আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
188 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (20 points)
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ উস্তাদ
আমার বয়স ২১ বছর। বিয়ের ২ বছর প্রায়,৬ মাসের ছেলে বাবু আছে। আমি আল্লাহর রহমতে বিয়ের ১ বছর আগে হেদায়েত প্রাপ্ত হই আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু আমার পরিবার, আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী সবাই বেদ্বীন তাঁরা কিছু জানে না, মানে না আমাকেও দ্বীন মেনে চলতে বাধা দেয়। আমার মা বাবা প্রচুর টক্সিক বিশেষ করে মা। ছোট থেকে মায়ের শারীরিক, মানসিক টর্চার পেয়ে বড় হয়েছি। দ্বীন এর বুঝ পাওয়ার পর থেকে বুজতে পারি বিয়ের ক্ষেত্রে কি কি জরুরী তাই পরিবারে বলে দেই বিয়ের জন্য দীনদার কারো সাথে বিয়ে দিতে কিন্তু তাঁরা আমাকে বোঝার মত মনে করে এমন মনে হয় আমার। তাই তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগে একদম।আমি এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সময় থেকে তারা বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কোনো কারণ ছাড়াই বিয়ে ভেঙ্গে গেলে মা বাবা আমাকে নানান ভাবে কষ্ট দিত। এভাবে এক ডিভোর্সি ছেলের সম্বন্ধ আসে আর তারা সেই ছেলে কে না দেখেই আমার অনুমতি ছাড়াই আমার অজান্তে বিয়ে ঠিক করে ফেলে। পরে আমি জানার পর অমত দেই এর জন্য মারধর সহ নানা রকম নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছিল। সব কিছু করার পর আমাকে রাজি করাতে না পেরে তারা আমাকে ইমোশনালি ব্লাকমেইল করা শুরু করে তার সাথে আমাকে ব্ল্যাকম্যাজিকও করে(বিয়ের পর জানতে পারি) আমাকে বুঝায় যে ছেলে দীনদার, মাদ্রাসা পড়ুয়া, দাড়ি আছে,বাড়িতে পর্দার পরিবেশ আছে,কোনো যৌতুক নিবে না,ছেলে দেখতে কালো জন্য তার ডিভোর্স হয়। আমি সবকিছু সামলাতে না পেরে বিয়ে করে ফেলি। বিয়ের পর আসতে আসতে সব সত্যি বুজতে পারি। ছেলের সাথে আমার কুফুর কোনো মিল নেই,বিয়েতে সব মিথ্যা বলেছিল। ছেলের চরিত্র ভালো ছিল না তাই তার ডিভোর্স হয়েছে আগে পরকীয়ায় কারণে। আমার সাথে বিয়ে হওয়ার আগে তার একাধিক মেয়ের সাথে হারাম সম্পর্ক ছিল শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে একাধিক বার।আমি ছোট থেকে যথেষ্ট সচ্ছলতায় বড় হয়েছি কিন্তু আমার স্বামী তাঁর ইঙ্কামের(প্রাইভেট কোম্পানি তে জব করেন)বিষয়ও মিথ্যা বলেন, বয়সের কথাও মিথ্যা বলেন।তাছড়া তাঁর বাড়িতে কোনো পর্দার পরিবেশ নেই,আমার শাশুড়ি কোনো পর্দা করেন না। বিয়েতে যৌতুক নিবে না বললেও বিয়ের পর থেকে আমার শাশুড়ি যৌতুক চাইতে থাকে এখনো চান। আমার স্বামী ধারের কথা বলে আমার বাবার কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়েছেন কিন্তু এখনো ১ টাকাও ফেরত দেননি। বিয়ের পর থেকে আমার অসুস্থতার খরচও আমার বাবা দেন সাথে আমার হাত খরচ। আমি স্নাতক প্রথম বর্ষে পড়ছি এখন সাথে আইওএম আলিম কোর্স করছি। এতকিছুর পরও আমার শাশুড়ির কাছে অপমানিত হতে হয় আমাকে আমার মা বাবাকে। শাশুড়ি যৌতুক চান আবার এতদিন আমার বাবা যা দিয়েছেন সেটা অস্বিকার করেন আমার বাবা নাকি কিছুই দেননি। সবসময় আমার, আমার পরিবারের বদনাম করেন আমার নামে বেশি। আমার পর্দা, নামাজ নিয়ে যা খুশি বলেন। আমার বাবার জমি নেই উনাদের আছে তাই আমাদের বাড়িতে এসে অহংকার করে এসব বলে যান।আমার স্বামী পরকীয়া করেন তিনি এটা জানা সত্ত্বেও তাকে কিছু বলেন না উল্টো সাপোর্ট করেন।আমাকে বলেন আমি নাকি শুধু ভাত,কাপড়,মাথার উপর ছাদের জন্য সব মেনে নিয়ে তাদের সাথে মানাই নিয়ে সংসার করব। বিয়ের পর থেকে সামান্য কারণ নিয়ে স্বামী গায়ে তুলে এসেছে একাধিক বার এমনকি মেরে ফেলতেও চেয়েছে আমার ছেলে হওয়ার পর। শারীরিক, মানসিক টর্চার সহ্য করতে না পেরে 2 মাস আগে বাবার বাড়ি চলে এসেছি। স্বামী আমার,আমার ছেলের কোনো খরচ দেন না এখনো,দেখতে,নিতেও আসেন না শুধু এসএমএস করে আমাকে ডাকেন।আমি বিয়ের ৫ মাসের মধ্যে কিছুটা বুঝতে পেরে মা বাবাকে বলেছিলাম আমি এভাবে সংসার করতে পারব না কিন্তু তাঁরা সবকিছু জানা সত্ত্বেও আমাকে আবার পাঠায় শুধু তাদের সম্মান এর জন্য। এরপর বাচ্চার জন্য চাপ দেওয়া হয় শশুর বাড়ি থেকে। আমি ওই সময় বাচ্চাও নিতে চাইনি, এমনকি এবরশন এর চিন্তা করেছিলাম কিন্তু আল্লাহ কে ভয় করে এমন কিছু করিনি। স্বামীর বিষয় সবকিছু জেনেও ২ বছর থেকে তাকে অনেক বুজাইছি হেদায়েত হওয়ার কিন্তু আমার মনে হচ্ছে এভাবে আমি হেদায়েত হারাই ফেলছি। এমনও হয়েছে আমি তাকে ফজরের নামাজে ডাকতে গেছি জন্য সে আমাকে মারতে আসছে।তার কোনো উন্নতি নেই। সে এত ভুল করেও আপসোস করে না কখনো, অহংকার করে উল্টো। এতদিন আমি স্বামীর সাথে শহরে ছিলাম,আমার শাশুড়ির অমতেই আমার শাশুড়ি চায় আমি গ্রামে থেকে তার সেবা করি,বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক হিসেবে যা চায় তাই নিয়ে গিয়ে দেই,তার হুকুম মত চলি,আমার পড়াশুনা ছেড়ে দেই,তাদের মতো করে মানাই নেই।

