আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
116 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম। আমি আপনাদের ফতোয়া ফলো করি। সেই অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা করি। সম্প্রতি একটা জিনিস জেনেছি আগে জানতাম না। আপনারা এটা একজনকে ফতোয়া দিয়েছেন যে,
"যেই খাবারটি হারাম।সেটা খাওয়া যাবে না, খেলে গোনাহ হবে।এরকম খাবারে বিসমিল্লাহ বললে আল্লাহর সাথে ঠাট্টা বিদ্রুপ হবে,এমনটা জানার পরও যদি কেউ হারাম খাবারকে বিসমিল্লাহ বলে ভক্ষণ করে নেয়,তাহলে এটার দ্বারা অবশ্যই সে কাফির হয়ে যাবে।নতুবা গোনাহ হলেও সে কাফির হবে না।"

 এই কথাটার মানে কি? একটু যদি বুঝায়ে দিতেন।
১) কেউ যদি জানে যে, হারাম  খাবার খাওয়ার  সময় বিসমিল্লাহ বলা যাবে না, তাও ভুলবশত বা অভ্যাসগত ভাবে হারাম খাবার খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলে ফেলে,  তাহলে কি সে কাফির হয়ে যাবে?
২) আমার এক বন্ধুর হারাম রিলেশন আছে। সে তার আর তার জি এফ এর ছবি আমাদের দেখিয়েছিল। আমাদের মধ্যে একজন ছবি দেখে বলেছিল যে, বাহ! মাশাল্লাহ। তোদের মানাইছে ভালো।  কেউ কেউ হয়তো আলহামদুলিল্লাহ ও বলেছিল বন্ধুর রিলেশন হওয়াতে।  আবার সেই বন্ধু বললো তার জি এফ এর সাথে দেখা করতে যাবে অমুক দিন ইন শা আল্লাহ।  হারাম কাজে আলহামদুলিল্লাহ, মাশাল্লাহ, ইন শা আল্লাহ  বলাতে কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?

৩) আমি এভাবে প্রশ্ন করাতে কি আমার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
দয়া করে বুঝিয়ে দিবেন।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ
ওযর বিল জাহালত গ্রহণযোগ্য। চায় এ'তেকাদি মাসাঈল সম্পর্কিত হোক বা ফেকহী শাখাপ্রশাখাগত মাসাঈল সম্পর্কিত হোক।
যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন,
( رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا )
হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না।(সূরা বাকারা-২৮৬)
অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন,
(وَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ فِيمَا أَخْطَأْتُمْ بِهِ وَلَكِنْ مَا تَعَمَّدَتْ قُلُوبُكُمْ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا)
এ ব্যাপারে তোমাদের কোন বিচ্যুতি হলে তাতে তোমাদের কোন গোনাহ নেই, তবে ইচ্ছাকৃত হলে ভিন্ন কথা। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(সূরা আহযাব-৫)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/4560

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) কেউ যদি জানে যে, হারাম  খাবার খাওয়ার  সময় বিসমিল্লাহ বলা যাবে না, তাও ভুলবশত বা অভ্যাসগত ভাবে হারাম খাবার খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলে ফেলে,  তাহলে সে কাফির হবে না।

(২) আমার এক বন্ধুর হারাম রিলেশন আছে। সে তার আর তার জি এফ এর ছবি আমাদের দেখিয়েছিল। আমাদের মধ্যে একজন ছবি দেখে বলেছিল যে, বাহ! মাশাল্লাহ। তোদের মানাইছে ভালো।  কেউ কেউ হয়তো আলহামদুলিল্লাহ ও বলেছিল বন্ধুর রিলেশন হওয়াতে।  আবার সেই বন্ধু বললো তার জি এফ এর সাথে দেখা করতে যাবে অমুক দিন ইন শা আল্লাহ।  হারাম কাজে আলহামদুলিল্লাহ, মাশাল্লাহ, ইন শা আল্লাহ বলাতে সাধারণত ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না। তবে সেটা হারাম জানার পরও আলহামদুলিল্লাহ বললে ঈমান থাকবে না।

(৩) এভাবে প্রশ্ন করার কারনে ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...