আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
354 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (1 point)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু,

(শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এত বড় ঘটনা উল্লেখ করে প্রশ্ন করার জন্য। কিন্তু আমি নিরুপায় তাই সম্পূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত লিখলাম। আশা করি ধৈর্য্য নিয়ে পড়ে আমাকে সাহায্য করবেন।)

আমি একজন অবিবাহিত মেয়ে।। আমি বহুবার প্রেমের প্রস্তাব পেয়েও আল্লাহর ভয়ে কখনো কারো সাথে হারাম সম্পর্কে জড়াইনি।
কিছুদিন আগে চাকরির বিষয়ে একটি ছেলের সাথে কিছুক্ষণ কথা হয়। প্রথমবারেই ছেলেটির দ্বীনদারীতা (লেবাসধারী ছিল যেটা আমি বুঝতে পারিনি) দেখে আমার ভালো লাগে এবং ছেলেটি নিজেও আমার প্রতি পজিটিভ ভাইব দেখায় যার কারণে আমার পরিবারের সম্মতিক্রমে আমাদের বিয়ের কথা ঠিক হয়।
তবে যখনই ছেলেটি তার বাবা মাকে জানায় তখন তার বাবা-মা অস্বীকৃতি জানায়। তবে ছেলেটি তার বাবা মাকে রাজি করানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে পরে নিজেই নিজের অভিভাবক হিসেবে আমাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিল।
আমার আল্লাহর সাক্ষী আমি তাকে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই ভালবাসতে চেয়েছিলাম, একটি সুন্দর সংসার কল্পনা করেছিলাম যেটা আমি এর আগে কারো সাথে করিনি, কারো সাথে হারাম সম্পর্কিত হইনি শুধুমাত্র তাকে বিয়ে করে তার সাথে হালাল সম্পর্কে থাকব এই নিয়তটাই আমার ছিল।

এভাবে আমি হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পরি। আস্তে আস্তে সে আমাকে শারীরিক সম্পর্কের জন্য জোর করতে লাগলো। যখন আমি রাজি হচ্ছিলাম না তখন বলল যে, "তুমি আমাকে ভালোবাসো না, আমি তো বললামই আমি বিয়ে করবো" এরপর আমিও ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল হয়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও তার কথায় রাজি হয়ে যাই। এবং তার কিছুদিন পর সে আমাকে আবারও তার কাছে ডাকে। যখন আমি যেতে রাজি হই না তখন আবারো আমার সাথে রাগ করে ইমোশনাল হয়ে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। আমি আবারও শয়তানের ফাঁদে পড়ে গিয়ে নিজের নফসকে খোরাক দিতে গিয়ে আবারও তার কথায় রাজি হই। এভাবে করে ৩/৪ বার যার মধ্যে বেশিরভাগ সময় ছিল আমার অনিচ্ছা সত্বে, আমাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ঘটে। প্রত্যেকবার আমি যেকোন না যে কোনোভাবেই যিনায় লিপ্ত হয়ে গিয়েছিলাম শুধুমাত্র এই ভেবে যে আমার বিয়েটা একদিন তার সাথে হবে।
✔️ এখন সে জানিনা তার পরিবারে কি হয়েছে কিন্তু হঠাৎ করেই আমাকে বলছিলে সে আমাকে বিয়ে করতে পারবে না এবং সে আমাকে বিয়ে করবে না। আমি শুধুমাত্র যিনার ভয়ে অন্য কারো হক নষ্ট হবে এই ভয়ে বারবার তাকে অনুরোধ করেছি আমাকে বিয়ে করতে। আমি এটাও বুঝতে পেরেছি যে সে ভালো নয় তাও আমি তাকে বিয়ে করতে চাই কারন আমি অন্য কাউকে বিয়ে করে তাকে প্রতারিত করতে চাই না।

✔️আমি আল্লাহর কাছে খাস করে তওবা করেছি, করছি এবং সামনেও করবো এই যিনার কারণে। আমি সত্যিই অনুতপ্ত।

আমার প্রশ্ন:

১. আমি যখন অন্য কাউকে বিয়ে করবো তার কাছে অবশ্যই আমার গুনাহ গোপন রাখবো। এতে কি আমার গুনাহ হবে? তাকে বিষয়টি না জানিয়ে বিয়ে করলে কি তার হক্ব নষ্ট হবে?

২. আমাদের দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী যদি বিয়ের প্রথম রাতে আমার রক্তক্ষরণ না হয় এবং আমাকে অসতী বলে অপবাদ দেওয়া হয় তখন আমার করনীয় কি হবে?? আমি কি মিথ্যা বলে অস্বীকার করতে পারবো?

(ঠিক এই বিষয়টি নিয়ে আমি সবথেকে বেশি শংকিত কারণ এমনটি যদি হয় তাহলে আমি সমাজে অনেক খারাপভাবে লাঞ্ছিত হব)

৩. বাধ্য হয়ে, চাপে পরে যদি আল্লাহর কসম করে মিথ্যা বলি তাহলে পরবর্তীতে কসমের কাফফারা দিতে হবে?