অন্যদিকে আমার মা বাবা তাদের সম্মান, স্বার্থ টা বেশি বুঝে সন্তানের ভালো থাকার চেয়ে,দুনিয়াবি স্বার্থ তাদের শুধু। এখন আমাকেই দোষারোপ করে কেনো আমি শশুড় বাড়ির সাথে মানাই চলতে পারি না, অথচ আমি তাদের আগেই বলেছিলাম দীনদার ছেলে,পরিবার ছাড়া আমি মানাই নিতে পারবো না।আমি বাচ্চা কেনো নিয়েছি,বাচ্চা কেনো এবরশন করিনি এর জন্য আমাকেই দোষারোপ করা হচ্ছে।আমার মা এখনো আমাকে মারধর করে কিছুদিন আগে গলা টিপে ধরেছিল। আমি কাউকে কিছু বললে তাদের আমার নামে মিথ্যা দোষ বলতে থাকে এমন দেখায় আমার শশুড় বাড়ির সবাই ভালো আমি খারাপ।আমার মা অমানবিক নির্যাতন করে আমার উপর।সমাজে শুধু মা বাবার কথাই মূল্য দেওয়া হয় এখন সন্তানরা নাকি সবসময় ভুল তাঁরাই মা বাবার উপর জুলুম করে মা বাবা নাকি কখনো সন্তানের উপর জুলুম করে না।

