আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
75 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (17 points)
মুহতারাম মুফতি সাহেব,
আসসালামু আলাইকুম ।
ঈমান ও কুফর বিষয়ে আমার একটি প্রশ্ন আছে ।
আমার স্ত্রী আমার টাকা পয়সার খুব হিসাব রাখে, ভালো উদ্দেশ্যেই রাখে । তার কথা হল, আমি যেন যেখানে সেখানে অযথা টাকা খরচ না করি ৷
আমার দিক থেকে তাকে খাওয়া দাওয়া, কাপড় চোপরের কষ্ট আমি দেই না বা সেসবের কষ্ট দেওয়ার নিয়তও রাখি না ।
পরিস্থিতি এমন নয় যে, আমার বিনা অনুমতিতে তাকে তার প্রয়োজনীয় টাকা চুপ করে নিতে হবে ।
অবশ্য,  তার এই খবরদারি আমার কাছে সবসময় ভালো লাগে না ।
এদিকে আমি কোথায় কয় টাকা খরচ করছি সেসবের হিসাব ঠিকমত দিতে না পারলে রাগারাগি করে, কখনো ঝগড়াও করে ৷
আমি আমার প্রতিদিনের যাতায়াতের খরচ থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে আমার সুবিধামত জায়গায় রাখি,  আবার সেই জায়গাটাও বাসার ভেতরেরই কোন জায়গাই হয়ে থাকে ।  অনেক সময়ে গোপনে কোন সাদাকাহ বা যেকোন জায়েয কোন শখ পূরণের ইচ্ছে হলে সেখান থেকে খরচ করি ।
তো,  একদিন আমার স্ত্রী এমন ভাব করছিল যে, সে ড্রয়ার খুঁজে অবশ্যই কিছু টাকা পেয়ে যাবে আর সেটা নিয়ে নিবে । যদিও রসিকতার ছলেই কথাগুলো বলছিল ।  আমিও ঘটনাক্রমে ঐ ড্রয়ারেই টাকা রেখেছিলাম ।  কিন্তু,  আমি আমার নিজের টাকা থেকেই কষ্ট করে জমানো টাকা হাতছাড়া করতে ইচ্ছুক ছিলাম না ৷  টাকা জমাতে আমার জায়গা থেকে আমার কষ্ট হত ।  নয়ত আরো আরাম করে যাতায়াত করার সুযোগ আমার থাকে ৷ এসব গোপন টাকার সন্ধান পেলে সে এগুলো কোথায় কোথায় খরচ করি সেটাও তাকে জানাতে হত ।
আমি এটা করতে চাই না ।  আমারও গোপন কোন আমল থাকুক, আমারো নিজের শখ পূরণের উপায় থাকুক-  সেটাই আমার ইচ্ছে ৷
আমি তখন আমার স্ত্রীকে বললাম যে, হারাম কাজ করিও না অথবা বলেছিলাম যে, এভাবে হারাম টাকা খাইও না ।
কথাটা ভেবেচিন্তে বলিনি ।  অনেকটা মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে ।  সম্ভবত, আমার মাথায় এরকম চিন্তা কাজ করছিল যে, তার তো না জানিয়ে টাকা নেওয়ার মত পরিস্থিতি হয়নি ।  আর,  আমি কষ্ট করে জমিয়েছি, সেখানে হাত দেওয়ার কোন অনুমতিই আমি তাকে দিব না, কোন মতেই না, সেখানে আমার কোনই সন্তুষ্টি কাজ করবে না । তার কথা অনুযায়ী সে যদি ড্রয়ার ঘেটে টাকাটা নিয়ে নিত তাহলে সেটা আমার কাছে অনেকটা ছিনতাই করার মত লাগছিল ।
সংসারের প্রকাশ্য বাজেট থেকে না বলে টাকা নিলেও আমি কিছু মনে করি না,  কিন্তু, এরকম গোপনে জমানো টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে তার প্রতি আমার অনুমতি নেই ।  সম্ভবত তাকে কঠিন কথা বলে ওরকম কাজ করা থেকে বিরত রাখাও উদ্দেশ্য ছিল ।
আপনাদের ওয়েবসাইটে একটা ফতওয়া পড়ার পরে, যেখানে   হালালকে হারাম বা মাকরূহ বলার  এবং হারামকে হালাল বা মাকরূহ বলার বিষয়ে  ফতওয়া দেওয়া হয়েছে । কিন্তু, পরবর্তীতে লিংকটি খুঁজে পেলাম না । নয়ত এখানে দিতাম ।
আমি এখন চিন্তায় পড়ে গিয়েছি ।
ওভাবে, হারাম কাজ করিও না অথবা ওভাবে হারাম টাকা খাইও না - বলার দ্বারা কী কুফরি হয়েছে?
আমাকে ঈমান পুনরায় আনতে হবে? আমাদেরকে কী পুনরায় বিয়ে করতে হবে?

1 Answer

0 votes
by (766,740 points)
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। 

বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । 

এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। 

আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। 

আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...