আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
104 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (22 points)
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته

সম্প্রতি একটি মাদ্রাসার তলিবার পাশাপাশি ব্যাচ রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে নিয়োজিত হয়েছি ( উপার্জন এর জন্য নহে, হাদীয়া বিহীন) । নিয়ত এটাই যে উম্মাহ এর উপকারে আসতে পারি, নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারি, সব কিছু শামাল দিতে পারি একসাথে।  কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার মধ্যেই মনে হচ্ছে এর কারণে আমার নিজের আমল এ এবং বাসায় সময় দেওয়ায় ঘাটতি হচ্ছে। দ্বীন এর বুঝ এসেছে বেশি মাস নয়, তাই প্রতিনিয়তই এখন পর্যন্ত ইলম এর সন্ধানে থাকি, ইলম নিতে থাকি, বই পড়তে থাকি আর বাসায় মা ও ভাবির সংসারে হেল্প করার চেষ্টা করি। কিন্তু খাদেমা হিসেবে যুক্ত হওয়ার পর থেকে ইলম এর উপর আমল, জেনারেল এর বান্ধবীদের কে দাওয়াত দেওয়া, নতুন ইলম নেওয়া থেকে বিরত হয়ে যাচ্ছি, নামাজের মধ্যে মাদ্রাসার চিন্তা ফিকির এসে পড়ছে। আবার মা কে কাজেও সময় দিতে পারছিনা আগের মতো। এসব মিলিয়ে মনে হচ্ছে আমার এখনো সময় হয়নি এসব করার কিন্তু আবার এটাও মনে হচ্ছে দুইটাই করতে হবে, আবার সামনে স্বামীর সংসার হলে তখন আরো সমস্যা হবে মাদ্রাসায় সময় দিতে। কিন্তু আবার উম্মাহর সেবাও করতে খুব ইচ্ছা হয়
মাদ্রাসা থেকে খাদেমা হিসেবে বের হয়ে গেলে কি আমার গোনাহ হবে। নাকি আমার এভাবেই চালিয়ে যাওয়া উচিত হবে?
جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

হাদীস শরীফে এসেছেঃ 

عَنْ عَبْدِ اللّٰهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «أَلا كلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْؤُوْلٌ عَنْ رَعِيَّتِه فَالْإِمَامُ الَّذِىْ عَلَى النَّاسِ رَاعٍ وَهُوَ مَسْؤُوْلٌ عَنْ رَعِيَّتِه وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلٰى اَهْلِ بَيْتِه وَهُوَ مَسْؤُوْلٌ عَنْ رَعِيَّتِه وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ عَلٰى بَيْتِ زَوْجِهَا وَوَلَدِه وَهِىْ مَسْؤُوْلَةٌ عَنْهُمْ وَعَبْدُ الرَّجُلِ رَاعٍ عَلٰى مَالِ سَيِّدِه وَهُوَ مَسْؤُوْلٌ عَنهُ أَلَا فَكُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْؤُوْلٌ عَنْ رَعِيَّتِه». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই এক একজন দায়িত্বশীল, আর (পরকালে) নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে তোমাদের প্রত্যেককেই জবাবদিহি করতে হবে। সুতরাং জনগণের শাসকও একজন দায়িত্বশীল লোক, তার দায়িত্ব সম্পর্কে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। আর প্রত্যেক পুরুষ তার পরিবারের একজন দায়িত্বশীল, তাকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। আর স্ত্রী তার স্বামীর ঘর-সংসার ও সন্তান-সন্ততির ওপর দায়িত্বশীল, তাকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। এমনকি কোনো গোলাম বা চাকর-চাকরাণীও তার মুনীবের ধন-সম্পদের উপর একজন দায়িত্বশীল, তাকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। অতএব সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই এক একজন দায়িত্বশীল, আর তোমাদের প্রত্যেককেই স্বীয় দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে হবে।
(বুখারী ৭১৩৮, মুসলিম ১৮২৯, আবূ দাঊদ ২৯২৮, তিরমিযী ১৭০৫, আহমাদ ৫১৬৭, সহীহ আত্ তারগীব ১৯২২।)