(যথাসাধ্য চেষ্টা করবো এমনটা না করার কিন্তু সমাজের লাঞ্চনা থেকে বাঁচতে এমন করলে কি গুনাহগার হবো?)

৪. যেহেতু আমি ছেলেটিকে সত্যিকার অর্থেই ভালবেসে ছিলাম এবং বিয়ের উদ্দেশ্যেই ছিল বিষয়টি তাহলে অন্য কাউকে বিয়ে পরবর্তী সময়ও যদি ওই ছেলেটির কথা আমার অন্তরে আসে তাহলে কি আমার গুনাহ হবে? (আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করছি সবকিছু ভুলে গিয়ে আমার মাইন্ড একেবারে রিফ্রেশ করে নিতে।)

৫. মন এবং মস্তিষ্ক থেকে তাকে সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলতে কি কি করতে পারি? যাতে কোনভাবেই শয়তান আমাকে তার নামে প্ররোচনা দিতে না পারে।
৬. আমার সাথে এভাবে বার বার ওয়াদা করার পর ওয়াদা ভঙ্গ করার জন্য কি সেই ছেলেটি দায়ী থাকবে?
by (14 points)
আপনাকে বলি, বিয়ের আগে পুরো ঘটনা কোনও ভালো ছেলেকে খুলে বললে সে বুঝবে ইন শা আল্লাহ। পারলে তাকে এই প্রশ্নের (আইফতোয়ার) লিংকও দিয়েন। ইন শা আল্লাহ ভালো ছেলে হলে রাজি হয়ে যাবে। 
by
আপনি তো লেবাসধারী তাই বিয়ের আগে গায়রে মাহরাম পুরুষের সাথে ঘুরতে বের হইছেন আবার তার বাসায় গিয়ে তার সাথে জিনায়ও জড়াইছেন। জিনা করেন তওবা করেন আবার জিনা করতেছেন আবার তওবা আবার জিনা। আপনার মতো জিনাকারীগুলোর কাছে তওবা কি খুব সস্তা লাগে? আপনার উচিত আপনার মতো দুশ্চরিত্রবান ছেলের সাথে বিয়ে বসা। এতে কোনদিন আপনার অতীত প্রকাশ পেলেও আশা করা যায় আপনার স্বামী তেমন সমস্যা করবে না। এখন খুজেন আপনার মতো দুশ্চরিত্রের ছেলেকে।
by (1 point)
দয়া করে ধিক্কার দিবেন না আর কথার ভিত্তিতে জাজও করবেন না। আমি প্রশ্নের উত্তর চাইতে এসেছি আপনাদের ধিক্কার নয়। এড়িয়ে চলুন দয়া করে।
আন্তরিকভাবে তওবা করে ফিরে আসলে আল্লাহ অবশ্যই কবুল করেন। আমি লেবাসধারী কি না সেটা আমার রব ভালো জানেন। এভাবে যে আমাকে না জেনেই লেবাসধারী বলে অপবাদ দিলেন সেই অপবাদের জন্য আপনাকেই দায়ী থাকতে হবে।
by
edited
কেনো লেবাসধারী বলছি তাতো বলছিই। আন্তরিকভাবে তওবার পর আবার জিনা করেন কেমনে বারবার। আপনি তো আবার বলছেনই স্বামীর নিকট অতীত গোপন করবেন। মিথ্যা বলবেন, মিথ্যা কসম করবেন। তো এগুলো কি লেবাসধারীর কাজ নাকি দীনদারদের কাজ? আপনার এসব দেখে বাকি অনেকে শিখতে পারে। কত হারাম সম্পর্ককারী দেখছি হারাম সম্পর্কের সঙ্গী বিয়ে না করলে এরা তখন খুব অনুতপ্ত হয়, তওবা করে। কিন্তুু আগে ঠিকই পুরোপুরি ফিরে আসে না। 
by (1 point)
আমি বলছি না যে আমি মিথ্যা কসম করবো, বাধ্য হয়ে নিজের গুনাহ গোপন করতে যদি বলতে হয় সেক্ষেত্রে কি করবো তাই জানতে চেয়েছি। 
আমার অন্য কাউকে মিথ্যে বলে বিয়ে করার কোনো ইচ্ছাই নাই কিন্তু পরিবারের চাপে আমাকে আগে-পরে বিয়ে করতেই হবে, সেদিক বিবেচনা করে প্রশ্ন গুলো করা। না হয় বিয়ে না করে থাকতে পারলে আমি আর প্রশ্ন গুলো মাথাতেই আনতাম না। 
এই সঙ্গীর সাথে থেকেই আমার দুনিয়া এবং আখিরাত হুমকিতে পরেছে। আমি বাকি জীবনটাও তওবা না করে এর সাথে কাটিয়ে ঈমান টাও ধ্বংস করতে চাই না।
আমি অনুতপ্ত হয়েছি গুনাহের কারণে, আল্লাহর ভয়ে যেটা শুরুতে অনুভব না করলেও এখন করছি। 
আপনি যেভাবে আমাকে নিকৃষ্ট ভাবছেন ঠিক সেভাবেই অন্য কোনো পুরুষ যার সাথে বিয়ে হবে সে জানতে পারলে সেও আমাকে নিকৃষ্টই ভাববে। নিজের গুনাহকে জাস্টিফাই করছি না কিন্তু আমার সিচুয়েশন ও আমার নিয়ত সম্পর্কে আমার রব সম্যক অবহিত। 
by
হতাশ হবেন না। তওবা জারি রাখুন। বর্তমানে অনেকেরই অতীত আছে। অতীত থেকে তওবা করা কাউকে বিয়ে করতে পারলে আশা করা যায় সে আপনাকে নিকৃষ্ট ভাববে না। যেহেতু আপনিও অতীত থেকে তওবাকারী। 

