আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
70 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (3 points)
আসসালামু আলাইকুম ওস্তাদ। কয়েকটা বিষয় নিয়ে রবের কাছে অনেক কান্নাকাটি করে তাওবা করেছি। তারপর আবার তা ভেঙে ফেলেছি। আবার করেছি। এবার নিজের নফসের ধোকায় করেছি। এটগুলো অনেক অনেক ঘৃণিত পাপ, এখন দৌড়াই গিয়েছি সালাতে তাওবা করতে কিন্তু, মন থেকে মনে হচ্ছে কোনো কান্না আসছেনা। রব্বুল আলামিন আমাকে ছেড়ে দিয়েছে। আমার কোনো অনুভূতি কাজ করছে না।
সেই সাথে আমি বেশ কিছুদিন আগে স্বপ্ন দেখেছি যে আমি রোজা আছি, কিন্তু আমি ইফতারের সময় ইফতার করছিনা আমি নামাযের জন্য দৌড়াই যাচ্ছি। কিন্তু আমি এই স্বপ্ন দেখে প্রশান্তি পেয়েছিলাম। তারপরই আমি এমন গুরুতর পাপ করে ফেলেছি। আমার করণীয় কি? আমার রব কি আমাকে সত্যি জাহান্নামের জন্যই বানিয়েছে। আমি কি কোনো দিন তার প্রিয় হতে পারবোনা।

আর এটা মানুষের হকের সাথেও সম্পৃক্ত। আর যা আমি কোনো দিনই তাদের বলতে পারবোনা।
মনের মাঝে সবসময় খারাপ চিন্তা ঘুরে, এই খারাপ চিন্তা থেকে নফসএর তাজকিয়া কিভাবে করবো?
আমার অনুভূতিহীন অবস্থা থেকে কিভাবে মুক্তি পাবো? আমার চোখে আজ কোনো পানি আসেনি। তাহলে এই স্বপ্নেরই মানে কি ছিলো?

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
রাসূলুল্লাহ সাঃ কে আল্লাহ তা'আলা ৪ টি বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করেছেন।এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন,
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
তিনিই নিরক্ষরদের মধ্য থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের কাছে পাঠ করেন তার আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত। ইতিপূর্বে তারা ছিল ঘোর পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত।(সূরা-জুমুআহ-২)

রাসূলুল্লাহ সাঃ এর ৪ টি দায়িত্বের একটি দায়িত্ব হল,আত্মসুদ্ধি।এই আত্মসুদ্ধির অপর নাম তাসাউফ।তাসাউফ সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/1037

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
নেককার ব্যক্তিদের সংস্পর্শ গ্রহণ করবেন। নেককার ব্যক্তিদের সংস্পর্শ গ্রহণ করলে এদ্বারা তাকওয়া অর্জন অত্যান্ত সহজ হবে। আল্লাহর সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরী হবে। আল্লাহ আপনাকে মুত্তাকি হিসেবে কবুল করুক।আমীন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...