আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
54 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (5 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ হযরত, আমি যাদুবানে আক্রান্ত, তো কুরআনের আয়াত, সুরা, মনজিল এগুলো সকাল সন্ধ্যা পড়ে হেফাজতের আমল করি।এগুলো না পড়লেই সহজে ঘায়েল হয়ে যাই ।তো মেয়েদের পিরিয়ড এর সময়ও উক্ত আমল কন্টিনিউ করতে পারবো?

২.আমার বাবা যাদুতে আক্রান্ত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান। এরপর বারবার একই স্বপ্ন দেখি যে উনি জীবিত তবে মৃত্যুর পূর্ব সময়, পরে আবার মারা গেছেন। কখনো দেখি যে উনি জীবিত কিন্তু মাথায় অসুস্থতা আছে। এগুলোর কি ব্যাখ্যা আছে হুজুর?আর  মৃত্যুর পর উনার চেহারা খুবই মায়াবী কিন্তু একটু মলিন দেখাচ্ছিল!
৩.জনাব, আর আমাদের যারা সর্বদা ক্ষতি করার চেষ্টা করে যেমন জানমাল, ইমান আমল অথবা আমাকে অপমানের সাথে রাখার চেষ্টা করে বা মেরে ফেলার চেষ্টা করে এমনজন হতে পারে জ্বীন যাদুকর বা আত্মীয় বা বিবাহ সূত্রে আত্মীয়া, তাদের ব্যাপারে বদদোয়া করা যাবে নিরাপদ থাকার জন্য?

1 Answer

0 votes
by (765,780 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
শরীয়তের বিধান হলো মহিলাদের হায়েজ অবস্থায় কুরআন শরিফ স্পর্শ করা, তেলাওয়াত করা জায়েজ নেই। 
,
হায়েজ,নেফাস,গোসল ফরজ থাকা অবস্থায় কুরআনে কারীম পড়া হারাম। 
তবে যিকির,দোয়া সম্বলিত আয়াত,দ্বীনি কিতাব সমুহ পড়তে কোনো সমস্যা নেই।   
(কিতাবুন নাওয়াজেল ৩/১১০) 

হাদীস শরীফে এসেছেঃ   
عن ابن عمر : عن النبي صلى الله عليه و سلم قال لا تقرأ الحائض ولا الجنب شيئا من القرآن (سنن الترمذى، ابواب الطهارات، باب ما جاء في الجنب والحائض : أنهما لا يقرأن القرآن، رقم الحديث-131

অনুবাদ-হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-ঋতুবতী মহিলা এবং গোসল ফরজ হওয়া ব্যক্তি কোরআন পড়বে না।
(সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-১৩১,
সুনানে দারেমী, হাদীস নং-৯৯১,
মুসনাদুর রাবী, হাদীস নং-১১,
মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-১০৯০,
মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-৩৮২৩)

ولا بأس لحائض وجنب بقراء ۃ أدعیۃ ومسہا وحملہا وذکر اللّٰہ عز وجل وتسبیح۔ (درمختار ۱؍۲۹۳ کراچی، ۱؍۴۸۸ زکریا، الفتاویٰ التاتارخانیۃ ۱؍۴۸۱ زکریا) 
হায়েজাহ মহিলার জন্য কুরআনের দোয়ার আয়াত তেলাওয়াত করা,সেটা স্পর্শ করা,উঠানো,আল্লাহর যিকির তাসবিহ জপা জায়েজ।
,
বিস্তারিত জানুনঃ- 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
পিরিয়ড অবস্থায় আপনি যে সমস্ত আমল করতে চাচ্ছেন তাতে অনেক সুরা রয়েছে, এগুলো যেহেতু দোয়া মূলক সুরা, তাই আমলের নিয়তে এ ধরনের সূরা গুলো পাঠ করতে পারবেন।

(০২)
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার আমল বাড়িয়ে দিতে হবে,দ্বীনদার লোকদের সাথে উঠাবসা করতে হবে,পবিত্র হালতে থাকতে হবে,অহংকার থেকে বেঁচে থাকতে হবে। 
বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত, যিকির আযকার,ফরজ সহ নফল নামাজ পড়তে হবে। 
,
স্বপ্নের কথা কাউকে বলা যাবেনা।

চাইলে কিছু টাকা দান ছদকাহ করতে পারেন।

(০৩)
আপনি যদি কারো ব্যাপারে এগুলোর সত্যতা সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত ভাবে জানেন, আর আপনি যদি তাদের কর্তৃক জুলুমের শিকার হয়ে মাজলুম হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে মাজলুম হয়ে তাদের বিপক্ষে বদ দোয়া করতে পারবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (5 points)
edited by
জাযাকাল্লহু খয়রান কাসিরা মুহতারাম।
হুজুর, প্রথম প্রশ্নটা আরেকটু বুঝিয়ে দিলে ভাল হত! 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...