আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
52 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (34 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহ
আজ আমার স্বামী বলতেছে তার মামাতো ভাই এর বউ প্রেগন্যান্ট। তারপর বললো তাদের বিয়ে হয়েছে কি না সন্দেহ কারণ ছেলেটা ইসলাম মানে না। তখন আমি বললাম হয়তো / মনে হয় মেয়েটাও কাফের। এটা বলার পর আমি ভয় পেয়ে যাই কেন আমি এটা বললাম, কাউকে তো কাফের বলা যায় না।
আমার এমন বলাতে কি আমি কাফের হয়ে গেলাম?

1 Answer

0 votes
by (755,490 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
"الدر المختار " (4/ 224):
"(وشرائط صحتها العقل) والصحو (والطوع) فلا تصح ردة مجنون، ومعتوه وموسوس، وصبي لايعقل وسكران ومكره عليها، وأما البلوغ والذكورة فليسا بشرط بدائع".
قال ابن عابدین رحمه الله:
" قال في البحر والحاصل: أن من تكلم بكلمة للكفر هازلاً أو لاعبًا كفر عند الكل ولا اعتبار باعتقاده، كما صرح به في الخانية. ومن تكلم بها مخطئًا أو مكرهًا لايكفر عند الكل، ومن تكلم بها عامدًا عالمًا كفر عند الكل، ومن تكلم بها اختيارًا جاهلاً بأنها كفر ففيه اختلاف. اهـ".
কুফরি কালিমা উচ্ছারণপূর্বক কাফির সাব্যস্তর জন্য শর্ত হল, জ্ঞান থাকা,সুস্থ মস্তিষ্ক হওয়া। সুতরাং কুফরি কালিমা উচ্চারণ করার দরুণ পাগল,অসুস্থ মস্তিষ্কের অধীকারি ব্যক্তি এবং ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তি, নবালক সন্তান, নেশাগ্রস্ত এবং ঐ ব্যক্তি যার উপর বল প্রয়োগ হচ্ছে, তার  ঈমান নষ্ট হবে না।
ইবনে আবেদীন রাহ বলেন,
মোটকথা, যে ব্যক্তি রংতামাশা বশত কুফরি কালিমা উচ্চারণ করে নিল, তার ঈমান চলে যাবে। তার নিয়তেে দিকে দৃষ্টি দেয়া হবে না। আর যে ব্যক্তি ভুলে বা বল প্রয়োগের দরুণ কুফরি কালিমা উচ্চারণ করলো, তার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।  তবে যেই ব্যক্তি জেনে বুঝে কুফরি কালিমা উচ্চারণ করবে, তার ঈমান চলে যাবে । কিন্তু যদি কেউ কুফরি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরও অনিচ্ছায় মনের অজান্তে কুফরি কালিমা উচ্চারণ করে ফেলে, তাহলে তার ঈমান বাকী থাকবে কি না? এ নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে....(রদ্দুল মুহতার-৪/২২৪)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7748

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে আপনার এবং আপনার স্বামীর ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না। আপনি বলেছেন, মেয়েটাও কাফের। এখানে আপনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। নিশ্চিত কিছু আপনি বলেননি। কাউকে কাফির আখ্যায়িত করেননি। সুতরাং আপনার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (34 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহ উস্তাদ 

আমি ওই ছেলের বউয়ের কথা বলেছি। সরাসরি উনাকে কাফের বলিনি। আমি এটা ভুলবশত বলে ফেলেছি। এটা বলার পর পরই আমি ভয় পেয়ে গেছি কেন এটা বলে ফেললাম। 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...