আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
98 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (14 points)
reshown by
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ
এখন আমি যেই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকি,এই ফ্ল্যাটে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের দিকে বাসাটা ভাড়া নেয় আমার স্বামী। তখন বাড়িওয়ালার কথা ছিল জানুয়ারিতে লিফট লাগানোর কাজ ধরা হবে যেহেতু আমরা ৬ তলায় টপ ফ্লোরের ফ্লাটটা ভাড়া নিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালার স্পষ্ট কথা ছিল লিফট লাগালে বাসা ভাড়ার সাথে তখন সার্ভিস চার্জ যোগ হবে এরআগে বাড়তি কোন টাকা আপাতত ২ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হবেনা। এটা কন্ট্রাক পেপারেও লেখা ছিল।এখন দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক বেহাল অবস্থার জন্য মোটামোটি সকলেরই কিছুটা অর্থনৈতিক সংকটকাল যাচ্ছে। বাড়িওয়ালার দাবি ছিল মাসের ৫ তারিখের মধ্যেই বাসা ভাড়া পরিশোধ করতে হবে,আর আমার স্বামী স্পষ্ট তাদেরকে বলেছিল ৫ তারিখ আমার জন্য কষ্টকর হয়ে যায়  আমি সর্বোচ্চ ১০ তারিখের ভিতরে ভাড়া পরিশোধ করে দিবো। গত ২ মাস আমার স্বামী মাসের ১৫ তারিখে ভাড়া দিয়েছে এজন্য বাড়িওয়ালার পরিবারের সদস্যরা আমার স্বামীর সাথে দেরিতে ভাড়া পরিশোধের বিষয়টি নিয়ে কথা বলে একপর্যায়ে আমার স্বামী তাদেরকে জানায় এখন থেকে আপনাদের দেয়া সময়ের মধ্যেই আপনাদেরকে ভাড়া পরিশোধ করে দিবো ইংশাআল্লাহ। তারাও বিষয়টি মেনে নেয়। এর কয়েকদিন পর সর্বোচ্চ ২/৩ দিন পরই হঠাৎ বাড়িওয়ালার মা ২ জন মেয়েদেরকে নিয়ে বিকেলবেলা আমার বাসায় আসে দরজা খুলতেই আমি সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম এরা কারা খালাম্মা? তিনি জানালেন ওরা বাসা দেখতে এসেছে,কথাটা শুনে আমি অবাক হলাম আর বললাম আমার ঘরের কর্তা তো বাসায় নেই উনি পারমিশন দিলে আমি মেয়েদেরকে বাসা দেখার জন্য ভিতরে ঢুকতে দিবো। (বাড়িওয়ালাকে বাসা ভাড়া নেয়ার সময়ই আমার স্বামী বলেছিলেন আমি বাসায় না থাকলে আমার শ্বশুরেরও বাসায় ঢোকা নিষেধ আর আমার স্ত্রী খাস পর্দা করে,আমাকে ছাড়া কোথাও যায় না।) এরপর আমি আমার স্বামীকে কল দিলে সে বলে ১ ঘন্টা পরে আমি বাসায় আসবো তখন বাসা দেখতে পারবে জানিয়ে দেও তাদেরকে। স্বামীর কথামত খালাম্মাকে বললাম ১ ঘন্টা পরে আমার স্বামী বাসায় আসবে,এটা বলার সাথে সাথে উনি আমার সাথে রাগ দেখিয়ে তার ছেলেকে দিয়ে আমার স্বামীকে কল দেয়ায় এবং