শারহুস সুন্নাহ্ গ্রন্থে এসেছে যে, الرَّاع শব্দের অর্থ হচ্ছে ঐ সংরক্ষক ব্যক্তি যে তার দায়িত্বে থাকা বিষয়কে আমানতদারিতার সাথে সংরক্ষণ করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নাসীহাতের মাধ্যমে তাদেরকে এর আদেশ দিয়েছেন। তার মূল্যবান বাণী: أَنَّهُمْ مَسْئُولُونَ عَنْهُ এই সংবাদের মাধ্যমে তাদেরকে খিয়ানাতের সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। সুতরাং আমরা বলতে পারি, رَاعِيَةٌ হচ্ছে বস্তুকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা এবং অঙ্গীকারকে সুন্দর করা। সুতরাং শাসকের رَاعِيَةٌ হচ্ছে রাষ্ট্রকে সুন্দরভাবে দেখাশোনা করা এবং প্রজাদের ওপর ভালোভাবে খেয়াল রাখা এবং তাদের মাঝে حُدُودِ ও ইসলামের হুকুম-আহকাম প্রতিষ্ঠা করা।

رِعَايَةُ الرَّجُلِ أَهْلَه এর অর্থ পরিবারকে ভালোভাবে দেখাশোনা করা এবং তাদেরকে খরচ দেয়া এবং তাদের সাথে সুন্দর আচরণ করা।

رِعَايَةُ الْمَرْأَةِ এর অর্থ হচ্ছে মহিলা তার স্বামীর ঘরের সকল বিষয় সুন্দরভাবে পরিচালনা করবে এবং তার অঙ্গীকার পূর্ণ করবে তার মেহমানদের খিদমাতের মাধ্যমে।

رِعَايَةُ الْخَادِمِ এর অর্থ হচ্ছে খাদেম তার মুনীবের যত মাল সম্পদ তার হাতে রয়েছে তা সংরক্ষণ করবে এবং সর্বদা মুনীবের কাজে দণ্ডায়মান থাকবে। (মিরকাতুল মাফাতীহ)

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

إذا دعا الرجل زوجته لحاجته فالتأته، وإن  كانت على التنور

স্বামী যখন নিজ প্রয়োজনে স্ত্রীকে ডাকবে তখন সে যেন তাতে সাড়া দেয়, যদিও সে চুলায় (রান্নার কাজে) থাকে (জামে তিরমিযী, হাদীস : ১১৬০; সুনানে নাসাঈ, হাদীস : ৮৯৭১)।

স্ত্রীর উপর স্বামীর খেদমত আবশ্যক।
যে নারী স্বামীর একান্ত অনুগতা ও পবিত্র সে নারীর বড় মর্যাদা রয়েছে ইসলামে। প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন,

إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا، وَصَامَتْ شَهْرَهَا، وَحَصَّنَتْ فَرْجَهَا، وَأَطَاعَتْ بَعْلَهَا، دَخَلَتْ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ شَاءَتْ.

‘‘রমণী তার পাঁচ ওয়াক্তের নামায পড়লে, রমযানের রোযা পালন করলে, ইজ্জতের হিফাযত করলে ও স্বামীর তাবেদারী করলে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছামত প্রবেশ করতে পারবে।
(মিশকাতুল মাসাবিহ ৩২৫৪।)

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قِيلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيْ النِّسَاءِ خَيْرٌ؟ قَالَ: «الَّتِي تَسُرُّهُ إِذَا نَظَرَ وَتُطِيعُهُ إِذَا أَمَرَ وَلَا تُخَالِفُهُ فِي نَفْسِهَا وَلَا مَالِهَا بِمَا يَكْرَهُ» . رَوَاهُ النَّسَائِيُّ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَان

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, কোন্ রমণী সর্বোত্তম? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, যে স্বামী স্ত্রীর প্রতি তাকালে তাকে সন্তুষ্ট করে দেয়, স্বামী কোনো নির্দেশ করলে তা (যথাযথভাবে) পালন করে এবং নিজের প্রয়োজনে ও ধন-সম্পদের ব্যাপারে স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধাচরণ করে না।
হাসান :
(নাসায়ী ৩২৩১, আহমাদ ৭৪২১, ইরওয়া ১৭৮৬, সহীহাহ্ ৮৩৩৮, সহীহ আল জামি‘ ৩২৯৮.মিশকাত ৩২৭২।)

★স্ত্রীর নিকট স্বামীর মর্যাদা বিরাট। এই মর্যাদার কথা ইসলাম নিজে ঘোষণা করেছে। প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন, ‘‘স্ত্রীর জন্য স্বামী তার জান্নাত অথবা জাহান্নাম।’’

