ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কোরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে মাস'আলা উদ্ভাবনকারী চার মাযহাবের উপরুক্ত আলোচনা দ্বারা আমরা বুঝতে পারলাম যে,হজ্বের মৌসুমে আরাফা এবং মুযদালিফা ব্যতীত অন্য কোথাও দুই নামাযকে একত্রকরণ কখনো ঠিক হবে না। হানাফি মাযহাব ব্যতিত অন্যান্য মাযহাবে অনুমোদিত থাকলেও অনুত্তম বলা হয়েছে।
এজন্য নামাযকে উত্তমভাবে পড়াই আমাদের জন্য উচিৎ।যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন-
ﻓَﺈِﺫَﺍ ﻗَﻀَﻴْﺘُﻢُ ﺍﻟﺼَّﻼَﺓَ ﻓَﺎﺫْﻛُﺮُﻭﺍْ ﺍﻟﻠّﻪَ ﻗِﻴَﺎﻣًﺎ ﻭَﻗُﻌُﻮﺩًﺍ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺟُﻨُﻮﺑِﻜُﻢْ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺍﻃْﻤَﺄْﻧَﻨﺘُﻢْ ﻓَﺄَﻗِﻴﻤُﻮﺍْ ﺍﻟﺼَّﻼَﺓَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺼَّﻼَﺓَ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻛِﺘَﺎﺑًﺎ ﻣَّﻮْﻗُﻮﺗًﺎ
অতঃপর যখন তোমরা নামায সম্পন্ন কর, তখন দন্ডায়মান, উপবিষ্ট ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ কর। অতঃপর যখন বিপদমুক্ত হয়ে যাও, তখন নামায ঠিক করে পড়। নিশ্চয় নামায মুসলমানদের উপর ফরয নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।(সূরা নিসা-১০৩)
হানাফি মাযহাবের পরবর্তী উলামাদের অনেকেই অপর তিন মাযহাবের মতই দুই নামাযকে সফরের সময় একত্রিকরণের বৈধতা প্রদান করে থাকেন।কেননা অনেক হাদীসে বিশেষ উযর ব্যতিতও দুই নামাযকে একত্রিত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে মতবিরোধ থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক নামাযকে তার সময়ে আদায় করে নেয়াই উত্তম হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/827
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আরাফা ও মুযদালিফা ব্যতিত ওয়াক্তের পূর্বে নামায পড়ার কোনো সুযোগ হানাফি ফিকহে নেই। তাই আপনি এমন কোন প্রাইভেট বাচাই করুন, যেখানে নামাযের কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না। নামাযকে পরিত্যাগ করে পড়ার কোনো সুযোগ নেই। নামায ইবাদত সর্বোপরি ঈমানকে ঠিক রেখে তারপর শিক্ষা গ্রহণের দিকে আগাতে হবে।