আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
121 views
in সালাত(Prayer) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম হুজুর।

২০২০ সালে আমার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর সংসার ভালোই চলছিলো। আমি আল্লাহ ও তার রাসূল (সা) এর উপর পরিপূর্ণ ইমান রয়েছে।

বিয়ের দুইবছর পর একদিন ঝগড়ার মধ্যে আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক বলে ফেলে। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে এই ঘটনাটি আমি কাউকে বলেনি। যেহেতু আমার সন্তান ছিলো।

তিন তালাকের পরেও আমার স্বামী আমার সাথে সহবাস করতো। কিন্তু আমি বাঁধা দেওয়ার সাহস হতো না। প্রতিনিয়ত এভাবে সহবাস করা হতো বলে আমি আল্লাহর কাছে তওবা ও করিনি। কারণ তওবা করলেও আমাকে বারবার সহবাস করা লাগতো স্বামীর প্রয়োজনে। আমার মনে হতো আমি তওবা করলে আল্লাহর সাথে প্রতারণা হবে। কিন্তু আমি যে অপরাধ করছিলাম সেটা আমি উপলব্ধি করতাম এবং এর জন্য মৃত্যু পরবর্তী জীবনে আমার শাস্তি হবে সেটাও আমি বিশ্বাস করতাম।

ঐ সময়টাতে আমি সবসময় ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হতো। আমি নামাজের সকল শর্ত মেনে নামাজ আদায় করতাম। ২০২৪ সালে আমাদের ডিভোর্স হয়।

আমার প্রশ্ন: তিন তালাকের পরবর্তী সময় ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল, এই দুইবছরের নামাজ কি আমাকে পুনরায় কাযা পড়তে হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,620 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
তাওবাহর দ্বারা আল্লাহ পাক সকল প্রকার গোনাহকে ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(সূরা যুমার-৫৩)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1048

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
তিন তালাক পরবর্তী স্বামী কর্তৃক সহবাসে বাধা না দেয়ার কারণে আপনাকে অবশ্যই তাওবাহ করতে হবে। খালিছ নিয়তে তাওবাহ করলে অবশ্যই আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন। ঐ সময়ে আপনার আদায়কৃত নামাযকে এখন আর কা'যা করতে হবে না বরং সেগুলো জিম্মা থেকে আদায় হয়ে গিয়েছে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...