ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ فِيهِ فَهُوَ رَدٌّ»
যে দীনের মধ্যে নতুন কিছু তৈরী করবে যা তার অমর্ত্মভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।[সহীহ বুখারী, হা/২৬৯৭ ও সহীহ মুসলিম, হা/১৭১৮, সুনানে আবূ দাউদ ৪৬০৬]
তিনি আরও বলেন,
«مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ»
‘‘যে ব্যক্তি এমন কোন আমল করবে, যে বিষয়ে আমার অনুমোদন নেই, তা আমলকারীর উপর প্রত্যাখ্যাত হবে’’।[সহীহ মুসলিম, হা/১৭১৮]
দীনের মধ্যে বিদআত দু’প্রকার। (ক) বিশ্বাসের ক্ষেত্রে বিদআত এবং (খ) আমলের ক্ষেত্রে বিদআত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2089
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেসব জিকির বা আমল সরাসরি কুরআন ও হাদিসে নাই। সেগুলোকে সুন্নত মনে করা বিদআত।তবে বুযুর্গানে দ্বীনের আমলে থাকলে রুখসত হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে কখনই সুন্নত মনে করা যাবে না।
বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের সন্দেহ মনে আসলে ঈমান ভঙ্গ হবে না। তবে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত থাকলে, তখন বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের সন্দেহ মনে আসলে ঈমান ভঙ্গ হয়ে যাবে।