و عليكم السلام ورحمة الله وبركاته.
আপনার ইনকাম হালাল।
মূলনীতি অনুসারে, যে জিনিসের বৈধ অবৈধ দুই ধরণের ব্যবহার আছে তা প্রোভাইড করার দ্বারা সেই প্রোভাইডার/বিক্রেতা গুনাহগার হবেননা। বরং যিনি তা না জায়েজ পন্থায় ব্যবহার করবেন সেই কনজিউমার গুনাহগার হবেন।
মেক আপ ও মেহেদী ব্যবহারকারীরা চাইলে তাদের এই সাঁজ প্রদর্শনকে মাহরামদের সামনে সীমাবদ্ধ রাখতে পারে। এটা হালাল। আবার চাইলে গাইরে মাহরামদের দেখিয়ে গুনাহ কামাই করতে পারে। পুরোটাই তাদের নিজেদের উপরে নির্ভর করে। তাই গুনাহের বিষয়টাও তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট।
তবে অধিকাংশ মানুষ এসব জিনিস না জায়েজ কাজেই ব্যবহার করে। তাই এদের সেবা দেয়া থেকে বিরত থাকাই উত্তম।
الله أعلم بالصواب.
___এটা হচ্ছে হানাফী ফিক্বহ গ্রুপে মেহেদী আর ম্যাকাপ আর্টস্ট এর ব্যবসা নিয়ে উত্তর।
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে-
১)মেহেদী হোক কিংবা কসমেটিক্স,কাপড় ইত্যাদি যারাই বিক্রি করে, যিনি ক্রেতা সে যদি এই জিনিসগুলো হারাম কাজে ব্যবহার করে এক্ষেত্রে বিক্রেতার কি গুনাহ হবে?সব ব্যবসায়ী তো মার্কেটে অহরহ বিক্রি করছে নানা ধরনের সাজসজ্জার জিনিসপত্র।এখন সবাই কি তাহলে সব কাস্টমারকে জিজ্ঞেস করবে তারা পর্দা করে কি না?সত্যি কথা তো ১০০ এর মধ্যে ৮০% কাস্টমারই এগুলো গায়রে মাহরামের সাম্নেই ব্যবহার করে তাহলে?এক্ষেত্রে বিক্রেতার করণিয় কি?
২)ওজু পড়ার পর যদি পায়ে পানি জাতীয় নাপাকি লেগে যায় পায়ের তলায়,তাহলে সেই পা না ধুয়ে কুরআন পড়লে কি গুনাহ হবে?নাপাক শুকনো জায়গা যেমন নাপাক বিছানা বা চেয়ারে বসে কি কুরআন পড়া যাবে অথবা শুকনো নাপাক বালিশের ওপর কুরআন রেখে পড়লে গুনাহ হবে?
৩)জেনেশুনে কোনো বেপর্দা নারীকে মেহেদি হাতে দিলে কিংবা এমনিতেই কোনো আত্মীয় যে পর্দা করেনা তাদেরকে সাজিয়ে দিলে আমার কি গুনাহ হবে?