সবকিছু মিলে আমি অনেক মানসিক চাপ এ আছি। আমার সন্তানের হেফাজত নিয়ে দুশ্চিন্তা হয় আমার কেননা আমি এমন মানুষদের সাথে আছি যারা নিজের স্বার্থে বা রাগের মাথায় যা খুশি করতে পারে আমার আর আমার সন্তানের উপর। উস্তাদ আমি আমার কাছের মানুষ দ্বারা অনেক কষ্টে পেয়ে আসছি। আমি এই মুহূর্তে কি করবো বুঝতে পারছি না। একদিকে ঈমান ধরে রাখা আবার সন্তানের হেফাজত করা।আমি জালিমদের থেকে নিজেকে,আমার সন্তানকে কিভাবে হেফাজত করব।স্বামীর মাঝে এখনো পরকীয়ার আলামত,আমার প্রতি তার কোনো মহব্বত আমি পাইনি। সে শুধু আমাকে তার চাহিদা মতো খুঁজে। ছেলের জন্মের পর থেকে আমার উপর বেশি নির্যাতন করা হয়েছে। যেমন: আমাকে বলে ছেলে দিয়ে যেন আমি চলে যাই,ভালো না লাগলে যেনো আমি তার সংসার থেকে চলে যাই ইত্যাদি। আমার স্বামীর প্রতি আমার ঘৃণা আসে,মানসিক শান্তি পাই না আমি। এভাবে ঠকে গিয়ে,সব জেনেও তাকে মাফ করেছি।
১/ উস্তাদ আমি কি আমার ছেলেকে জন্ম দিয়ে কোনো ভূল করেছি? আমার মনে হয় আল্লাহ ওকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন আমি হয়তো শুধু একটা উসিলা মাত্র।
২/ এখন এমন স্বামী,শাশুড়ির সাথে সংসার করতে গেলে যদি আমার দ্বীন থেকে মাহরুম হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে কি সংসার করা উচিৎ হবে আর সংসার করলেও দ্বীনের উপর অবিচল থাকবো কিভাবে?

৩/আমার মা বাবা যৌতুক দিয়ে আমার সংসার করতে চাচ্ছে। তাদের বুঝিয়েছি যৌতুক হারাম কিন্তু তাঁরা শুধুমাত্র সংসার করাবে তাই যৌতুক দিয়ে হলেও সংসার করাবে। এখন আমি জেদ যদি যৌতুক দিয়ে আমি সংসার করব না তাহলে কি কিছু ভুল হবে?

৪/ বিয়ের পর যৌতুক হিসেবে আমার বাবা যা যা দিয়েছেন বা সামনে যেগুলো যৌতুক হিসেবে দিবেন সেগুলো কি হারাম হবে আমার জন্য? এতদিন যৌতুক হিসেবে যত টাকা,জিনিস দিয়েছে সেগুলো ভোগ করা কি আমার জন্য হারাম ছিল?

৫/ আমার মায়ের সাথে আগে থেকে আমার সম্পর্ক ভালো না। উনি আমার পর্দা,নামাজ,হারাম কাজ ছেড়ে দেওয়া পছন্দ করেন না। আমাকে দুনিয়াবি স্বার্থ মতো চলতে বলেন। সেক্ষেত্রে পরিবারের,মায়ের সাথে সম্পর্ক কিভাবে ভালো রাখবো?

