আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
79 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (19 points)
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته
১.সম্মানিত শাইখ, আমার জানা মতে পরীক্ষায় দেখে লিখা বা নকল করা হারাম কিন্তু পরীক্ষার সময় কেউ যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়ে যে তার হঠাৎ করে মস্তিষ্ক শূন্য হয়ে গিয়েছে বা কিছু লিখতে পারছে না অতিরিক্ত টেনশনের ও অস্থিরতার কারণে অথচ সে সব পড়াশুনা করেই গিয়েছিল ।
তাহলে এমন পরিস্থিতিতে কি তাকে পরীক্ষার সময় কিছু উত্তর বলে দিয়ে বা নিজের লিখা দেখিয়ে সাহায্য করা যাবে?

২.  পরীক্ষায় শুধু ১-২ টা প্রশ্নের উত্তর নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে লিখলে বা কারো দেখে লিখলে সেটাও কি নকল করার মধ্যে সামিল হবে, শাইখ?

1 Answer

0 votes
by (807,660 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মানুষ পরীক্ষায় নকল করে সাধারণত নিজ পরিবারবর্গ বা বন্ধুবান্ধবকে খুশী করার জন্য। নিজের ব্যক্তিত্বকে সমাজে প্রতিষ্টিত করার জন্য।অথচ হাদীসে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,
ﻋﻦ ﻋﺎﺋﺸﺔ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﺎ ﻗﺎﻟﺖ : ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ : ( ﻣﻦ ﺍﻟﺘﻤﺲ ﺭﺿﺎ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﺑﺴﺨﻂ ﺍﻟﻠﻪ ﺳﺨﻂ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺃﺳﺨﻂ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﻨﺎﺱ )
যে ব্যক্তি মানুষের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আল্লাহর অসুন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেয়,আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হবেন,এবং মানুষদেরকেও তার উপর অসন্তুষ্ট করে দেবেন।(সহীহ ইবনে হিব্বান-২৭৬) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/539


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) পরীক্ষায় দেখে লিখা বা নকল করা হারাম। পরীক্ষার সময় কেউ যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়ে যে তার হঠাৎ করে মস্তিষ্ক শূন্য হয়ে গিয়েছে বা কিছু লিখতে পারছে না অতিরিক্ত টেনশনের ও অস্থিরতার কারণে অথচ সে সব পড়াশুনা করেই গিয়েছিল ।
তাহলেও এমন পরিস্থিতিতে তাকে পরীক্ষার সময় কিছু  বলে দিয়ে বা নিজের লিখা দেখিয়ে সাহায্য করা যাবে না।
(২) পরীক্ষায় শুধু ১-২ টা প্রশ্নের উত্তর নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে লিখলে বা কারো দেখে লিখলে সেটাও নকল করার মধ্যে সামিল হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...