আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
24 views
in সালাত(Prayer) by (9 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ।
এটা ২য় সন্তান। ১ম সন্তানের বেলায় ৪০ দিন পর্যন্ত নেফাস ছিল একটানা। মাঝে একদিনও বন্ধ হয়নি।

এইবার ৩০ দিন পর্যন্ত রক্ত ছিল,,,তারপর দেখা যায় না বলে নামাজ শুরু করে দিয়েছি,,,আজ ১০ দিন পর আবার রক্ত দেখা দিচ্ছে।
এখন আমার করণীয় কি?
আমি কি নামাজ পড়ব ইস্তেহাযা ভেবে নাকি বন্ধ রাখব?

আর নামাজ শুরু হলেও  এইভাবে রক্ত যেতে থাকলে কত তম দিন থেকে নামাজ বন্ধ করব মানে হায়াজে গন্য হবে?

1 Answer

0 votes
by (701,490 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم


হাদীস শরীফে এসেছেঃ
  
عَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «وَقَّتَ لِلنُّفَسَاءِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا، إِلَّا أَنْ تَرَى الطُّهْرَ قَبْلَ ذَلِكَ

হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেফাসওয়ালী মহিলাদের মেয়াদ সাব্যস্ত করেছেন চল্লিশ দিন। তবে যদি এর আগে পবিত্র হয়ে যায়, তাহলে ভিন্ন কথা। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৬৪৯, আলমুজামুল আওসাত, হাদীস নং-৮৩১১, সুনানে দারাকুতনী, হাদীস নং-৮৫২, সুনানে কুবরালিলবায়হাকী, হাদীস নং-১৬১৯]

فى تنوير الابصار: والنفاس لغة : دمن ويخرج عقب ولد، لا حد لاقله، واكثره أربعين يوما (رد المحتار، كتاب الطهارة، باب الحيض-1/496-497)
সারমর্মঃ সন্তান ভুমিষ্ঠের পর যেই রক্ত বের হয়,সেটাকে নেফাস বলা হয়,তার সর্বোচ্চ মেয়াদ হল চল্লিশ দিন। 
,

নেফাস এর সর্বোচ্চ মেয়াদ হল চল্লিশ দিন। যদি চল্লিশ দিনের মধ্যে রক্ত বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে যেদিন বন্ধ হবে, সেদিন গোসল করে নামায পড়া শুরু করে দিতে হবে।
 কিন্তু বন্ধ না হয়, তাহলে এর সর্বোচ্চ মেয়াদ হল চল্লিশ দিন। যদি চল্লিশ দিনেও বন্ধ না হয়, তাহলে চল্লিশ দিন পর বন্ধ না হলেও নামায পড়তে হবে।
,
নেফাস শেষ হওয়ার নুন্যতম ১৫ দিন পর হায়েজ শুরু হবে।
১৫ দিনের আগে হায়েজ হবেনা,এক্ষেত্রে ১৫ দিনের আগেই রক্ত আসলে সেটি ইস্তেহাজা।
,
নেফাস শেষ হওয়ার ১৫ দিনের পরেও হায়েজ না আসলে তো কোনো সমস্যাই নেই।
পবিত্রই থাকবে।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নের বিবরণ মতে এইবার ৩০ দিন পর্যন্ত রক্ত ছিল,তারপর ১০ দিন অফ ছিলো।
তাই নামাজ শুরু করে দিয়েছিলেন।

আজ পবিত্রতার ১০  দিন পর অর্থাৎ বাচ্চা প্রসব হওয়ার চল্লিস দিন পর আবারো রক্ত দেখা দিচ্ছে।

এটি কোনোক্রমেই হায়েজ বা নেফাস নয়।

★প্রশ্নের বিবরণ মতে এইবার আপনার নেফাস ৩০ দিন ধরতে হবে।
এরপর ১৫ দিন পবিত্রতার ধরতে হবে।
তারপর অর্থাৎ পবিত্রতার ১৬ তম দিনে বা তার পরে যদি ব্লিডিং হয়,সেক্ষেত্রে তাহা নুন্যতম ৩ দিন ৩ রাত ধরে হলে সেক্ষেত্রে সেটিকে হায়েজ ধরবেন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
উস্তাদ,তাহলে নামাজ কি পরে কাযা পড়ব?
হায়েজ কতদিন থাকবে আগে থেকে তো বুঝার উপায় নাই।
by (701,490 points)
প্রশ্নের বিবরণ মতে এইবার আপনার নেফাস ৩০ দিন ধরতে হবে।
এরপর ১৫ দিন পবিত্রতার ধরতে হবে।

এই ১৫ দিনের মধ্যে কোন নামাজ ছুটে গেলে সে নামাজের কাজা আদায় করতে হবে।
by (701,490 points)
হায়েজ কতদিন থাকবে, সেটা আপনি আপনার প্রবল ধারণা অনুপাতে নির্ধারণ করতে পারেন। 

প্রবল ধারণা অনুপাতে যদি নির্ধারণ না করতে পারেন, সেক্ষেত্রে ১৫ দিন পর ব্লিডিং হওয়া মাত্র আপনি কিছুদিন (৩ দিন) নামাজ বন্ধ রেখে তারপর সেটি সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে সেটি আদৌ হায়েজ কিনা!

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...