ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত।
عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ كُنَّا إِذَا أَتَيْنَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَنَا " إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ وَإِنَّهُمْ سَيَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا "
তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলতেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর দিকদিগন্ত থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আসবে। তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে,তখন তোমরা তাদেরকে ভালো ও উত্তম উপদেশ দিবে।(সুনানু তিরমিযি-২৪৯,তিরমিযী ২৬৫০-৫১, মুওয়াত্ত্বা মালিক ২৪৭।)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) যদি কেউ তার জীবন কুরআনের আলোয় আলোকিত করতে চায়, কুরআনের সাথে লেগে থাকতে চায় গভীরভাবে, তবে তার উচিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালিত করা। এজন্য কোনো নেককার লোকের সাহচর্য গ্রহণ করা অধিক ফায়দাদায়ক।
(২) কুরআন তিলাওয়াত, কুরআন মুখস্থ, কুরআন বুঝে পড়া ইত্যাদির অনেক ফজিলত রয়েছে। প্রতি ১ আরবী অক্ষরে ১০ থেকে ৭শত নেকি পর্যন্ত আল্লাহ দিতে পারেন। তাছাড়া কুলআন কবরের আযাব থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে এবং আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে।
(৩) কুরআন খতম দেওয়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে।৪০ দিনের ভিতর কুরআন খতম না করা মাকরুহ।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1363