আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
162 views
in পবিত্রতা (Purity) by (10 points)
edited by

আসসালামু আলাইকুম উস্তাদ

গত অক্টোবর মাসের 13 তারিখ আমার পিরিয়ড শুরু হয়। ব্লিডিং এখনো একেবারে বন্ধ হয়ে যায় নি। 

সচরাচর 32/33 দিনের সার্কেল আমার। যেহেতু এখনো বেশ ভালোই ব্লাড যাচ্ছে, আমি এই মাসের কত তারিখ থেকে পিরিয়ড ডেট ধরবো? 

আরও একটা বিষয় জানার ছিল। 

একখন্ড জমিতে আমার সাথে আরো অংশিদার আছে। আমার অংশ আমি নির্দিষ্ট দাম মিটিয়ে ফেলেছি। এখনো দলিল হয়নি। তবে এর মধ্যেই পাশের জমি বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। আমি আমার কথার নড়চড় করবো না ইং শা আল্লাহ। 

তবে আমার বাকি অংশিদারও এখন জমিটা বিক্রি করতে চাচ্ছে। আমাকেই দাম নির্ধারণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে আমি কি আগের দামে বিক্রি করবো, নাকি বর্তমান দাম অনুযায়ী বিক্রি করবো, নাকি মাঝামাঝি একটা দামে? আমি অলরেডি বর্তমান হারে দাম চেয়েছি, সামান্য একটু কমিয়ে যেহেতু ক্রেতা একজনই। 

দয়া করে জানাবেন। খুবই পেরেশানিতে আছি।

আল্লাহ পাক আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। 

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দুই হায়েযের মাঝখানে পাক থাকার মুদ্দৎ কমের পক্ষে পনের দিন, আর বেশীর কোন সীমা নাই। অতএব, যদি কোন মেয়েলোকের কোন কারণবশতঃ কয়েক মাস যাবৎ হায়েয বন্ধ থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ঋতুস্রাব না হইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে পাক থাকিবে।

(১৩) মাসআলাঃ
যদি কোন মেয়েলোকের তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখা যায়, তারপর ১৫ দিন পাক থাকে; আবার তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখে, তবে আগেকার তিন দিন তিন রাত এবং পনের দিনের পর তিন দিন তিন রাত হায়েয ধরিবে। আর মধ্যকার দিন পাক থাকার সময়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
১৩ তারিখ হায়েয শুরুর পর আপনার পূর্বের আদত যত দিনের ততদিন হায়েয গণনা করবেন।তারপর ১৫ দিন ইস্তেহাযা গণনা করবেন।তারপর আবার হায়েয গণনা করবেন।

যদি কোনো মহিলার প্রথম যেদিন হায়েয শুরু হয়, সেদিন থেকেই ধারাবাহিক রক্তস্রাব চলতেই থাকে, তাহলে সেই মহিলা  প্রতি মাসে ১০ দিন হায়েয গণনা করবে এবং ২০ দিন ইস্তেহাযা তথা পবিত্রতা গণনা করবে।

আপনি যদি বিক্রি করতে চান, তাহলে বর্তমান মূল্যেই বিক্রি করবেন।জাযাকুমুল্লাহ। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (10 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ। 
জাযাকাল্লাহু খইরন। 
দয়া করে যদি প্রাপ্ত উত্তরের ১ম এবং ২য় প্যারার ১৫ দিন এবং ২০ দিনের ইস্তেহাযার অংশ টুকু আরেকটু বুঝিয়ে দিতেন। 

"সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
১৩ তারিখ হায়েয শুরুর পর আপনার পূর্বের আদত ডত দিনের ততদিন হায়েয গণনা করবেন।তারপর ১৫ দিন ইস্তেহাযা গণনা করবেন।তারপর আবার হায়েয গণনা করবেন।

যদি কোনো মহিলার প্রথম যেদিন হায়েয শুরু হয়, সেদিন থেকেই ধারাবাহিক রক্তস্রাব চলতেই থাকে, তাহলে সেই মহিলা প্রতি মাসে ১০ দিন হায়েয গণনা করবে এবং ২০ দিন ইস্তেহাযা তথা পবিত্রতা গণনা করবে।"

মুল প্রশ্নের জমি সংক্রান্ত ২য় অংশের উত্তর দিলে খুবই উপকৃত হব উস্তাদ। 

by (814,710 points)
আপনার প্রশ্নটি প্রথম থেকেই অস্পষ্ট। যতটুকু বুঝতে পেরেছি, সেই আলোকেই উত্তর দিচ্ছি যে, আপনার রক্তস্রাব ১০ দিন ফেরিয়ে গেলে তখন পূর্বের আদত অনুযায়ী হায়েয গণনা করবেন।
by (814,710 points)
আপনি না বুঝলে আবারো কমন্ট করেন।জাযাকুমুল্লাহ। 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...