আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
52 views
in পবিত্রতা (Purity) by (6 points)
ফেসবুকে এই মাসআলা নিয়ে একটা পোস্ট দেখা যায় যেটা খুব ভাইরাল। সেই সম্পর্কে জানতে চাই। পোস্ট টা ছিল-



নারীর জন্য পোশাকের নিচের অংশ লম্বা করা সুন্নত, এবং তাতে সওয়াব আছে। কিন্তু রাস্তায় যে না'পা'ক জিনিস থাকে, তার কী হবে?!
উম্মে সালামা (রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর স্ত্রী) থেকে বর্ণিত, তিনি বললেন:

“আমি তো একজন মহিলা, আমার পোশাকের নিচের অংশ লম্বা থাকে, আর আমি নোং'রা জায়গায় হাঁটি।”

তখন উম্মে সালামা বললেন:

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“তার পরের অংশই (যা পরিষ্কার মাটির সাথে লাগে) সেটাকে পবিত্র করে দেয়।”

> (আবু দাউদ: ৩৮৩), (তিরমিযি: ১৪৩), (ইবনে মাজাহ: ৫৩১), (আহমদ: ২৬৪৮৮) এবং আলবানী রহ. (মিশকাতুল মাসাবীহ: ৫০৪) এ সহিহ বলেছেন।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত:

লোকেরা বলল:

“হে আল্লাহর রাসূল ﷺ, আমরা তো মসজিদে যেতে চাই, আর পথে না'পা'ক জায়গায় পা পড়ে যায়।”

তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন:

“পৃথিবীর এক অংশ অন্য অংশকে পবিত্র করে দেয়।”

> (ইবনে মাজাহ: ৫৩২)

পোশাকের নিচের প্রান্তে যে ধূলা লাগে, তা নিয়ে উ'পহা'স করা যায় না, বরং সেটাই ই'জ্জ'তের প্রতীক এটা ল'জ্জা'শীলতা ও পবিত্রতার ধূলা।

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ
আল্লাহ আমাদের ইসলামের সঠিক জ্ঞান দান করুন। আমিন।



এই বিষয় টা কি সঠিক??

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত উম্মে সালামাহ রাযি এর হাদীস সম্পর্কে 
ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, এ বিধান শুষ্ক ময়লার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তরল অপবিত্রতা লাগলে তা ধুয়ে পবিত্র করতে হবে। এবং ইমাম আবু হানিফা রাহ ও আবু ইউসুফ রা  থেকে বর্ণিত রয়েছে।

মোটকথা, উলামাদের ইজমা হল, তরল নাপাকি কাপড়ের কোথাও লাগলে সেই কাপড় ধৌত করা ব্যতিত পবিত্র হবে না। তবে শুষ্ক নাপাকি কাপড়ে লাগলে পরবর্তীতে যদি নাপাকি দূর হয়ে যায়, তাহলে কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে।

لما فى مرقاة المفاتيح ج:٢،ص:٤٦٧
٥٠٤ - (وعن أم سلمة) أم المؤمنين (قالت لها امرأة: إني أطيل) : من الإطالة (ذيلي، وأمشي في المكان القذر) : أي: النجس وهو بكسر الذال أي: في مكان ذي قذر (فقالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم) أي: في جواب مثل هذا السؤال (يطهره: أي الذيل (ما بعده) : أي: المكان الذي بعد المكان القذر بزوال ما يتشبث بالذيل من القذر يابسا، كذا قاله بعض علمائنا، وهذا التأويل على تقدير صحة الحديث متعين عند الكل لانعقاد الإجماع على أن الثوب إذا أصابته نجاسة لا يطهر إلا بالغسل، بخلاف الخف فإن فيه خلافا كما سبق فإطلاق التطهير مجازي كنسبته الإسنادية 

وايضا فى مرقاة المفاتيح ج:٢،ص:٤٦٧
قال في شرح السنة: ذهب أكثر أهل العلم إلى ظاهر الحديث، وقالوا: إذا أصاب أكثر الخف أو النعل نجاسة فدلكه بالأرض حتى ذهب أكثرها فهو طاهر، وجازت الصلاة فيها، وبه قال الشافعي في القديم، وقال في الجديد: لا بد من الغسل بالماء، فيئول هذا الحديث بأن الوطء على نجاسة يابسة فيتشبث شيء منها ويزول بالدلك، كما أول حديث أم سلمة الآتي بأن السؤال إنما صدر فيما جر من الثياب على ما كان يابسا من القذر، إذ ربما يتشبث شيء منها، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: إن المكان الذي بعده يزيل ذلك عنه ; لأن الإجماع منعقد على أن الثوب إذا أصابته نجاسة لا يطهر إلا بالغسل. قال التوربشتي: بين الحديثين بون بعيد، فإن حديث أم سلمة على ظاهره يخالف الإجماع ; لأن الثوب لا يطهر إلا بالغسل، بخلاف الخف فإن جماعة من التابعين ذهبوا إلى أن الدلك يطهره على أن حديث أبي هريرة حسن لم يطعن فيه، وحديث أم سلمة مطعون فيه ; لأن ممن يرويه أم ولد لإبراهيم وهي مجهولة. قيل: كان الشيخ يحمل الثوب على النجاسة اليابسة ردا لقول محيي السنة: إنهما محمولان على اليابسة، وحديث الخف على الرطبة، والظاهر أن كلاهما محمول على الرطبة إذ قال الأول: طهوره التراب، وفي الثاني: يطهره ما بعده  ولا تطهر إلا بعد النجاسة، ويؤيد هذا التأويل الحديث الأول من الفصل الثالث من هذا الباب، وبناء الأمر على اليسر ودفع الحرج، قاله الطيبي. وفيه أن قول أبي حنيفة في ظاهر الرواية: إن الخف إنما يطهر بالدلك إذا جفت النجاسة عليه، بخلاف الرطبة، نعم عن أبي يوسف أنه إذا مسحه على وجه المبالغة والنجاسة متجسدة كالعذرة والروث والمني تطهره إذا كان بحيث لا يبقى لها أثر، وعليه الفتوى لعموم البلوى، وإن لم تكن النجاسة متجسدة كالخمر والبول لا تطهر إلا بالغسل كذا ذكره قاضي خان


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...