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সাধারণ বিধান এটাই যে, গোনাহকে গোপন রাখতে হবে।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : ( ﻛُﻞُّ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣُﻌَﺎﻓًﻰ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟْﻤُﺠَﺎﻫِﺮِﻳﻦَ ﻭَﺇِﻥَّ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻤُﺠَﺎﻫَﺮَﺓِ ﺃَﻥْ ﻳَﻌْﻤَﻞَ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻋَﻤَﻠًﺎ ﺛُﻢَّ ﻳُﺼْﺒِﺢَ ﻭَﻗَﺪْ ﺳَﺘَﺮَﻩُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻓَﻴَﻘُﻮﻝَ ﻳَﺎ ﻓُﻠَﺎﻥُ ﻋَﻤِﻠْﺖُ ﺍﻟْﺒَﺎﺭِﺣَﺔَ ﻛَﺬَﺍ ﻭَﻛَﺬَﺍ ﻭَﻗَﺪْ ﺑَﺎﺕَ ﻳَﺴْﺘُﺮُﻩُ ﺭَﺑُّﻪُ ﻭَﻳُﺼْﺒِﺢُ ﻳَﻜْﺸِﻒُ ﺳِﺘْﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻨْﻪُ )
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আমার সকল উম্মাতকে মাফ করা হবে, তবে প্রকাশকারী ব্যতীত। আর নিশ্চয় এ বড়ই অন্যায় যে, কোন লোক রাতের বেলা অপরাধ করল যা আল্লাহ গোপন রাখলেন। কিন্তু সে সকাল হলে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক! আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটাল যে, আল্লাহ তার কর্ম লুকিয়ে রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার উপর আল্লাহর দেয়া আবরণ খুলে ফেলল। (সহীহ বুখারী-৬০৬৯,সহীহ মুসলিম-২৯৯০) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/906


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মাস'আলা তো এতটুকুই যে আপনি সর্বদা সকল প্রকার গেনাহ থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন। যদি কখনো হয়ে যায়, তাহলে কারো নিকট প্রকাশ না করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিবাহ বহির্ভূত যিনা ব্যভিচারকে লুকানো ওয়াজিব। কিন্তু আপনি কি লুকাতে পারবেন। যাইহোক, লুকানোর প্রাণপন চেষ্টা করবেন। আল্লাহর কাছে তাওবাহ করুন এবং কায়মনোবাক্যে চান তিনি যেন আপনাকে সম্মানের সাথে ভবিষ্যত জীবন নির্ধারণ করেন। 

আপনার প্রশ্নের উত্তর।
(১) গুনাহ গোপন করলে গুনাহ হবে না। বরং গোপন রাখাই ওয়াজিব। এক্ষেত্রে তার হক্ব নষ্ট হবে না। 

(২) রক্তক্ষরণ না হলে ইমাম নববী রাহ মিথ্যা বলে গোনাহকে অস্বীকার করার কথা বলেছেন। যাইহোক, আল্লাহর কাছে সহজ সমাধানের জন্য দু'আ করেন।

(৩) বাধ্য হয়ে চাপে পরে যদি আল্লাহর কসম করে নেন, তাহলে কাফফারা আসবে না। যদি তাওবাহ করে নেন, তাহলে আশা করা যায় গোনাহও হবে না।

(৪)  বিয়ে পরবর্তী সময়ও যদি ঐ ছেলেটির কথা অন্তরে আসে তাহলে গুনাহ হবে না। 

(৫) মন এবং মস্তিষ্ক থেকে তাকে সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলতে আল্লাহর কাছে দু'আ করুন।

(৬) ওয়াদা ভঙ্গ করার জন্য সেই ছেলে অবশ্যই দায়ী থাকবে। তবে আপনারও উচিত ছিল শরীয়তের বিধানাবলীকে ফলো করা।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...