বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَإِذَا رَأَيْتَ الَّذِينَ يَخُوضُونَ فِي آيَاتِنَا فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ حَتَّىٰ يَخُوضُوا فِي حَدِيثٍ غَيْرِهِ ۚ وَإِمَّا يُنسِيَنَّكَ الشَّيْطَانُ فَلَا تَقْعُدْ بَعْدَ الذِّكْرَىٰ مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ
যখন আপনি তাদেরকে দেখেন, যারা আমার আয়াত সমূহে ছিদ্রান্বেষণ করে, তখন তাদের কাছ থেকে সরে যান যে পর্যন্ত তারা অন্য কথায় প্রবৃত্ত না হয়, যদি শয়তান আপনাকে ভূলিয়ে দেয় তবে স্মরণ হওয়ার পর জালেমদের সাথে উপবেশন করবেন না। (সূরা আল-আনআম-৬৮)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নে উল্লেখিত বিষয়াবলী শিরকি ও কুফরি। সুতরাং এজাতীয় কথাবার্তা ও কল্পকাহিনি শ্রবণ করা যাবে না। হ্যা এটা অবশ্য ঠিক যে, জ্বীনের অস্তিত্ব রযেছে এবং তাদের অস্বাভাবিক ক্ষমতাও রয়েছে।
(২) মোবাইলে বা যেকোনো যায়গায় ইসলামিক কিছু হলে, যদি সেটাকে দেখি না হয় এবং শুনা না হয়, তাহলে বরং জায়েয অন্য কিছু তখন করা হয়, তাহলে গোনাহ বা কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।
(৩) মোবাইলে বা যেকোনো জায়গায় ইসলামিক কিছু হলে, যদি দেখা না হয় বা শুনা না হয়, বরং গোনাহ বা মাকরুহ জাতীয় কোনো কাজ করা হয়, তাহলে ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।
(৪) খাবার খাওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত কোথাও শরীক হওয়া যাবে না। জায়েয হবে না। এক্ষেত্রে অবশ্যই কু প্রবৃত্তির অনুসরণ হবে।