আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
89 views
in পবিত্রতা (Purity) by (4 points)
edited by
১.হুজুর প্রস্রাব করার পর লজ্জা স্থানে টিস্যু ধরে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর টিস্যু ফেলে দিলে  কি পবিত্র হয়ে যাব? নাকি টিস্যু দিয়ে স্থানটি মুছতে  হবে?
২.প্রস্রাব করার পর কয়বার পানি ঢালতে হবে? একবার ঢাললেই হবে নাকি তিনবার?
৩.হুজুর মল ত্যাগের পর কি শুধু বাহিরের অংশ ধৌত করলেই হবে নাকি যেই নল দিয়ে মল বেরহয় অই স্থান ও ধৌত করতে হবে?কারণ যেই নল দিয়ে মল বের হয় সেখানেও তো মল লেগে থাকে? তাই এখানে কি হাতের আঙুল ঢুকিয়ে পরিষ্কার করতে হবে? নাকি  শুধু বাহিরে পরিষ্কার করলেই হবে?
হুজুর শুধু উত্তর টা দিলেই হবে।

৪.হুজুর ধরেন আমার   লজ্জাস্থানের আশেপাশে  বীর্য  লেগেছে।এখন অই স্থান পরিষ্কার করলে পানি ঢালবো।তো অই পানি কি নাপাক?আর অই পানি তো পা দিয়ে বেয়ে বেয়ে পরে তাই পা কি পাক করা লাগবে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
البول المنتضح قدر رؤس الإبر معفو للضرورة وإن امتلأ الثوب كذا فى التبيين الخ، هذا إذا كان الانتضاح على الثياب والأبدان، أما إذا انتضح فى الماء فإنه ينجسه ولا يعفى عنه (الفتاوى الهندية-1/46) 
সূইয়ের আগা পরিমাণ প্রস্রাব জরুরতের দরুণ মাফ যদি এদ্বারা কাপড় ভড়ে যাকনা কেন? এই বিধান তখন যখন প্রস্রাব কাপড়ে বা শরীরে লাগবে।তবে যদি ঐ পরিমাণ প্রস্রাব পানিতে পড়ে,তাহলে পানি নাপাক হয়ে যাবে।এটাকে ক্ষমাযোগ্য মনে করা হবে না।

ولو عرض له الشيطان كثيرا لا يلتفت إلى ذلك كما فى الصلاة، وينضح فرجه بماء حتى لو راى بللا حمله على بلة الماء، هكذا فى الظهيرية (الفتاوى الهندية-1/491)
যদি কারো নিকট বেশী বেশী শয়তান উপস্থিত হয়, তাহলে সে ঐ দিকে লক্ষ করবে না,যেমন নামাযে।লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হবে।যদি পরবর্তীতে কিছু দেখা যায়, তাহলে সেটাকে পানি মনে করে সন্দেহকে দূর করা সহজ হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/4271

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) প্রস্রাব করার পর লজ্জা স্থানে টিস্যু ধরে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর যখন নিশ্চিত হওয়া যাবে যে প্রস্রাব আর নেই, তাহলে টিস্যু ফেলে দিলে মানুষ পবিত্র হয়ে যাবে।  টিস্যু দিয়ে স্থানটি মুছতে হবে না।
(২) প্রস্রাব করার পর কয়বার পানি ঢালতে হবে? এরকম কোনো শর্ত নেই। একবার ঢাললেই হবে। 
(৩) মল ত্যাগের পর বাহিরের অংশকে ধৌত করলেই হবে। 
(৪) লজ্জাস্থান ধৌত করার পর যেই পানি লজ্জস্থানে লেগে থাকবে বা পা বেয়ে নিচে পড়বে, সেই পানি জরুরতের দরুণ পাকপবিত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...