আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
137 views
in পবিত্রতা (Purity) by (10 points)
edited by
ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ

গতকালকে রাতে সাদা স্রাবের সাথে খুবি অল্প সুতার মত খয়েরি রঙের ছিল,যা ভালো ভাবে খেয়াল না করলে বুঝা যাবেনা,আজকে রাতে আবার স্রাবের সাথে দেখলে বুঝা যাবে ঐ ভাবে ছিল এবং ফজরের আজানের কিছু আগেও একদম অল্প ছিল স্রাবের সাথে।স্রাবের সাথে যুক্ত থাকে।যতবার দেখেছি পরে চেক করলে শুধু সাদা স্রাব ছিল।আর কাপড়ও পরিষ্কার,দিনেও সাদা স্রাব।প্রায় তিন মাস হায়েজ হচ্ছে না,

এখন আমার প্রশ্ন,

এক্ষেত্রে আমার করণীয় কি,

রোজা রাখা এবং নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে,

যদি এরকম অল্প দিনে দেখি তাহলে রোজা ভেঙ্গে যাবে কি,

এই অবস্থায় নামাজ পড়া যাবে কি নাকি হায়েজ ধরতে হবে ?

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

শরীয়তের বিধান অনুযায়ী হায়েযের সর্বনিম্ন সময়সীমা হলো ৩ তিন,আর সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।
এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬)  

হাদীস শরীফে এসেছে   
أقل الحیض للجاریۃ البکر والثیب ثلاثۃ أیام ولیالیہا وأکثرہ عشرۃ أیام
دار قطني، السنن، 1: 219، رقم: 61
রাসুল সাঃ বলেন  মহিলাদের হায়েজের সর্বনিম্ন সীমা হলো ৩ দিন ৩ রাত,সর্বোচ্চ সীমা হলো ১০ দিন ১০ রাত।

হায়েজের দিন গুলোতে যেই কালারেরই রক্ত হোক,সেটি হায়েজের রক্ত বলেই গন্য হবে। 
উক্ত সময় নামাজ রোযা ইত্যাদি আদায় করা যাবেনা।
(কিতাবুল ফাতওয়া ২/৭৬)

তবে স্পষ্ট সাদা কালারের কিছু বের হলে সেটাকে হায়েজ বলা যাবেনা।
(ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়াহ ২/৮৩৩)

উম্মে আলক্বামাহ তথা মার্জনা (مَوْلاَةِ عَائِشَةَ) হইতে বর্ণিত,

عن أم علقمة أَنَّهَا قَالَتْ : " كَانَ النِّسَاءُ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ بِالدُّرْجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ مِنْ دَمِ الْحَيْضَةِ يَسْأَلْنَهَا عَنْ الصَّلَاةِ فَتَقُولُ لَهُنَّ لَا تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنْ الْحَيْضَةِ "

তিনি বলেনঃ (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিবা (دُرْجَة) পাঠাইতেন, যাহাতে নেকড়া বা তুলা (كُرْسُفْ) থাকিত। উহাতে পাণ্ডুবৰ্ণ ঋতুর রক্ত লাগিয়া থাকিত। তাহারা এই অবস্থায় নামায পড়া সম্পর্কে তাহার নিকট জানিতে চাহিতেন। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] তাহাদিগকে বলিতেনঃ তাড়াহুড়া করিও না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখিতে না পাও। তিনি ইহা দ্বারা ঋতু হইতে পবিত্রতা (طُهْر) বুঝাইতেন।(মুয়াত্তা মালিক-১২৭)

আরো জানুনঃ- 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে গতকালকে রাতে সাদা স্রাবের সাথে খুবি অল্প সুতার মত খয়েরি রঙের স্রাব দেখেছিলোন,এটি যদি নুন্যতম ৩ দিন ৩ রাত ধরে আসে,সেক্ষেত্রে এটি হায়েজ।

এমতাবস্থায় নামাজ রোযা বন্ধ রাখতে হবে।

অন্যথায় এটি হায়েজ নয়।
সেক্ষেত্রে নামাজ রোযা চালিয়ে যাবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (10 points)
edited by
হুজুর ২৩ রমজান রাত থেকে এরকম শুরু হয়েছে,
২৪ রমজান রাত্রেও হয়েছিল এবং ২৪ রমজান দিনে খুবই অল্প সাদা স্রাবের সাথে সুতার মতো ছিল,এখন আমার করনীয় কি,আমি কি এখন নামাজ,তিলাওয়াত,রোজা কন্টিনিউ করব
আর আমার কি পরে এই ২৪ রমজানের রোজাটা কাযা করতে হবে ? 
আর যদি রাতে এমন কিন্তু দিনে সাদা স্রাব তাহলে কি ঐ দিনের রোজা কাযা করতে হবে ? 
২৫ রমজানের দিন দেখা গেলে তিন দিন হয়েছে বিবেচনা করে কি নামাজ, রোজা, ২৫ রমজান থেকে বন্ধ রাখতে হবে ?
by (770,460 points)
জবাব একই,
তাহা হলোঃ-

এটি যদি নুন্যতম ৩ দিন ৩ রাত ধরে আসে,সেক্ষেত্রে এটি হায়েজ।

এমতাবস্থায় নামাজ রোযা বন্ধ রাখতে হবে।

অন্যথায় এটি হায়েজ নয়।
সেক্ষেত্রে নামাজ রোযা চালিয়ে যাবেন।
by (10 points)
২৪ রমজান দিনে একদিন ছিল,সাত রাত কিন্তু রাতে একবার আর দেখা যায় না,দিনে আর হয় না,সেক্ষেত্রে কি হায়েজ ধরে নিব ?
by (770,460 points)
প্রশ্নের আপনার বিবরণ মতে তিন দিন তিন রাত পূর্ণ না হয় এটি হায়েজের অন্তর্ভুক্ত নয়।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 307 views
0 votes
1 answer 441 views
...