আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
15 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (9 points)
এক আত্মীয় অসুস্থ ছিলেন।তার পরিবারের লোকেরা তাই স্থানীয় এক হুজুরকে বাসায় আনেন চিকিৎসার জন্য।তিনি নাকি তাদের বাসায় জ্বিন পাঠান কিন্তু ঐ বাসায় অসুস্থ ব্যক্তির উপর কেউ কালো জাদু করেছে তাজ্বিন বাড়িতে ঢুকতে পারে নাই।

এছাড়াও কে জাদু করেছে তা বের করার জন্য, বাড়ির তিনজনের হাতে কুরআন শরীফ রেখে পরীক্ষা করেন।আর বিভিন্ন দোয়াসহ আরো অনেক কিছু পড়েন।যে জাদু করেছে তার নাম বলায় কুরআন এমনভাবে ঘুরতে থাকে যে হাত থেকে পড়ে যাবে এমন অবস্থা।

আমার প্রশ্ন হলো এইভাবে জাদু কে করেছে তা নির্ণয় করা ও

জ্বিনের সাহায্যে চিকিৎসা করা জায়েয কি না??

আর এসব বিশ্বাস করা ঈমান ধ্বংসকারী কি না??

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
কুরআনে কারিমে বলা হয়েছে—
ﺇِﻥَّ ﭐﻟﻠَّﻪَ ﻋِﻨﺪَﻩُ ۥ ﻋِﻠۡﻢُ ﭐﻟﺴَّﺎﻋَﺔِ ﻭَﻳُﻨَﺰِّﻝُ ﭐﻟۡﻐَﻴۡﺚَ ﻭَﻳَﻌۡﻠَﻢُ ﻣَﺎ ﻓِﻰ ﭐﻟۡﺄَﺭۡﺣَﺎﻡِۖ ﻭَﻣَﺎ ﺗَﺪۡﺭِﻯ ﻧَﻔۡﺲٌ۬ ﻣَّﺎﺫَﺍ ﺗَڪۡﺴِﺐُ ﻏَﺪً۬ﺍۖ ﻭَﻣَﺎ ﺗَﺪۡﺭِﻯ ﻧَﻔۡﺲُۢ ﺑِﺄَﻯِّ ﺃَﺭۡﺽٍ۬ ﺗَﻤُﻮﺕُۚ ﺇِﻥَّ ﭐﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠِﻴﻢٌ ﺧَﺒِﻴﺮُۢ
অর্থঃ "নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছেই কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং মাতৃগর্ভে যা থাকে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না আগামীকাল সে কি উপার্জন করবে, এবং কেউ জানে না কোন স্থানে সে মৃত্যুবরণ করবে। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।" (সূরা লুকমান-৩১-৩৪) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1843

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/14907

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কে জাদু করেছে তা বের করার জন্য, বাড়ির তিনজনের হাতে কুরআন শরীফ রেখে পরীক্ষা করা।তাছাড়া বিভিন্ন দোয়াসহ আরো অনেক কিছু পড়া। এভাবে জাদু কে করেছে, তা নির্ণয় করা মুশকিল। এভাবে কেউ কারো নাম বললে সেটা বিশ্বাস করা যাবে না। এবং জ্বীনের সাহায্য গ্রহণ করে নাম প্রকাশ করাও জায়েয হবে না। হ্যা, এভাবে বলার পর কেউ স্বীকারোক্তি দিলে সেটা বিশ্বাসযোগ্য।

কে জাদু করেছে? সেটা যেহেতু গাইবের বিষয়।আর গাইব আল্লাহ ব্যতিত অন্য কেউ জানে না। সুতরাং কোনো মানুষ বা জ্বীন বলতে পারবে না যে, এটা কে করেছে? এরকম নিশ্চিতভাবে কারো নাম প্রকাশ করা ও বিশ্বাস করা কুফরি। যদি কেউ করে, তাহলে তার তা কবিরা গোনাহ হবে। না জেনে করলে ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না। নতুবা ঈমান নবায়ন করতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...