আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
120 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (10 points)
السلام عليكم ورحمه الله وبركاته.

দুইটি প্রশ্ন করতে চাই–


১. কোনো পরিবারের কর্তা অর্থাৎ বাবা পরিবারে লাগাতার বাকি সদস্যদের হক্ব আদায় না করে, সংসারের ব্যাপারে বেখেয়াল, বেপরোয়া হয়.. বলার পরও বোঝানোর পরও তাদের সাথে সবরকমের বেইনসাফি করে,

সেক্ষেত্রে বাকি সদস্যদের কি সবরই অবলম্বন করা উচিত? অথবা কি করণীয়?


২. কোনো পরিবারের কর্তা অর্থাৎ বাবা যদি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের বাকি সদস্যদের সাথে শারীরিক মানসিক(মানসিকই বেশি) নির্যাতন, পরিবারের সদস্যদের হক্ব যথাযথভাবে আদায়ে বেখেয়াল থাকে, সদস্যদের সাথে বেইনসাফি করেই যেতে থাকে ফলে এক পর্যায়ে তার সন্তানদের একজন তার উপর আক্রমনাত্মক ব্যবহার করে (এমনি এমনি না, বড় একটা পারিবারিক ঝামেলার সূত্র ধরেই) সেক্ষেত্রে কি এটা সন্তানের জন্য অনুচিত বা গুনাহ হয়েছে যে সে তার বাবার গায়ে হাত তুললো?

এতে যদি বাবা অভিশাপ দেন বা বলতে থাকেন তার সন্তানদের কোনো আমল তার কাজে আসবেনা, তা কি গ্রহণযোগ্য হবে?

এই ঘটনার পর বাবার কাছে ক্ষমা চাওয়া কতটুকু সঠিক যেখানে তিনি নিজেই অপরাধী ছিলেন অথচ বাকিদের অপরাধী বলছেন?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَإِن جَاهَدَاكَ عَلَىٰ أَن تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا ۖ وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا ۖ وَاتَّبِعْ سَبِيلَ مَنْ أَنَابَ إِلَيَّ ۚ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
পিতা-মাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন বিষয়কে শরীক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই; তবে তুমি তাদের কথা মানবে না এবং দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে সহঅবস্থান করবে। যে আমার অভিমুখী হয়, তার পথ অনুসরণ করবে। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে এবং তোমরা যা করতে, আমি সে বিষয়ে তোমাদেরকে জ্ঞাত করবো।(সূরা লুকমান-১৪/১৫)

وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا
তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা।(সূরা বনি ইসরাঈল-২৩)


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মাতাপিতার সাথে সর্বদা উত্তম আচরণ করতে হবে। তারা বেইনসাফি করলেও তাদের সাথে ইনসাফপূর্ণ  ও সুন্দর ব্যবহার করতে হবে। যদি কোনো সন্তান বাবার সাথে দুর্ব্যবহার তাহলে সে সাথে সাথে বাবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়াই সন্তানের জন্য কল্যাণকর।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...