৬/ আমার নামে কেউ মিথ্যা অপবাদ দিলে আমি যদি তার প্রতিবাদে কোনো শক্ত কথা বলে ফেলি তাহলে কি আমার পাপ হবে?
৭/ আমার শাশুড়ির,স্বামীর দোষের কথা কাউকে বলি পরামর্শ বা সমাধানের নিয়তে তাহলে কি সেটা গীবত হবে?

৮/ এরকম পরিবেশে দ্বীনের উপর থাকবো কিভাবে,হারাম থেকে বাঁচবো থাকবো কিভাবে, ছেলে কে মুমিন হিসেবে তৈরি করব কিভাবে? আমাকে কিছু উপদেশ এবং নসীহা করবেন।
উস্তাদ সব কথা হয়তো বলতে পারিনি। আমি অফলাইন এ কোনো আলেম পাইনি। আমি আমার হেদায়েত হারাতে হারাতে চাই না উস্তাদ। আমার চারদিকে ফেতনায় ভরা। গায়রে মাহরাম মেইনটেইন করে চলতেও অনেক কষ্ট হয় মানুষের কষ্টদায়ক কথা শুনতে হয় অনেক। সবমিলে আমি ভেঙ্গে পড়ছি কেউ নেই উপদেশ দেওয়ার।বিয়ের আগে হারাম থেকে দূরে থেকেছি,আল্লাহর কাছে কত্ত দুয়া করেছি আল্লাহ আমাকে এমন অবস্থায় কেনো যে ফেললেন।উস্তাদ আমার এখন আপসোস হয়,মা বাবার উপর রাগ আসে মনে মনে তাঁরা আমার উপর কেনো এত জুলুম করে জানি না।

ভূল ত্রুটি মাফ করে আমাকে উত্তম পরামর্শ দিবেন,ইন শা আল্লাহ।

1 Answer

0 votes
by (807,660 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) আপনি সন্তান জন্ম দিয়ে কোনো প্রকার ভূল করেননি। আল্লাহই তাকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। আপনি শুধুমাত্র একটা উসিলা।

(২) আপনার বর্ণনা মুতাবেক স্বামী,শাশুড়ির সাথে সংসার করতে গেলে যদি দ্বীন থেকে মাহরুম হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাহলে তালাক চাইতে পারবেন। তালাক চাওয়ার পূর্বে দ্বীন এবং সংসার উভয়টাকে টিকিয়ে রাখার মরণপণ চেষ্টা করতে হবে। 

(৩)  যৌতুক দিয়ে হলেও আপনার মা বাবা সংসার করাবে। এখানে আপনার জন্য জিদ না ধরাই উচিত।

(৪)  এতদিন যৌতুক হিসেবে যত টাকা,জিনিস আপনার মা বাব দিয়েছে সেগুলো ভোগ করা আপনার জন্য হারাম হবে না। যদিও আপনার স্বামীর জন্য হারাম হবে।

(৫) পরিবারের,মায়ের সাথে সম্পর্ক ভালো করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।

(৬) কেউ মিথ্যা অপবাদ দিলে যদি তার প্রতিবাদে কোনো শক্ত কথা বলে ফেলা হয়,  তাহলে আমার পাপ হবে না। তবে মিথ্যা অপবাদের বিনিময়ে মিথ্যা অপবাদ বা গালিগালাজ করা যাবে না। করলে গোনাহ হবে।

