আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
37 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (6 points)
আসসালামু আলাইকুম।
কিছুদিন আগে আমি একজায়গায় বিয়ের জন্য বায়ো পাঠাই, যদিও পুরোপুরি মন সায় দিচ্ছিলনা। সেখান থেকে বলে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে জানাবে। তখন আমি বলি আমি তো পরিবারকে জানাইনি, ইস্তিখারাও করিনি(নরমালি আমি বায়ো পাঠানোর আগেই ইস্তিখারা করি)। তখন সেখান থেকে বলে বায়ো পাওয়ার সাথেসাথেই নাকী ইস্তিখারা করেছে। তার নাকী প্রাথমিকভাবে পছন্দ হয়েছে বায়ো, তাই আমি যেন আমার পরিবারকে জানাই। তখন আমার ওই প্রস্তাবটা কেমন যেন ভালো লাগছিলনা, সেটাকে শয়তানের ওয়াসওয়াসা ধরে নেই। তখন নামাজ না থাকায় আমি রাতে ইস্তিখারার দুয়া পড়ে ঘুমানোর চিন্তা করি, কিন্তু দুয়া পড়ার পরে ভুল করে ফিসফিস করে একজনের সাথে একটা কথা বলে ফেলি। কিন্তু তখন আবার নতুন করে দুয়া করার সুযোগ ছিলনা। তাই আমি ঘুমের প্রস্তুতি নেই এবং দুয়া করি যাতে পরিষ্কার কোনো স্বপ্ন দেখতে পারি। তখন আমার অনেক এসিডিটি ছিল, তাই রাতে অনেক উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখি। তো ভোরের দিকে হালকা জাগ্রত অবস্থায় এটা স্বপ্ন দেখি যে আমি রিজেক্ট করে দিয়েছি এবং সেখান থেকে অনেক খারাপ খারাপ কথা বলছে। এবং আমার রিজেক্ট করে অনেক ভালো লাগছে যে ভাগ্যিস সিলেক্ট করিনি। অর্থাৎ এর আগে ইস্তিখারা করলে যেমন পুরোপুরি ওই সিদ্ধান্তের উপরে স্থির হতে পারতাম তেমন হয়েছে। এরপরে যখন সকালে জেগে উঠি, তখন স্বপ্নটা মনে পড়ে, কিন্তু মনে হয় এই স্বপ্নটা গ্যাসের জন্য নয় তো? বা শয়তানের পক্ষ থেকে নয় তো? আবার আগের মত কনফিউশনে পড়ে গেছি, এবং যতবারই এই বায়োডাটার কথা মনে পড়ছে, মাথায় প্রচন্ড চাপ লাগছে। বাদ দিয়ে দিয়েছি চিন্তা করলে হালকা লাগছে, আবার ভবিষ্যতে প্রস্তাব আসবে কীনা এমন ভেবে দুশ্চিন্তাও লাগছে। এখন কি আবার ইস্তিখারা করা উচিত, নাকী এই স্বপ্নকেই সঠিক ভেবে বাদ দেব? নাকী আরেকটু আগাব, জানব?
by (6 points)
edited by
অর্থাৎ দুয়া পড়ার পরে কথা বলে ফেলায় দুয়ার কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে গেছে কীনা? এজন্য এমন উল্টো স্বপ্ন দেখেছি কীনা। এবং এরপরে অনেক দুয়া করায় মনটা ঠান্ডা হয়েছে, যে এগিয়ে কথা বলে দেখি কী হয়। আবার বারবার এটা টের পাচ্ছি যে ছেলের দ্বীনদারিতা আমার চেয়ে কম(যেটা আমি চাইনা)। আর আমি নিজেও নিজের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন টের পাচ্ছি, যে দ্বীনদারিতা থেকে সরে গিয়ে কিছুটা তার মত হয়ে যাচ্ছে। এটা টের পাওয়ায় আবার খারাপ লাগছে, মনে হচ্ছে এগোনো ঠিক হবেনা।

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যখন কারো সামনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এসে উপস্থিত হবে।এবং সে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না যে, সে এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিবে।তাহলে এমন পরিস্থিতে তার জন্য উচিৎ ইস্তেখারা করা তথা ভালো দিক কে অন্বেষণ করা।অবশ্যই ইস্তেখারা, নামাযের মাধ্যমেই করবে। ইস্তেখারার পদ্ধতি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাদীসে বলেন, দুই রা'কাত নামায পড়ে বিশেষ মনোযোগের সাথে (নিম্নে উল্লেখিত) দু'আ পড়বে।তাহলে হয়তো তার মন কোনো এক দিকে ধাবিত হবে,বা সে স্বপ্নযোগে কোনো এক ইশারা পাবে।  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1472


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ইস্তেখারার অর্থ হল, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে রাব্বে কারীমের মদদ আর সাহায্য কামনা করা। সেটা হয়তো স্বপ্নের মাধ্যমে কাউকে ইঙ্গিত দেয়া হতে পারে আবার কারো অন্তরে সেদিকে টান অনুভব সৃষ্টি করা হতে পারে। যতদিন না মন কোনো এক দিকে ধাবিত হচ্ছে ততদিন আপনি ইস্তেখারা করবেন। স্বপ্নের বিবরণ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, এটা নেগেটিভ ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাই সামনে অগ্রসর না হওয়াই কাম্য।আল্লাহ আপনাকে সঠিক জিনিষ বাচাই করার তাওফিক দান করুক


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...