আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ
সম্মানিত ওস্তাদ, আমি এগুলো নিয়ে পেরেশানিতে আছি। দয়া করে আমাকে বিস্তারিত উত্তর দিবেন।
১.স্বামীর কাছে স্ত্রীর হকগুলো কি কি?
শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, ফিজিক্যাল নিড ইত্যাদি বিষয়ে স্ত্রী অবধারিত কোন কোন বিষয় পাবে? আমাকে একটু বিস্তারিত লিখে দিন প্লিজ। যদি কোনো নারী শারীরিক মানসিক হকগুলো না পায় তাহলে তা স্ত্রীর হকের খিয়ানত হলো কিনা।
২. বর্তমানে বহুল একটা সমস্যা যে স্বামীরা অধিকাংশ সময় ফোন নিয়ে পরে থাকে, সারাদিন সংসারের কাজ করার পর স্ত্রী আশা করে স্বামী তার সাথে কথা বলুক, খুনসুটি করুক, কিন্তু এমনটা হয়ে ওঠে না। এমতাবস্থায় এভাবে একটানা ফোন চালানো স্ত্রীর হকের খিয়ানত করে কিনা?
৩. হাদীসে বলা হয়েছে নারীরা নরম। কোনো স্ত্রীকে আদর করে বুঝালে বুঝে, কিন্তু উক্ত স্বামী অভিমানগুলো আদর করে না বুঝিয়ে চরম বিরক্ত হয়ে ওঠে। বকাঝকা মারধর দ্বারা চুপ করাতে চায়। স্ত্রী চায় সে তাকে স্নেহের সাথে বুঝাক। কিন্তু স্বামী।সর্বদা মারধরের পথ বেছে নেয়। এভাবে গায়ে দাগ বসিয়ে বসিয়ে প্রহার করা ইসলামে জায়েজ কিনা?
৪. স্ত্রীর প্রতি একজন মুমিন পুরুষের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? আচরণ খারাপ করলে শুধু স্বামী হওয়ার শ্রেষ্ঠত্বের জন্য কি সেই খারাপ আচরণ বৈধ?
৫. এমতাবস্থায় একজন স্ত্রীর করণীয় কি। স্ত্রী ছুতে গেলে স্বামী আরেকপাশ হয়ে থাকে, আদর চাইলে ম্যাক্সিমাম সময় তাকে নাকচ করা হয়। তীব্র অপমানিত হয়ে স্ত্রী জিজ্ঞেস করে সে কসম করবে কিনা তাকে না ছুয়ার? স্বামী কসম করতে বলে, আর উক্ত স্ত্রীও কসম করেছে তাই যে সে নারী সেধে আর তার স্বামীকে ছুবে না সে কাছে না আসা অবধি। এখানে স্ত্রীর প্রতি অবিচার হয়েছে কিনা?
(উল্লেখ্য, এমনটা প্রায় দেড় বছর ধরে হয়ে আসছে। স্ত্রীর ফিজিক্যাল নিডের সময় স্বামীকে খুব কমই পাওয়া যায়। মুখ ফুটে চাইলেও প্রত্যক্ষন করা হয়, বিয়ের পর থেকেই এমন। বিয়ের সময় স্ত্রীর ২৩ বছর ছিলো)