দন্ডায়মান। আমরাও তাঁর সঙ্গে দন্ডায়মান হলাম। এ সময় এক বেদুঈন সালাতের মাঝেই বলে উঠলোঃ হে আল্লাহ! আমার ও মুহাম্মাদের উপর দয়া করো এবং আমাদের সঙ্গে আর কারো উপর দয়া করো না। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফিরানোর পর বেদুঈন লোকটিকে বললেনঃ তুমি একটি প্রশস্ত ব্যাপারকে সংকুচিত করেছো অর্থাৎ আল্লাহর দয়া। (বুখারী, আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৭২)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
কেউ যদি কোনো বিবাহিত পুরুষ দেখে বলে তোমার জীবনে বারাকাহ আসুক বা বারাকাল্লাহ বলে, এতে মূলত তার জীবনে বরকতের দোয়া করা হয়।
এক্ষেত্রে কোন মাধ্যমে তার জীবনে বরকত হবে সেটা আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন, তাই বিষয়টি নিয়ে এভাবে স্ত্রীদের কে জড়ানো ঠিক নয়।
আপনি যেভাবে দোয়ার কথা প্রশ্নে উল্লেখ করেছেন, এভাবে দোয়ার মধ্যে সংকুচিত করে তোলা,হিংসা পূর্ণ দোয়া করা কোনক্রমেই কাম্য নয়।
তদুপরি কেহ যদি এভাবে নিয়ত রেখে দোয়া করে,সেক্ষেত্রে তার নিয়তের আলোকে আল্লাহ তায়ালা তার দোয়া কবুল করতে পারেন, ইনশাআল্লাহ।