আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
141 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (8 points)
আসসালামু আলাইকুম,,,
আমরা বাসা শিফ্ট করার সময় নতুন বাসায় একটা তাসবিহ পাই, আগে যারা ছিলো তারা রেখে গেসে ভেবে ওইটা আর ফেলি নাই, অনেকদিন ধরেই তাতে তাসবিহ পড়তেসি, কিন্তু সেই তসবিহ এর সুতায় অনেক গুলো ছোট ছোত গিট দেওয়া একবারে অসংখ্য জায়গায়, সুতা তো ছিড়া না তাও এতো গিট দেওয়া এটা কি কোন সমস্যার কিছু? আম্মু এসব দেখে তসবিহ ফেলে দিসে কিন্তু এখন খেয়াল করলাম ওটা নিচে পড়ে নি আমাদের বাসার জানালার সাথেই সানসেট এর মধ্যে আটকে আছে। এখন কি সেখান থেকে তুলে ঠিক ভাবে ফেলতে হবে?  নাকি কোন প্রব্লেম নাই।

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

শরীয়তের বিধান হলো কাহারো সম্পদ তার সন্তুষ্টি ব্যাতিত ব্যবহার করা জায়েজ হবেনা। 

মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ 

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَاۡکُلُوۡۤا اَمۡوَالَکُمۡ بَیۡنَکُمۡ بِالۡبَاطِلِ اِلَّاۤ اَنۡ تَکُوۡنَ تِجَارَۃً عَنۡ تَرَاضٍ مِّنۡکُمۡ ۟ وَ لَا تَقۡتُلُوۡۤا اَنۡفُسَکُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ بِکُمۡ رَحِیۡمًا ﴿۲۹﴾ 
হে মুমিনগণ! তোমরা একে অপরের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না; কিন্তু তোমরা পরস্পর রাযী হয়ে ব্যবসা করা বৈধ এবং নিজেদেরকে হত্যা করো না; নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু।
(সুরা নিসা ২৯)

হাদীস শরীফে এসেছেঃ 
عَنْ أَبِىْ حُرَّةَ الرَّقَّاشِىِّ عَنْ عَمِّه قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «أَلَا لَا تَظْلِمُوا أَلَا لَا يَحِلُّ مَالُ امْرِئٍ إِلَّا بِطِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ». رَوَاهُ الْبَيْهَقِىُّ فِىْ شُعَبِ الْإِيْمَانِ وَالدَّارَقُطْنِىِّ فِى الْمُجْتَبٰى

আবূ হুররাহ্ আর্ রক্কাশী (রহঃ) তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাবধান! কারো ওপর জুলুম করবে না। সাবধান! কারো মাল তার মনোতুষ্টি ছাড়া কারো জন্য হালাল নয়।
আহমাদ ২০৬৯৫, শু‘আবুল ঈমান ৫১০৫, ইরওয়া ১৪৫৯, সহীহ আল জামি‘ ৭৬৬২।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে উক্ত তাসবিহ ব্যবহার করা বা ফেলে দেয়া কোনোটিই উচিত হয়নি।

এক্ষেত্রে সেই তাসবিহ তুলে নিয়ে বাসার মালিককে দিয়ে দিবেন,বলবেন যে এটা আগের ভাড়াটিয়ার।
সুতরাং তাদের কাছে যেনো পৌছে দেয়।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (8 points)
তাসবিহতে অনেক পুরাতন আর ময়লার মতো দানা গুলো কালো কালো হয়ে গেসে হাতের ঘষায় কিছুটা পরিস্কার হলেও দেখতে একটু কেমন যেন, এটা নিয়ে বাড়ির দারোয়ান এর কাছে গেলে বকাবকি করতে পারে তার ব্যবহার ভালো না, তার কাছে এটা সামান্য তাসবিহ, আর ওই ভয়ে আব্বু ও যাবেনা । তাহলে এটা নিয়ে কি করব? ফেরত দেওয়ার কথা আমারও মাথায় আসছিলো প্রথমেই কিন্তু বাসায় কেউ পাত্তা দিবে না। 
by (770,460 points)
যেহেতু আপনার আম্মু তাসবিহটি ফেলে দিয়েছে,সুতরাং যদি বাড়ির মালিককে উক্ত তাসবিহ জমা দেয়া না যায়, সেক্ষেত্রে সে তাসবীহ বিক্রি করলে যে দাম আসতে পারে, আনুমানিক একটি দাম আপনি তাসবিহের মালিকের ছওয়াবের নিয়তে গরিব মিসকিনকে দান করে দিন।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...