বলে বাসায় এমন গোপন কি রেখেছেন যে মহিলা মানুষ ঢোকা যাবে না?! অথচ আমি শুরুতে খালাম্মাকে বাসায় আসতে বলেছি ঐ ২ জন্য মেয়েদেরকে ছাড়া যেহেতু তারা নতুন ভাড়াটিয়া হবে। যাইহোক এরপর স্বামীর পারমিশন পেয়ে আমি তাদেরকে বাসা দেখতে দেই। এর ২ দিন পর বাড়িওয়ালা আমার স্বামীকে জানায় তারা নতুন ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে এডভান্স ৩ মাসের ভাড়া নিয়েছে জানুয়ারির ১ তারিখে তারা আমাদের বাসায় উঠবে,তখন আমার স্বামী বাড়িওয়ালাকে বলে আমরা বাসা ছাড়বো এটা তো আপনাদেরকে বলিনি আর আপনারা কি আমাদেরকে বলেছেন বাসা ছাড়ার জন্য? তখন বাড়িওয়ালা বললেন আমরা বাড়িওয়ালা আমরা ইচ্ছে করলে এমন করতে পারি,আমাদের কন্ট্রাকেও এমন লেখা আছে। আমার স্বামী বাড়িওয়ালাকে বলেছেন আমার তো বাসা ছাড়া নিয়ত নেই আর বললেই তো হুট করে যখন তখন বাসা ছাড়া যায় না,আর আরেকটা নতুন বাসা ভাড়া নিতে গেলে মিনিমাম ২ মাসের এডভান্স টাকা দেয়া লাগবে,বাসা পাল্টাতে মিনিমাম ৫ হাজার টাকা যাবে সেই পরিমাণ টাকা তো এখন আমার কাছে নেই। এরপর বাড়িওয়ালার কাছে আমাদের যেই এডভান্স টাকা দেয়া আছে সেটা চাইলে বাড়িওয়ালা জানায় সেই টাকা বাসা ছাড়ার দিন দিবে এখন না। বাড়িওয়ালা বলেছিলেন ২ বছরের আগে কোন টাকা বাড়াবেনা আর এখন শুধুমাত্র ১৫০০ টাকা ভাড়া বাড়ানোর জন্য তারা আমাদের সাথে এধরনের আচরণ করছেন। আমার স্বামী বাড়িওয়ালাকে স্পষ্ট বলেছেন আপনি নতুন ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে যা ভাড়া নিবেন সেই টা আমি আপনাকে দিলে তো আর এখানে কোন কথা থাকেনা। তারপরও তারা বলছেন এটা সম্পূর্ণ আমাদের ইচ্ছে।  সবজায়গায় ভাড়া বাসার নিয়ম হলো মালিকপক্ষ বাসা ছাড়ার জন্য ভাড়াটিয়াকে মিনিমাম ২/৩ মাস আগে নোটিশ দিবে,ভাড়াটিয়ার কোন দোষ পেলে বাসা ছাড়তে বলবে কিংবা ভাড়াটিয়া মালিকপক্ষকে জানাবে তারা বাসা ছেড়ে দিবে। কিন্তু এখানে তারকোনটাই তো তারা অনুসরণ না করে সরাসরি একটা সিদ্ধান্তহীনতার মধ্যে আমাদেরকে ফেলে দিয়েছে। একটা নতুন বাসায় যেতে সার্বিক যেই পরিমাণ টাকার দরকার হয় সেই পরিমাণ টাকা এখন আমার স্বামীর কাছে নেই। আর আমরাও তো মানসিকভাবে এখন প্রস্তুত নই বাসাটা ছাড়ার জন্য। বাড়িওয়ালাদের চোখে আমাদের দোষ আমার স্বামী ৫ তারিখের পর ভাড়া দেয় আর নতুন ভাড়াটিয়া নিয়ে বাসায় ঢোকার সময় কেন তাদেরকে আমি ঢুকতে দিলাম না মেয়ে মানুষ হবার পরও। এখন আমার প্রশ্ন হলো
১.তারা কি বাড়িওয়ালা হয়ে আমাদের উপর জুলুম করছে না?
২.তাদের জুলুমের প্রতিবাদ করার ইখতিয়ার কি আমাদের আছে?

