আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
8 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
edited ago by
আসসালামু আলাইকুম।

হুজুর আমার প্রশ্নগুলোর জবাব দেওয়ার অনুরোধ রইলো।

১/ আমি চুপচাপ স্বভাবের মানুষ। অনলাইন ফেইসবুক এসব ঘৃণা করি। সারাদিন চাকুরি, পরিবার, ইসলামি বই, ইবাদত ও মসজিদ। কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই।
মানুষের সাথে এতো বেশি মিশতে পারিনা। শুধু সালাম ও কেমন আছেন এতটুকুই। কারো সাথে আমি কখনো গভীর আন্তরিকতা দেখাইনা। ফিতনা এবং ব্যক্তিগত বিষয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করবে এজন্য আমি মানুষ আমি এড়িয়ে চলি। কেউ দ্বীনি আলোচনা করলে রাজি। দুনিয়াবি কথাবার্তায় আমি আগ্রহী না।
এই কারণে আমাকে সবাই অহংকারী মনে করে।
★ আমার এই জীবনের এই ধরণ কি অহংকারী?

২/ আমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী করি, ২০ হাজার টাকা মাসিক বেতন। আমার সাথের কলেজের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা অনেকই ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, বিসিএস ক্যাডার ও অনেকে ইউরোপ আমেরিকায় সেটেল্ড। আমার অনেক বন্ধুরা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করে। আমার অনেক সময় মনে হয় আমি জীবনে ব্যর্থ। অনেক সময় মনে হয়, যদি আমিও আজকে বিসিএস ক্যাডার হতাম আমার পিতা মাতা আমাকে নিয়ে গর্ববোধ করতো। সমাজে আমার একটা ভালো অবস্থান ও সম্মান হতো। আমি পরিবারের জন্য অনেক কিছু করতে পারতাম। কম বেতনের চাকুরির জন্য বাবা মা ভাই বোন কারো জন্যই বিশেষ কিছু করতে পারি না। এজন্য আমার অনেক সময় হীনমন্যতা কাজ করে।
★ আমার বন্ধুদের দেখে জীবনে তাদের মতো ভালো অবস্থানে যেতে না পারার জন্য অনুশোচনা হওয়া, আমার এই ধরনের মনোভাব কি হিংসুক মনোভাব?

৩/ নিজের ও পরিবারের ছবি তুলে ফেইসবুকে অনেকেই শেয়ার করে। যেন সে কি করছে তার আত্নীয় স্বজন ও বন্ধুরা দেখতে পারে।
★ নিজের ছবি তুলে ফেইসবুকে শেয়ার করা, এগুলো কি ইসলামে অনুমতি রয়েছে?

৪/ আত্নীয় স্বজনদের সবাই ভালো অবস্থানে। আমি নিজেই দরিদ্র। কারো সাথেই কোনো হিংসা এবং শএুতা নেই। আল্লাহর কাছে আত্মীয় স্বজনদের জন্য সবসময় দোয়া চাই। কিন্তু নিয়মিত আত্নীয় স্বজনদের সাথে যোগাযোগ হয়না। কারণ সবাই তাদের নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত। কখনো দাওয়াত দিলে, বা কোনো বিবাহ বা মৃত্যু হলে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়া হয়। ফোন দিয়ে কারো খোঁজ নেওয়া হয়না। আজকাল ফোন দিলেও মানুষ সন্দেহ করে কোনো স্বার্থের জন্য হয়তো ফোন দিয়েছি। ইচ্ছে আছে আল্লাহ কখনো টাকা দিলে আমার গরীব আত্নীয়দের যতটুকু সম্ভব সাহায্য করবো।
★ আত্নীয় স্বজনদের সাথে আমার এই ধরনের আচরণের জন্য কি আমি আত্নীয় স্বজনদের সাথে সম্পর্ক বিছিন্নকারী বলে বিবেচিত হবো?

৫/ আমার প্রথম বউয়ের সাথে আমার তালাক হয়ে গিয়েছে। বিয়েতে দেনমোহর ছিলো ২ লক্ষ টাকা। তালাকের পর আমার প্রথম বউয়ের এখন অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে গিয়েছে। অনেক চেষ্টা করেও আমি তার সাথে যোগাযোগ করতে পারছি না। তার পরিবারকে বারবার অনুরোধ করার পরেও তার মোবাইল নাম্বার আমাকে দেয়নি।
★ এমতাবস্থায় আমি কি আমার প্রথম বউয়ের দেনমোহর তার পিতা মাতার কাছে দিতে পারবো তাদের মেয়ের কাছে পোঁছে দেওয়ার জন্য?
★ যদি তার পিতা মাতা তাদের মেয়ের দেনমোহর পেয়ে নিজেরা ভোগ করে ফেলে এবং মেয়েকে না জানায়, তাহলে এর জন্য আমি কি পরকালে দায়ী হবো?

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...