আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
104 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (7 points)
গজলের ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক সাউন্ড দেওয়া থাকে যা মুখ দিয়ে আওয়াজ করে তারমধ্যে কম্পিউটার দ্বারা সাউন্ড ডিজাইনাররা অনেক উচু লেভেলের ব্যাকগ্রাউন্ড ইফেক্ট তৈরি হয়, কিন্তু যে সাউন্ডগুলো কম্পিউটার মিউজিক হামিং প্যাড ব্যাবহার করেই বাবহার করা হয় ভোকাল থেকে নয়, সেগুলো কি যায়েজ।

অর্থাৎ সাউন্ড দুই যায়গা থেকে ব্যাবহৃত হয়

 ১. নিজের গলার সুরকে কারুকাজের সাধ্যমে বাদ্যযন্ত্রের মতো করে তোলা, যা মিউজিক ব্যাবহার না৷

 ২. ডিরেক্ট সাউন্ড ডিজাইনের সময় কম্পিউটারে থাকা ইলেকট্রিক প্যাড ব্যাবহারের মাধ্যমেই তৈরি করা।

 হামিং (Humming) কি?
হামিং বলতে মুখ বন্ধ রেখে গুঞ্জনধ্বনি তৈরি করে গান করা বা সুর তোলা বোঝায়। যেমন: “হোউউ… উমম…” এই ধরনের শব্দ। এতে শুধু শব্দতরঙ্গ তৈরি হয়, কিন্তু শব্দ খুব শান্ত ও কোমল থাকে।

সাউন্ড ডিজাইন
ইসলামিক ভিডিও, নাশিদ, ডকুমেন্টারি, ইমোশনাল ভিডিওতে
নরম background atmosphere করতে হামিং ব্যবহার হয়।

প্রশ্ন হচ্ছে ডিরেক্ট সাউন্ড ডিজাইনের সময় ইলেক্টরিক প্যাড মিউজিক ব্যাবহারের মাধ্যমে যে ব্যাগ্রাউন্ড মৃদু আওয়াজ হয়, তা কি যায়েজ???

https://youtu.be/BhUeONycxH4

এই ভিডিওতে দেখেন ৭ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের সময় যে প্যাডটি ব্যাবহার করছে এটা যায়েজ কি না?
এবং
⬇️⬇️⬇️

https://youtu.be/AJk2oNhj-P0
এরকম সাউন্ডের কথা বলছি।

1 Answer

0 votes
by (806,910 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
গজল বা ইসলামী সংগীত যদি ভালো অর্থবোধক হয়, তাহলে আবৃত্তি করা, শ্রবণ করা জায়েয আছে।চায় একক কন্ঠে হোক বা সম্মিলিত কন্ঠে হোক।
তবে কয়েকটি মূলনীতিকে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
(১)মিউজিক থাকতে পারবে না।
(২)অত্যাধিক মনযোগ প্রদান করা যাবে না।যার দরুণ ফরয ওয়াজিব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
(৩)মহিলাদের কন্ঠে হতে পারবে না,এবং অশ্লীল বা হারাম কথাবার্থা তাতে থাকতে পারবে না।
(৪)ফাসিক,এবং উদ্ভ্রান্তদের কন্ঠে হতে পারবে না।
(৫)এমন কোনো আয়োজন হতে পারবে না, যা মিউজিকের মত মনে হয়।
(৬)গান যেভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করে,ফিতনায় পতিত করে, সে রকম কোনো কন্ঠ হতে পারবে না।
অথচ বর্তমানে প্রচলিত অনেক শে'র, গজলে এমনটাই লক্ষ্য করা যায়।আজকালের শ্রুতাগণ অর্থের দিকে খেয়াল না করে, তারা কন্ঠ এবং ভাবভঙ্গির দিকেই বেশী খেয়াল করে গজল বাছাইরকরে।এত্থেকে আমাদেরকে বেঁচে থাকতে হবে।(ফাতহুল বারী-১০/৫৫৩) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1898


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজকেই মিউজিক বলা হয় না বরং মুখ থেকে বা অন্যকোনোভাবে মিউজিকের মত শব্দ বের করা বা উচ্চারণ করা সবকটিকেই মিউজিক বলা হয়। 

واضح رہے موسیقی  ایک ایسے فن کو کہتے ہے جس کے ذریعے گانے میں سُر نکالنے کے احوال،  اور سُروں کی موزونیت کے احوال، اور آوازوں کو ماہرانہ انداز میں ترتیب دینے کے احوال، اور راگ کے احوال سے بحث کی جاتی ہے، مذکورہ تعریف کی رُو سے موسیقی (میوزک) کا اطلاق صرف آلاتِ موسیقی پر نہیں ہوتا بلکہ آوازوں کو ماہرانہ انداز میں ترتیب دینے(یعنی منہ سے موسیقی جیسے آوازیں نکالنے) کو بھی موسیقی کہاجاتا ہے، اور موسیقی کا سننا ازروئے شرع حرام ہے، مختلف احادیث میں موسیقی سننے پر سخت وعیدیں آئی ہے۔
فتویٰ نمبر : 144212200649
دارالافتاء : جامعہ علوم اسلامیہ علامہ محمد یوسف بنوری ٹاؤن

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার প্রদত্ব লিংকে যেই নাশিদ রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেগুলোতে মিউজিক রয়েছে বলেই ধরে নেয়া হয়। সুতরাং এগুলো তৈরী করা এবং শ্রবণ করা কোনোটাই জায়েয হবে না । 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (7 points)
এই ইলেক্ট্রিক প্যাডের হামিং গুলো কি যায়েজ?

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...