জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
শরীয়তের বিধান হলো, ছুটে যাওয়া নামায সমূহের মধ্যে শুধুমাত্র ফরয এবং বিতির নামাযের কাযা করতে হবে।সুন্নতের কাযা করা জরুরী না।তবে কেউ করে নিলে সমস্যা নেই।(ইমদাদুল ফাতাওয়া-১/৩৯৮)
★ফজরের সুন্নাত কোন কারণে পড়তে না পারলে তার কাযা আদায় করবে সুর্য উদিত হবার পর।
জোহরের ওয়াক্ত আসলে আর আদায় করবেনা।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
وفى جامع الترمذى- عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يصل ركعتي الفجر فليصلهما بعد ما تطلع الشمس (جامع الترمذى-أبواب الصلاة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، باب ماجاء في إعادتهما بعد طلوع الشمس ،رقم-423)
অনুবাদ-হযরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত যে, নবীজি সা: বলেন-যে ফজরের দুই রাকআত সুন্নত (সময়মতো) পড়ল না সে যেন সূর্যোদয়ের পর তা আদায় করে। ( জামে তিরমিজী-১/৯৬)
আরো জানুনঃ
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
প্রশ্নের বিবরণ মতে আপনি ফজর নামাজের কাজা যেহেতু সূর্য উদয়ের পর তথা দিনের বেলা আদায় করতে চাচ্ছেন, তাই এক্ষেত্রে আপনাকে আস্তে আওয়াজে তিলাওয়াত করতে হবে।
এক্ষেত্রে আপনি জোহরের ওয়াক্তের আগেই কাজা আদায় করলে সেক্ষেত্রে ফজরের সুন্নাত সহ ফজরের ফরজের কাজা আদায় করবেন।
আপনি যদি রাতে ফজরের নামাজের কাজা আদায় করেন, সেক্ষেত্রে আপনার জন্য ইচ্ছা রয়েছে, চাইলে আপনি জোরে আওয়াজে তেলাওয়াত করতে পারেন চাইলে আস্তে আওয়াজে তেলাওয়াত করতে পারেন।