আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
68 views
in পবিত্রতা (Purity) by (51 points)
আমার সিজার হয়েছে ২ মাস ২০ দিন। সিজারের পর ব্লিডিং এখনো বন্ধ হয়নি। ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর থেকে ব্লিডিং থাকা সত্ত্বেও নামাজ রোজা করছি। ব্লিডিং ২ দিন যাবত বেশি হওয়ায় আজকে ডক্টর দেখিয়েছি। ডক্টর আমার পিভি এক্সামিন করে এবং ব্লাড দেখে বলেছে এই মুহূর্তে সম্ভবত আমার পিরিয়ড হচ্ছে, এটা পিরিয়ড এর ব্লাড।পিরিয়ড হিসেবে আমাকে মেডিসিন দিয়েছে এবং ১ সপ্তাহ পর যেতে বলেছে। আমার নিজেরও বিগত ২ দিনের ব্লাড এর ধরণ দেখে মনে হচ্ছে পিরিয়ড কারণ আগের ব্লিডিং এমন ছিলো না। কিন্তু আমি বা ডক্টর কেউই ১০০% সিওর না। এখন আমি এই ৭ দিন কি নামাজ চালু রাখবো নাকি পিরিয়ড হয়েছে ভেবে ৭ দিন নামাজ বন্ধ রেখে তারপর ডক্টর দেখিয়ে নামাজ শুরু করবো?

২.আমার সিহরের সমস্যা আছে।কিছুদিন যাবত একটা সমস্যা অনুভব করছি কেউ কোন বিষয়ে কথা বললে সেটা যদি আমার কানে আসে ঐটা নিয়ে নেগেটিভ চিন্তা করা।ইসলাম ধর্মে তো  কু-ধারণা করা কবিরা গুনাহ।এখন আমার এই সমস্যাটা সিহর এর জন্য হচ্ছে নাকি এমনি হচ্ছে তা জানিনা।কিন্তু আমার মন যখন নেগেটিভ ভাবনা ভাবে তখন আমার কষ্ট হয় কারণ আমি এমন করতে চাইনা আল্লাহর জন্য।এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে নেগেটিভ ভাবনা ভাবার জন্য কি আমার গুনাহ হবে?

1 Answer

0 votes
by (806,100 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(৫)মাসআলাঃ 
যদি কোন মেয়েলোকের প্রসবান্তে চল্লিশ দিনের বেশী রক্তস্রাব হয় এবং তাহার ইহাই প্রথম প্রসব হয়, তবে চল্লিশ দিন পর্যন্ত নেফাস ধরিতে হইবে। চল্লিশ দিন যখন পুরা হইবে, তখন গোছল করিয়া নামায পড়িতে হইবে। আর যদি ইতিপূর্বে আরও সন্তান প্রসব হইয়া থাকে এবং তাহার নেফাসের মুদ্দতের কোন নিয়ম থাকে, তবে নিয়মের কয়দিন নেফাস হইবে, বেশী কয়দিন ইস্তেহাযা হইবে।

(৬)মাসআলাঃ 
কোন মেয়েলোকের নিয়ম ছিল, প্রসবান্তে ত্রিশ দিন রক্তস্রাব হওয়ার, কিন্তু একবার ত্রিশ দিন চলিয়া যাওয়ার পরও রক্ত বন্ধ হইল না; তাহা হইলে এই মেয়েলোক এখন গোছল করিবে না, অপেক্ষা করিবে। যদি পূর্ণ চল্লিশ দিনের শেষে বা চল্লিশ দিনের ভিতর রক্ত বন্ধ হয়, তবে সব কয়দিনই নেফাসের মধ্যে গণ্য হইবে। আর যদি চল্লিশ দিনের বেশী রক্তস্রাব জারী থাকে, তবে ত্রিশ দিন নেফাসের মধ্যে গণ্য হইবে; অবশিষ্ট কয় দিন ইস্তেহাযা। চল্লিশ দিনের পর গোছল করিবে এবং নামায পড়িবে। ত্রিশ দিনের পরের দশ দিনের নামায কাযা পড়িবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
৪০ দিন পর্যন্ত নেফাস। এরপর ইস্তেহাযা ধরে নেয়া হবে। নেফাসের ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত ইস্তেহাযা গণনা করা হবে। অতঃপর পূর্বের আদত অনুযায়ী হায়েয গণনা করা হবে। তারপর আবার ১৫ দিন ইস্তেহাযা থাকবে। এভাবে গণনা করা হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...