আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
85 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (5 points)
আসসালামু আলাইকুম। হুজুর আমি মানসিক ভাবে খুবই কষ্টে আছি।কিছুতেই শান্তি পাইতাছিনা।আমার বিয়ে হয়েছে ৪মাস হয়েছে।আমার বিয়ের ১বছর আগে থেকে ঈমান নিয়ে মারাত্নক ওয়াসওয়াসা ছিল।প্রতিদিনই মনে হত আমি কাফের হয়ে গেছি।আমার  ঈমান শেষ আর প্রতিদিন যে কত বার করে কালিমা পড়তাম ঈমান নবায়ন করতা তার হিসেব নাই।কুন গান গাইতে গেলে মনে হয় আমি আমি কুফুরি কথা বলে  ফেলেছি।সাথে সাথে আবার ঈমান আনি।নামাজে দাড়ালে সিজদা দিতে গেলে দেব দেবীর মুর্তি ভেসে উঠে।কাবা শরীফের পাশে খারাপ ছবি ভেসে উঠে।আল্লাহ কে নিয়ে নানা চিন্তা আসে।মাজে মাজে মনের মাজে আসে তুমি নিজেকে আল্লাহ বল।আমার মনে হয় আমি নিজেকে আল্লাহ বলে ফেলেছি।নিজের মাকে স্পর্শ করতে পারি না।মনে হয় উত্তেজনা চলে আসল।আবার মনের মাজে আসে শয়তানকে রব বল।আল্লাহকে ডাকতে গেলে কেমন যেন ছবি ভেসে উঠে।মনে হয় সেই ছবিকে আমি আল্লাহ বলে ফেলেছি।এখন নতুন করে জানতে পেরেছি স্বামী মুরতাদ হলে বিবাহ থাকে না।এখন ওয়াসওয়াসা আরও চেপে বসেছে এবং ভয়ংকর পরিনতি হয়েছে।আমার ওয়াইফের কাছে আমি যাই না।কারন যদি জিনার ভাগিদার হয়ে যাই।সারাক্ষন মাথার মধ্যে তালাক তালাক ঘুরতে থাকে।হাদিস শুনলে হাসি পায় তা আটকে রাখতে পারি না।পড়াশোনা করতে যদি বইয়ের লিখা থাকে given মনে হয় আমার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার উদ্দেশ্য given বলেছি।খেলাম, নিলাম, দিলাম এসব বলার সময় চলে আসে আমার বউকে তালাক দিলাম।কেনায়া শব্দ নিয়ে নানা ঘুরপাক খায়।মাথায় যতন্ত্রনা হয় মনে হয় স্ট্রক করে মারা যাব।কিন্তু মরি না।প্রতি সেকেন্ড সেকেন্ড মনে হয় বউ তালাক দিয়ে দিতাছি।মনে ভেতরে আসে ইসলামে তালাক নিয়ে এত সমস্যা তুমি কাফের হয়ে যাও।আবার মাথায় আসে আল্লাহ কই থাকে।রুহ কিসের সৃষ্টি।কুন্টা মানুষের সৃষ্টি কুনটা আল্লাহর সৃষ্টি।এই ৪মাসে আমি এত হুজুরদের কল দিয়েছি যে তারা বিরক্ত হয়ে আমাকে ব্লক করে দিয়েছে কিন্তু আবার নতুন সিম কিনে আবার কল দেই।তারা বলেছে আপনি ওয়াসওয়াসার রুগে আক্রান্ত আপনি মানষিক ডাক্তার দেখান।আমার মনে হয় আমি কাফের হয়ে গেছি আমার বিয়ে নাই।এরপর মনে আসে তুমি তুমার বউয়ের সাথে এখন যে কথা বলছ তুমার কি দোয়া, নামাজ কবুক হবে?যদি তুমি জান এসব কবুল হবে না এরপরেও যদি সম্পর্ক রাখ এটা শিরক হবে না ভালবাসার।তাই বউ কল দিলে কল ধরি না।প্রতিদিন কান্না করতে করতে এক সাগর হয়ে যাবে।প্রতিদিন৷ তালাক তালাক মাথা দিয়ে ঘুরতে থাকে সব কিছুইতেই মনে হয় তালাক হয়ে গেল।ডাক্তার দেখিয়েছি ডাক্তার বলেছে  আপার ওসিডি রুগ হয়েছে।মুসলিম বাংলা এপ এ প্রশ্ন করেছি সেখানে বলেছে আপনি ওয়াসওয়াসার রুগি। মনে ওয়াসওয়াসা আসলে তালাক হয় না।কিন্তু আমি মনকে মানাতে পারি না।  জিবনের সাথে যুন্ধ করতে করতে আমি শেষ।তাই আজকে আমি ভেবেছি আমাএ ওয়াইফের সাথে সম্পর্ক রাখব না তাকে তালাক দিয়ে দিব যেন সে সুন্দর জিবন পায়। আমিত ভাল বাবাও গতে পারব না সন্তান হলে সন্দেহ থাকবে জারজ সন্তান জন্ম দিলাম নাতো?মেয়ে হলেত আদর ও করতে পারব না মনে হবে মেয়েকে ধরলে উত্তেজনা চলে আসবে।

তাই আজকে কাউকে না জানিয়ে আমি মুখ দিয়ে বউকে তালাক দিয়ে দেওয়ার নিয়তে ইচ্ছা করেই  বলেছি তুমাকে ৩তালাক দিলাম।আমার কি তালাক হয়ে গেছে?

আমার মত মানসিক রুগির জন্য কি আল্লাহ শরিয়ত কুন ছাড় রেখেছে?

আমাকে কিছু আমল দেন যা করলে আমি মুক্তি পাব।

1 Answer

0 votes
by (770,280 points)
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। 

বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । 

এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। 

আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। 

আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...