৩.আমি যদি স্বামীর পারমিশন ছাড়া বাসায় কাউকে প্রবেশ করে না দেই সেক্ষেত্রে কি আমার গুনাহ হবে?
৪.আমি কথা কম বলি,বিল্ডিং এ ভাবিদের গ্রুপিং গিবত শোনা ও করা এসব থেকে নিজের সর্বোচ্চ বাচিয়ে চলার চেষ্টা করি এজন্য অনেকে আমার পর্দা করা ইসলাম মানাকে নেগেটিভ চোখে দেখে এক্ষেত্রে আমার করনীয় কি? আমি কি তাদের সাথেও স্রোতের তালে গা ভাসিয়ে দিবো নাকি নিজের স্থান থেকে আল্লাহকে আকড়ে ধরে থাকবো? এই যুগে নিজের মত করে স্বামীর সংসার নিয়ে পড়ে থাকলেও বিভিন্ন মানুষের নানান কথা শুনতে হয়। সেক্ষেত্রে আমার করনীয় কি? মাঝে মধ্যে খুব হতাশ লাগে মানুষদের নেগেটিভ কথার জন্য।
৫.মানসিকভাবে খুব ভেঙে পড়েছি,আল্লাহ তাআলা রিযিকের মালিক তারপরও বারবার মাথায় ঘুরছে নতুন বাসার ব্যবস্থা না করলে ছোট বাচ্চাকে নিয়ে কি গাছ তলায় থাকবো! আমার বাবা এই এলাকায় অনেক সম্পদশালী,ইচ্ছে করলে টাকার ক্ষমতা দেখানো যায় বাড়িওয়ালাদের সাথে,কিন্তু আমি এবং আমার স্বামী পরকালে বিশ্বাসী,আমাদের দ্বারা কারো ক্ষতি হোক এটা আমাদের কাম্য নয় মোটেই। স্বামী বাবার মত সম্পদশালী নয় বিধায় তারা আমাদেরকে এড়িয়ে চলে। তাদের কাছেও বিপদে যাওয়া সমীচীন মনে করিনা।এই সংকটময় অবস্থায় কিভাবে ধৈর্য ধারন করলে আল্লাহ তাআলা আমাদের উপর সন্তুষ্ট হবেন?
বাড়িওয়ালা যে আমাদের উপর জুলুম করছে এর বিচার চাওয়ার অধিকার কি আল্লাহ আমাদেরকে দিয়েছেন?
by (14 points)
reshown by
উস্তাদ ৩,৪,৫ নং প্রশ্নের উত্তর গুলো দিলে মুনাসিব হতো। 

