ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
فَيُبْدَأُ بِأَصْحَابِ الْفَرَائِضِ وَهُمُ الَّذِينَ لَهُمْ سِهَامُ مُقَدَّرَةٌ فِي كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى ثُمَّ بِالْعَصَبَاتِ مِنْ جِهَةِ النَّسَبِ وَالْعَصَبَةُ كُلُّ مَنْ يَأْخُذُ مَا أَبْقَتْهُ أَصْحَابُ الْفَرَائِضِ وَعِنْدَ الْانْفِرَادِ يُحْرِزُ جَمِيعَ الْمَالِ ثُمَّ بالعصبة مِن جِهَةِ السَّبَبِ وَهُوَ مَوْلَى الْعَتَاقَةِ ثُمَّ عَصَبَتِهِ عَلَى التَّرْتِيْبِ ثُمَّ الرد على ذَوِي الْفُرُوضِ النَّسَبِيَّةِ بِقَدْرِ حُقوقِهِمْ ثُمَّ ذَوِي الْأَرْحَامِ .ثُمَّ مَوْلَى الْمَوَالَاةِ ثُمَّ الْمُقِرِ لَهُ
بالنسب عَلَى الْغَيْرِ بِحَيْثُ لَمْ يَقْبُتْ نسبه باقرارِهِ مِنْ ذَلِكَ الْغَيْرِ إِذَا مَاتَ الْمُبَرُ عَلَى أَقْرَارِهِ ثُمَّ الْمُوْضِى لَهُ بِجَمِيعِ . المالِ ثُمَّ بَيْتَ الْمَالِ -
অতঃপর মিরাস বণ্টনের কাজ। প্রথমে যাবিল ফুরূযগণ হতে আরম্ভ করা হবে। আর তারা হলো সেই সমস্ত উত্তরাধিকারীগণ যাদের জন্য নির্ধারিত অংশ কিতাবুল্লহের মধ্যে নির্ধারিত রয়েছে। অতঃপর বংশগত অসাবাগণের মধ্যে মিরাস বণ্টন করা হবে। আর আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগী বলতে তাদেরকে বুঝানো হয়- যারা যাবিল ফুরূযগণের নিজ নিজ অংশ নেয়ার পর অবশিষ্ট অংশের অংশীদার হয়ে থাকে, আর যাবিল ফুরূযগণের অবর্তমানে যারা সমুদয় সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে। অতঃপর সাবাব বা কারণগত আসাবাগণের মধ্যে মিরাস বণ্টিত হবে। আর কারণগত আসাবা হলো, ক্রীতদাসের মুক্তিদাতা মনিব। তারপর তার আসাবাগণের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে বণ্টন করা হবে। অতঃপর পুনরায় বংশগত যাবিল ফুরূযগণের মধ্যে তাদের অংশহারে রদ বা পুনঃবণ্টন করা হবে। অতঃপর রক্ত সম্পর্কে সম্পর্কিত যাবিল আরহাম তথা নিকটাত্মীয়গণের মধ্যে মিরাস বণ্টন করা হবে।
অতঃপর মাওলাল মুওয়ালাত তথা মৃত ব্যক্তির চুক্তিবদ্ধ বন্ধু 'মনিবকে মিরাসের অংশ প্রদান করা হবে। তারপর মৃত ব্যক্তি কর্তৃক স্ববংশজাত বলে স্বীকৃত ব্যক্তিকে তার অংশ প্রদান করা হবে; এভাবে যে, তার স্বীকারোক্তি দ্বারা এ দ্বিতীয় ব্যক্তির উপর বংশের দাবি প্রতিষ্ঠিত হবে না। আর স্বীকৃতি দানকারী তার সে স্বীকারোক্তির উপর বহাল থাকাঅবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। অতঃপর সম্পূর্ণ সম্পদের প্রাপক হিসেবে অসিয়তকৃত ব্যক্তিকে অংশ প্রদান করা হবে। অতঃপর (সর্বশেষে উপযুক্ত হকদার না পাওয়া গেলে) পরিত্যক্ত সম্পদ বায়তুল মালে (ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে) জমা করা হবে।(সিরাজী)
কে কে সম্পদের মালিক হবে? তথা ওয়ারিছ কে হবে?
সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/343
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার স্বামী ৪ ভাগের ১ ভাগ পাবেন। অবশিষ্ট ৩ ভাগ তিন বোন পাবে। ভাইয়ের ছেলেরা কিছুই পাবে না।
বিঃদ্রঃ
এই বন্টন প্রক্রিয়া তখনই কার্যকরী হবে যখন প্রশ্নে উল্লেখিত ওয়ারিছগণ ব্যতিত মৃত ব্যক্তির জীবিত আর কোনো ওয়ারিছ থাকবে না। যদি মৃত ব্যক্তির আর কোনো ওয়ারিছ জীবিত থাকে, তাহলে তখন বন্টন প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2092