ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
শরয়ী পর্দার ক্ষেত্রে নারীদের জন্য এক বা দুনু চক্ষু খোলার রাখার রুখসত রয়েছে। তবে গায়রে মাহরামের সাথে চোখে চোখ মিলানো জায়েয হবে না। এতে ফিতনার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে, যেজন্য এত্থেকে বেচে থাকা জরুরী।
হযরত হাসান রাযি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
’’عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: وَبَلَغَنِیْ اَنَّ رَسُوْلَ اللہِ صَلَّی اللہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَعَنَ اللہُ النَّاظِرَ والْمنْظُوْرَ إِلَیْہِ۔‘‘(شعب الایمان ، رقم الحدیث:۷۳۹۹)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যেই চক্ষু দৃষ্টি দেয় এবং যে নিজের দিতে দৃষ্টি দিতে অন্যকে আকৃষ্ট করে, তার উপর আল্লাহ লা'নত দেন।
فی تفسیر ابن کثیر: (3/679)
تحت قولہ تعالی:يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاء الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلابِيبِهِنَّ۔ ’’قال ابن عباس ﷺ:امراللہ نساء المومنین اذاخر جن من بیوتھن فی حاجۃ ان یغطین وجوھھن من فوق رؤوسھن بالجلابیب ویبدین عیناواحداً اھ
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
শরয়ী পর্দার ক্ষেত্রে চশমা পরিধান জরুরী নয়। তবে নিজ চক্ষু কে হেফাজত করা এবং অন্যর দৃষ্টি থেকে নিজেকে বা নিজ চক্ষুকে হেফাজতে রাখা অতিব জরুরী। সুতরাং চশমা পরিধান জরুরী নয়। হ্যা, আফগানি বোরখা যা চক্ষু পর্যন্ত ঢেকে রাখে, সেটা দ্বারা পর্দা করাই উত্তম।