(৭)  পরামর্শ বা সমাধানের নিয়তে বললে গীবত হবে না। 

(৮) নামায এবং ধৈর্য্যর মাধ্যমে জীবনের প্রতিটি ধাপে আপনাকে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে।আল্লাহ আপনাকে তাওফিক দান করুক।আমীন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (20 points)
উস্তায আমার স্বামী পরকীয়া লিপ্ত। বিয়ের আগে আগের উইফ থাকাতে যেমন টা ছিল।বিয়ের ৫ মাস পর বাড়িতে বড়দের দারা বলিয়ে কোনো লাভ হয়নি,এখনো সে জিনার পথে।  তাঁর নজরের হেফাজত নেই,মেয়েদের প্রতি তার বাজে আকর্ষণ সেটাও একাধিক মেয়েদের সাথে।
এখন যখন বড়দের এসব বলেছি তখন তাঁরা বলছে সে যা করে করুক আমি যেনো এসব না দেখি আমাকে শুধু আমার রিযিক(খবর,বাসস্থান,জামা কাপড়) এসবের জন্য সংসার করি। এই বিষয় আমার শাশুড়ি তার ছেলেকে কোনো শাসন করেন না উল্টো এসবে সাপোর্ট করেন। আমার স্বামী তাঁর মামাতো বোন,ভাবির সাথে পরকিয়া করে এটা আমি বলতে পারবো না এমন টা বলেন আমাকে। 

আমি দ্বীনের জন্য কিছু করতে চাই। এখনো পড়াশুনা করছি কিন্তু আমার শাশুড়ি চায় আমি সব বাদ দিয়ে তার কথা মত চলি। উনি তার সম্পদের অহংকার করে আমি যেনো তার সম্পদের লোভে তার আদেশ মতো চলি,উনি যা চায় তাই যেন বাবার কাছ থেকে নিয়ে দেই।

এখন শুধু রিযিকের জন্য আমি কিভাবে সংসার করতে পারি যেখানে আমার দ্বীন নেই? আল্লাহ্ তো অন্য ভাবেও আমাকে,আমার সন্তানকে রিযিক দিতে পারেন?

আমি দ্বীনের উপর ইলম অর্জন করে ইসলামের জন্য, উম্মাহর জন্য কিছু করতে চাই।
by (807,660 points)
আপনার জন্য সংসার করা বা তালাক চাওয়া দুটোই জায়েয। আমাদের ধারণামতে আপনি আপাতত সংসারই করেন। এবং স্বামীর হেদয়তের দুআ করুন। 
by (20 points)
১) আমার স্বামীকে দেখলে বা তার সাথে কথা বললে আমার রাগ উঠে যায়, জবানের হেফাজত থাকে না,ইবাদত করতে ভালো লাগে না(নামাজ,রোজা সহ ফরজ আমল পর্যন্ত ঠিক মত হয় না) এমন টা কেনো হয়? বিয়ের পর থেকেই এমন হয়ে আসছে।
২) বিয়ের সময় যৌতুক নিবে না বললেও এখন যৌতুক চাচ্ছে। স্বামীর থেকে শাশুড়ি বেশি চাচ্ছে যৌতুক। এমনকি আমার ভরণপোষণও ঠিক মত দেন না, দিতেও চায় না বলেযে আমার বাবা দিবেন। বাচ্চার জন্ম থেকেও বেশিরভাগ খরচ আমার বাবাই দিয়ে আসছে।এখন আমার বাবার যৌতুক দেওয়া কি উচিত হবে? শাশুড়ি তার জমি বন্ধক রেখেছেন সেটার টাকা আমার বাবাকে দিতে বলেন,স্বামী মোটরসাইকেল চান,তাছাড়াও সংসারের যাবতীয় ছোটখাটো জিনিসপত্র সেগুলোও চায়। কিছু জিনিসপত্র আমার বাবা দিয়েছেনও। আমি বিয়ের শুরুতেই বলেছি আমি বাবার থেকে কিছু চাইতে পারব না তাই আমার শাশুড়ি নিজে আমার মা বাবার কাছে যা তা চান। এগুলো দেওয়াও তো যৌতুক হবে? 

এককথায় আমি অবিবাহিত থাকতে আমার বাবাকে আমর খরচ যত দিতে হয়েছে এখন তার থেকে বেশি দিতে হচ্ছে।
by (807,660 points)
(১) এটা পরিত্যাগ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন।
by (807,660 points)
আপনার বাবা যদি স্বেচ্ছায় দেন, তাহলে তো জায়েয। তবে অনিচ্ছায় চাপে পড়ে দিলে, তা জায়েয হবে না।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...