আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
20 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (4 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।খুব জরুরী জানাটা।আমি একদম এসব বিষয়ে জানি না।আমার ঈমান রক্ষার জন্য খুব জানা প্রয়োজন।যে পরিবেশে আছি সবসময় এসব কথা হয়ে থাকে।প্লিজ আমাকে একট জানাবেন খুব বেশি প্রয়োজন  জানা।ওয়াসওয়াসা না জানার জন্য।

১।কোন হারাম কাজ। ওটা হারাম কিন্তু হালাল ভাবছে না ওটাকে ভাল হয়েছে,সুন্দর হয়েছে এসব বললে কি ঈমান চলে যাবে?

২।কোন ছবি,ডিজাইনের কাজ যেখানে প্রাণীর ছবি আছে,মহিলার ছবি এড আছে এমন ছবিকে  সুন্দর হয়েছে,ভাল হয়েছে বা এই ছবিটা এড কর এদিকে, এসব হালাল ভাবছে না জানে গুণাহ হবে।এমন বললে কি ঈমান চলে যায়?

৩।কারো ফটো মহিলা,পুরুষ সুন্দর হয়েছে বা ভাল হয়েছে বললে কি ঈমান চলে যায়?

৪।কোন একটি হারাম কাজ যদি করতে বলে বা সাপোর্ট/ সহযোগিতা করলে । যেমন ঃ প্রেম কর ভাল হবে,গান শেখ ভাল হবে, প্রেমে সহযোগিতা/সাপোর্ট করলে , ইত্যাদি কিন্তু হালাল ভাবছে না  এতে কি ঈমান চলে যায়?

৫।পড়াশোনার জন্য কোন কুফরি,শিরকী আছে এমন পড়াশোনা করলে কি ঈমান চলে যায়?

৬।মোট কথা কোন হারাম কাজ করতে বললে,করলে ভাল হবে বললে,ভাল লাগলে,সহযোগিতা করলে,ওই কাজ করার জন্য ঝগড়া বা গালিগালাজ করলে  কি ঈমান চলে যাবে, হারাম জেনে মানে হালাল না ভেবে তবু করলো ?মানে আল্লাহ থেকে মাফ চাইলে মাফ করবে হয়ত মনে এমন থাকে।

৭।কারো প্রেম তার মা বাবা না মানলে যদি বলে ওসব সিনেমা বা বিদেশে মানে যে এখানে না/ ছেলেদেরটা মানে মেয়েদেরটা না  আরো এমন কিছু কথা। হালাল না ভেবে প্রেম এমনিতে পরিবেশগত কারণে বললে?

৮।কোন নন মাহারামকে সুন্দর লাগতেছে বললে?

শুধু জানতে চাই কারণ দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক কথা হয় সতর্কতার জন্য।

1 Answer

0 votes
ago by (696,450 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...