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 
একবার এক নারী সাহাবী রাসূলের কাছে এলেন নিজের কোনো প্রয়োজনে। যাওয়ার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি স্বামী আছে? তিনি বললেন, জী, আছে। নবীজী বললেন, তার সাথে তোমার আচরণ কেমন? সে বলল, আমি যথাসাধ্য তার সাথে ভালো আচরণ করার চেষ্টা করি। তখন নবীজী বললেন, فانظري أين أنت منه، فإنما هو جنتك ونارك
 হাঁ, তার সাথে তোমার আচরণের বিষয়ে সজাগ থাকো, কারণ সে তোমার জান্নাত বা তোমার জাহান্নাম। (মুআত্তা মালেক, হাদীস ৯৫২; মুসনাদে আহমাদ, ৪/৩৪১ হাদীস ১৯০০৩; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস ২৭৬৯; সুনানে কুবরা, বায়হাকী, হাদীস ১৪৭০৬)

لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا.

‘‘যদি আমি কাউকে কারো জন্য সিজদা করতে আদেশ করতাম, তাহলে নারীকে আদেশ করতাম, সে যেন তার স্বামীকে সিজদা করে।’’

وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ فِي نَفَرٍ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ فَجَاءَ بِعِيرٌ فَسَجَدَ لَهُ فَقَالَ أَصْحَابُهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ تَسْجُدُ لَكَ الْبَهَائِمُ وَالشَّجَرُ فَنَحْنُ أَحَقُّ أَنْ نَسْجُدَ لَكَ. فَقَالَ: «اعْبُدُوا رَبَّكُمْ وَأَكْرِمُوا أَخَاكُمْ وَلَوْ كُنْتُ آمُرُ أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا وَلَوْ أَمَرَهَا أَنْ تَنْقُلَ مِنْ جَبَلٍ أَصْفَرَ إِلَى جَبَلٍ أَسْوَدَ وَمِنْ جَبَلٍ أَسْوَدَ إِلَى جَبَلٍ أَبْيَضَ كَانَ يَنْبَغِي لَهَا أَن تَفْعَلهُ» .

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাজির ও আনসারগণের মাঝে উপস্থিত ছিলেন। তখন একটি উট এসে তাঁকে সিজদা করল। এটা দেখে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে জীব-জন্তু, গাছপালা সিজদা করে, সুতরাং আপনাকে সিজদা করা আমরা বেশী হকদার। এতে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা তোমাদের রবে্র ‘ইবাদাত (সিজদা) কর এবং তোমাদের ভাইকে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যথাযোগ্য) সম্মান কর। আমি যদি (দুনিয়াতে) কারো প্রতি সিজদা করতে নির্দেশ দিতাম, তাহলে স্ত্রীকে তার স্বামীর প্রতি সিজদা করার অনুমতি দিতাম। স্বামী যদি স্ত্রীকে (ন্যায়সঙ্গত ও প্রয়োজনে) হলুদ বর্ণের পর্বত হতে কালো বর্ণের পর্বতে এবং কালো বর্ণের পর্বত হতে সাদা বর্ণের পর্বতে পাথর স্থানান্তরের নির্দেশ করে, তবে তার দায়িত্বনিষ্ঠার সাথে তা পালন করা।
(আহমাদ ২৪৯৭৫, ইবনু মাজাহ ১৮৫২.মিশকাত ৩৩৭০।)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, 
প্রশ্নের বিবরণ মতে খাদেমা হিসেবে যুক্ত হওয়ার পর থেকে ইলম এর উপর আমল, জেনারেল এর বান্ধবীদের কে দাওয়াত দেওয়া, নতুন ইলম নেওয়া থেকে আপনি বিরত হয়ে যাচ্ছেন, নামাজের মধ্যে মাদ্রাসার চিন্তা ফিকির এসে পড়ছে। আবার মা কে কাজেও সময় দিতে পারছেননা আগের মতো। 

আবার স্বামীর সংসার নিয়েও আপনি চিন্তিত,স্বামীকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন কিনা,সেই ব্যপারে চিন্তিত।

এসব বিবিধ বিষয় বিবেচনা করে মাদ্রাসা থেকে খাদেমা হিসেবে বের হয়ে গেলে আপনার কোনো গোনাহ হবেনা।

তবে বের হয়ে যাওয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...