বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যে ব্যক্তি কোনো নেক কাজ করবে এবং নেক কাজের কোনো পদ্ধতি ও রীতিনীতি আবিস্কার করবে, সে বর্তমানে উক্ত কাজ করার কারণে তার সুওয়াব পাবে, এবং এই কাজ পরবর্তিতে যারা করবে তাদের কৃতকর্মের ধরুণ সেও সমান সুওয়াব প্রাপ্ত হবে।
এবং যে ব্যক্তি কোনো গুনাহর কাজ করবে এবং গুনাহের কোনো পদ্ধতি চালু করবে তার তো প্রথমে গুনাহ হবেই এবং উক্ত কাজ পরবর্তিতে যারা করবে তাদের সামন গুনাহ সেও পাবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
ﻟِﻴَﺤْﻤِﻠُﻮﺍ ﺃَﻭْﺯَﺍﺭَﻫُﻢْ ﻛَﺎﻣِﻠَﺔً ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﻭَﻣِﻦْ ﺃَﻭْﺯَﺍﺭِ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳُﻀِﻠُّﻮﻧَﻬُﻢْ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﻋِﻠْﻢٍ
ফলে কেয়ামতের দিন ওরা পূর্ণমাত্রায় বহন করবে ওদের পাপভার এবং পাপভার তাদেরও যাদেরকে তারা তাদের অজ্ঞতাহেতু বিপথগামী করে শুনে নাও, খুবই নিকৃষ্ট বোঝা যা তারা বহন করে।(সূরা নাহল-২৫)
ﻭَﻟَﻴَﺤْﻤِﻠُﻦَّ ﺃَﺛْﻘَﺎﻟَﻬُﻢْ ﻭَﺃَﺛْﻘَﺎﻟًﺎ ﻣَّﻊَ ﺃَﺛْﻘَﺎﻟِﻬِﻢْ ﻭَﻟَﻴُﺴْﺄَﻟُﻦَّ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﻋَﻤَّﺎ ﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﻳَﻔْﺘَﺮُﻭﻥَ
তারা নিজেদের পাপভার এবং তার সাথে আরও কিছু পাপভার বহন করবে। অবশ্য তারা যে সব মিথ্যা কথা উদ্ভাবন করে, সে সম্পর্কে কেয়ামতের দিন জিজ্ঞাসিত হবে।(সূরা আনকাবুত-১৩)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1810
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
জ্বী, যদি বইয়ে শিরক ইত্যাদি লিখা থাকে, তাহলে এটা গোনাহে জারিয়ার মতই লেখকের গোনাহ হতে থাকবে। সম্ভব হলে নতুন সংস্করণ থেকে নিজের লেখাকে মিটিয়ে দিতে হবে। সম্ভব না হলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।