আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
88 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (7 points)
আস সালামু আলাইকুম।

আমি একজন ২৩ বছরের তরুণী। বর্তমানে আমার পরিবার থেকে আমার বিয়ে নিয়ে চাপ আসছে। যে ছেলের ব্যাপারে আমার পরিবার বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছেন, তিনি আমার আপন খালাতো ভাই এবং আমার সমবয়সী।

মানুষ হিসেবে তার আখলাক ভালো এটা আমি অস্বীকার করি না তবে তার দ্বীনদারিত্ব নিয়ে আমি ভীষণভাবে সংশয়গ্রস্ত। এর আগে আমি লক্ষ্য করেছি, তিনি হঠাৎ দ্বীনের প্রতি আগ্রহী হয়েছিলেন এবং কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন কিন্তু সেই পরিবর্তনটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর তিনি দাড়ি ট্রিম করে ফেলেন এবং ফ্রি মিক্সিং কালচারের সাথে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন।

বর্তমানে আবার কিছু মাস ধরে তাকে দাড়ি রাখতে এবং দ্বীন পালনের চেষ্টা করতে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু পূর্বের অভিজ্ঞতার কারণে তার এই পরিবর্তন কতটা স্থায়ী হবে এ নিয়ে আমি নিশ্চিত হতে পারছি না। তাই তার দ্বীনদারিত্ব নিয়ে আমার মনে দৃঢ় আস্থা তৈরি হচ্ছে না।

আমার পরিবার তার বর্তমান অবস্থাকে প্রাধান্য দিচ্ছে, কিন্তু আমি তার ব্যাপারে সুস্পষ্টভাবে ভালো ধারণা পোষণ করতে পারছি না। বিয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার মনে সাহস ও মানসিক স্থিরতা আসছে না। ইস্তেখারা করার পরেও মন স্থির করতে পারছি না।
এই পরিস্থিতিতে আমাকে কিছু উত্তম পরামর্শ ও উপদেশ দিবেন ইন শা আল্লাহ।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যখন কারো সামনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এসে উপস্থিত হবে।এবং সে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না যে, সে এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিবে।তাহলে এমন পরিস্থিতে তার জন্য উচিৎ ইস্তেখারা করা তথা ভালো দিক কে অন্বেষণ করা।অবশ্যই ইস্তেখারা, নামাযের মাধ্যমেই করবে। ইস্তেখারার পদ্ধতি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাদীসে বলেন, দুই রা'কাত নামায পড়ে বিশেষ মনোযোগের সাথে (নিম্নে উল্লেখিত) দু'আ পড়বে।তাহলে হয়তো তার মন কোনো এক দিকে ধাবিত হবে,বা সে স্বপ্নযোগে কোনো এক ইশারা পাবে।  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1472

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ইস্তেখারার অর্থ হল, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে রাব্বে কারীমের মদদ আর সাহায্য কামনা করা। সেটা হয়তো স্বপ্নের মাধ্যমে কাউকে ইঙ্গিত দেয়া হতে পারে আবার কারো অন্তরে সেদিকে টান অনুভব সৃষ্টি করা হতে পারে। যতদিন না মন কোনো এক দিকে ধাবিত হচ্ছে ততদিন আপনি ইস্তেখারা করবেন। আপনি আপনার পরিবারের লোকদের সাথে এ বিষয়ে অত্যান্ত গুরুত্বসহকারে পরামর্শ করবেন। আল্লাহ আপনাকে সঠিক জিনিষ বাচাই করার তাওফিক দান করুক।আমীন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...