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কেউ যদি কাউকে এমন গালি দেয় যাতে হদ্দ বা শরয়ী দন্ডবিধি আসেনা তাহলে এমন গালির বদলা গালি দিয়ে দেয়া জায়েয হলেও মাফ করে দেয়া সর্বোত্তম চরিত্রের বৈশিষ্ট্য।
আল্লাহ তা'আলা এরশাদ করেন,

ﻭَﺟَﺰَﺍﺀ ﺳَﻴِّﺌَﺔٍ ﺳَﻴِّﺌَﺔٌ ﻣِّﺜْﻠُﻬَﺎ ﻓَﻤَﻦْ ﻋَﻔَﺎ ﻭَﺃَﺻْﻠَﺢَ ﻓَﺄَﺟْﺮُﻩُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻈَّﺎﻟِﻤِﻴﻦَ
তরজমাঃ আর মন্দের প্রতিফল তো অনুরূপ মন্দই। যে ক্ষমা করে ও আপোষ করে তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে; নিশ্চয় তিনি অত্যাচারীদেরকে পছন্দ করেন নাই।(সূরা আশ-শুরা-৪০)

উক্ত আয়াতের ব্যখ্যায় ইমাম ক্বুরতুবী উল্লেখ করেন।কেউ কেউ বলেনঃ
ﺣﺪﺛﻨﻲ ﻳﻌﻘﻮﺏ ﻗﺎﻝ : ﻗﺎﻝ ﻟﻲ ﺃﺑﻮ ﺑﺸﺮ : ﺳﻤﻌﺖ . ﺍﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﻧﺠﻴﺢ ﻳﻘﻮﻝ ﻓﻲ ﻗﻮﻟﻪ : ( ﻭﺟﺰﺍﺀ ﺳﻴﺌﺔ ﺳﻴﺌﺔ ﻣﺜﻠﻬﺎ ) ﻗﺎﻝ : ﻳﻘﻮﻝ ﺃﺧﺰﺍﻩ ﺍﻟﻠﻪ ، ﻓﻴﻘﻮﻝ : ﺃﺧﺰﺍﻩ ﺍﻟﻠﻪ .
বদ দু'আর বিনিময়ে বদদুআ করা জায়েয।
ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﻗﺎﻝ : ﺛﻨﺎ ﺃﺣﻤﺪ ﻗﺎﻝ : ﺛﻨﺎ ﺃﺳﺒﺎﻁ ، ﻋﻦ ﺍﻟﺴﺪﻱ ، ﻓﻲ ﻗﻮﻟﻪ : (
ﻭﺟﺰﺍﺀ ﺳﻴﺌﺔ ﺳﻴﺌﺔ ﻣﺜﻠﻬﺎ ) ﻗﺎﻝ : ﺇﺫﺍ ﺷﺘﻤﻚ ﺑﺸﺘﻤﺔ ﻓﺎﺷﺘﻤﻪ ﻣﺜﻠﻬﺎ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺃﻥ ﺗﻌﺘﺪﻱ . [ ﺹ : 548 ]
যদি তোমাকে কেউ গালি দেয় তাহলে সীমালঙ্ঘন ব্যতীত তুমিও হুবহু সেই গালি দিতে পারবে।
{তাফসীরে ক্বুরতুবী-২৬/৪০আয়াতের ব্যখ্যা দ্রষ্টব্য।ভলিউম২১/পৃ৫৪৮}

আর দন্ডবিধি আসলে যেমন কেউ কাউকে জারজ সন্তান বলল, তাকে বিচারক হদ্দে ক্বাযাফ তথা যিনার অহেতুক তুহমতের শাস্তি প্রয়োগ করবেন।
{ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-২/১৬২.রশিদিয়্যাহ}

এবং কেউ কারো প্রতি জুলুম-অত্যাচার করলে বিচারকের কাছে বিচারপ্রার্থী হওয়া বা আল্লাহর কাছে বিচারপ্রার্থী হওয়াই উচিৎ।
অযথা কাউকে অভিশাপ দেয়া কখনো উচিত হবে না।

অবশ্য জুলুম-নির্যাতন চুড়ান্ত পর্যায়ে চলে গেলে তার জুলুম-অত্যাচার বন্ধের জন্য আল্লাহর কাছে দু'আ করা যাবে।এবং তার জুলুম নির্যাতন একদিন বন্ধ হবেই।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/4040

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) প্রশ্নের বিবরনমতে বাড়িওয়ালা আপনাদের উপর জুলুম করছে। আপনারা প্রতিবাদ করতে পারবেন। প্রয়োজনে কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারবেন।
(২) জ্বী, জুলুমের প্রতিবাদ করার অধিকার আপনার রয়েছে।

(৩) স্বামীর পারমিশন ছাড়া বাসায় কাউকে প্রবেশ করে না দিলে সেক্ষেত্রে আপনার কোনো গুনাহ হবে না। 
(৪) নিজের স্থান থেকে আল্লাহকে আকড়ে ধরে থাকবেন। 
(৫) মা'বুদের নিকট সাহায্য চান। অবশ্যই একটা ব্যবস্থা হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...