আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
210 views
in পবিত্রতা (Purity) by (42 points)
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ,

একজন ভাবী তার স্বামীর সাথে ফোনে কথা বলছিলেন। এসময় তিনি উত্তেজনাসুলভ ফিলিংস অনুভব করেন। কিন্তু,মনি বা মজি কিছু নির্গত হয়েছে বলে তিনি টের পাননি।একটু পরে ঘুমিয়ে পড়েন।ঘুম থেকে উঠার পরে শরীরে ভেজা ভেজা অনুভব করেন।প্রথমে মনে করেন হয়তো হায়েজ হয়েছে।ট্যিসু দিয়ে দেখেন হায়েজ নয় সাদা পানি। তিনি  বুঝতে পারছেন না এটা সাদা স্রাব নাকি অন্যকিছু। এমতাবস্থায় তার করণীয় কী?তার উপর কি গোসল ফরজ হয়েছে? তাকে কি গোসল করতে হবে?

1 Answer

0 votes
by (92,400 points)

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

জবাবঃ

https://ifatwa.info/41862/  নং ফাতওয়ায় আমরা বলেছি যে,

ঘুম থেকে উঠে কাপড়ে আর্দ্রতা দেখলে এর সর্বমোট ১৪ টি সূরত হতে পারে।

স্বপ্নদোষ স্বরণ থাকাবস্থায় এর সম্ভাব্য সাতটি সূরত হতে পারে এবং স্বরণ না থাকাবস্থায় এর সম্ভাব্য সাতটি সূরত হতে পারে।

স্বপ্নদোষ স্বরণ থাকাবস্থায় সম্ভাব্য সাতটি সূরত নিম্নরূপ (বিধান সহ) যথাঃ-

(১) বীর্য সম্পর্কে নিশ্চিত। (গোসল ফরয হবে)

(২) মযি সম্পর্কে নিশ্চিত (ফরয হবে)

(৩)ওদী সম্পর্কে নিশ্চিত। (ফরয হবে না)

(৪) বীর্য না মযি? এ নিয়ে সন্দিহান। (ফরয হবে না)

(৫) বীর্য না ওদী? এ নিয়ে সন্দিহান। (ফরয হবে না)

(৬) মযি না ওদী? এ নিয়ে সন্দিহান। (ফরয হবে না)

(৭) বীর্য না মযি না ওদী? এ নিয়ে সন্দিহান। (ফরয হবে না)

,

স্বপ্নদোষ স্বরণ না থাকাবস্থায় সম্ভাব্য সাতটি সূরত নিম্নরূপ (বিধান সহ) যথাঃ-

(১) বীর্য সম্পর্কে নিশ্চিত (ফরয হবে)

(২) মযি সম্পর্কে নিশ্চিত। (ফরয হবে না)

(৩) ওদী সম্পর্কে নিশ্চিত। (ফরয হবে না)

(৪) বীর্য না মযি? এ নিয়ে সন্দিহান। (তারাফাইন এর মাযহাব মতে ফরয হবে)

(৫) বীর্য না ওদী? এ নিয়ে সন্দিহান। (তারাফাইন এর মাযহাব মতে ফরয হবে)

(৬) মযি না ওদী? এ নিয়ে সন্দিহান। (ফরয হবে না)

(৭) বীর্য না মযি না ওদী? এ নিয়ে সন্দিহান। (তারাফাইন এর মাযহাব মতে ফরয হবে) (মিনহ্তুল খালিক-১/৫৮)

বিঃ দ্র; ইমাম আবু হানিফা এবং ইমাম আবু ইউসুফ রাহ. কে তারাফাইন বলা হয়ে থাকে এবং ইমাম আবু হানিফা ও আবু ইউসুফকে শায়খাইন বলা হয়ে থাকে।

,

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন!

,

প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে সতর্কতামূলক ফরজ গোসল করে নেওয়াই উত্তম হবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী আব্দুল ওয়াহিদ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 137 views
0 votes
1 answer 260 views
0 votes
1 answer 666 views
+1 vote
1 answer 465 views
...