বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ
https://ifatwa.info/45838/
নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
হাদীস শরীফে এসেছে-
يَا
عَمَّارُ إِنَّمَا يُغْسَلُ الثَّوْبُ مِنْ خَمْسٍ: مِنَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ
وَالْقَيْءِ وَالدَّمِ وَالْمَنِيِّ
আম্মার বিন ইয়াসার রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-নিশ্চয়
৫টি কারণে কাপড় ধৌত করতে হয়,
যথা-১-পায়খানা, ২-প্রশ্রাব, ৩-বমি,
৪-রক্ত,
৫-বীর্য। {সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-৪৫৮}
.
★নাপাক বস্তু
পবিত্র করার পদ্ধতিঃ
পবিত্রকরণ এর দিক দিয়ে নাজাসত আবার দুই প্রকারঃ যথা-
(ক) দৃশ্যমান নাজাসত
(খ) অদৃশ্যমান নাজাসত
.
(ক) কাপড়ে প্রথম প্রকার তথা দৃশ্যমান নাজাসত লাগলে সেই নাজাসতকে
দূর করে দিলেই কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে নাজাসত দূর করতে ধৌত করার কোনো পরিমাণ
নেই। যতবার ধৌত করলে নাজাসত দূর হবে ততবারই ধৌত করতে হবে। যদি একবার ধৌত করলে তা চলে
যায় তবে একবারই ধৌত করতে হবে।
.
(খ) কাপড়ে দ্বিতীয় প্রকার তথা অদৃশ্যমান নাজাসত লাগলে, কাপড়কে তিনবার
ধৌত করে তিনবারই নিংড়াতে হতে এবং শেষ বার একটু শক্তভাবে নিংড়ানো হবে যাতে করে পরবর্তীতে
আর কোনো পানি বাহির না হয়। (ফাতাওয়ায়ে হাক্কানিয়া; ২/৫৭৪, জা'মেউল ফাতাওয়া; ৫/১৬৭)
আরো জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/118
,
★ সু-প্রিয়
প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
,
নাপাক ধৌত করা পানির ছিটা নাপাক। তবে তা একদিরহাম থেকে কম লাগলে মাফ বলে গন্য হবে। তবে
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে একটু সতর্কতার সাথে নাপাক কাপড় ধৌত করতে হবে। যাতে করে নাপাক
পানির ছিটা শরীরে বা পাক কাপড়ে না আসে।