আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ
আমার দুটি প্রশ্ন আছে অনুগ্রহ করে উত্তর দিবেন।
প্রশ্ন -১
আমার ছোট খালা,খালাতো বোন সহ কিছু আত্মীয় যাদের সাথে ফোনে আগে যোগাযোগ হলেও এখন আর ইচ্ছে করেই ফোনে যোগাযোগ করিনা, কারন তাদের কথার টোন ভালোনা, যোগাযোগ রাখলেই কথার মাধ্যমে আঘাত পেতে হয়, গীবত শুনতে হয়, তাই আম্মা দেখা হলে কথা বলে বাট ফোন দেয়না আমরাও না, মামাদের খোঁজ অন্য আত্মীয়ের খোঁজ মায়ের থেকে নেই, ফোন দেয়া হয়না। আমার রিলেটিভসদের মুখের ব্যাবহার খুব কষ্টদায়ক তাই দূরে থাকি এটা কি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নের পাপ হবে? আমি তাদের ব্যাপারে বিদ্বেষ পোষন করিনা জাস্ট কষ্ট পাবো ভেবে দূরত্ব বজায় রাখি তবে দেখা হলে ৭ বছর ১০ বছর বা ৪ বছর পর কথা বলি। সহজে দেখা হয়না কারণ শ্বশুর বাড়ি থেকে যাতায়াত সম্ভব না বাবার বাড়িও মাসে দু মাসে দুদিনের জন্য যাওয়া হয়।আর ফোনে যোগাযোগ করলে বেরাতে আসতে চাইবে যেটা শ্বশুর বাড়িতে পসিবল না। এটা কি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নের পাপ হবে?
প্রশ্ন-২
আমি আমার মৃত বাবার রোজার ফিদিয়া আদায় করি প্রতি মাসে, এখন এটা নিকট আত্মীয়ের হক আগে তাই আমার ফুপাতো বিধবা বোন কে, গরীব খালাকে দেই। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ওনাদের সাহায্য করলে সবখানে বলে বেরায়, গোপন রাখেনা। বিধবা বোনটি আমরা সমবয়সী। আমি সামান্য ছোট কয়টা টিউশন করি তা থেকে সাদাকা করি, আমার নজরের ভয় হয়,যদি নজর লাগে, টিউশন না থাকে আর আব্বুর জন্য সাদাকা আর রোজার ফিদিয়া আদায় করতে না পারি এই ভয়ে তাদের না দিয়ে অন্যখানে দেই। এখন আমার কি নজরের ভয় পেয়ে অন্যখানে সাদাকা করা ঠিক হচ্ছে নাকি তাদের ই দিব, নজর এক্ষেত্রে লাগবেনা। যেহেতু তারা অভাবি। তাই ভাবতে পারে কত সুখি আমি কত টাকা আমার, কত যোগ্যতা যে আয় করি, সাদাকা করি। আর এসব থেকে যদি আমার নজর লাগে, আমার করনীয় কি? তাদের দিব নাকি বাইরে দিব?