আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
87 views
in পবিত্রতা (Purity) by (3 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
আমার বেশিরভাগ সময় ১৫-১৭ দিনের ভিতর হায়েজ শুরু হয় মাঝে মাঝে ১ মাস পূর্ণ হয়ে তারপর শুরু হয়। কিন্তু আমার এবার  ১৬ তম দিনে একদম হাল্কা গোলাপি এবং সাদা মিশ্রিত রক্ত বের হয়, যার কারনে এটাকে আমি হায়েজ ধরি কিন্তু ৪ দিন হওয়ার পর একদম বন্ধ হয়ে যায় এবং সাদা এবং সচ্ছ রং স্রাব বের হয় তাই আমি সালাত পড়া শুরু করি এবং দেড় দিনের মতো এমনই চলে।  তবে এরপর আবার আমার রক্ত আসে এবং এটি ছিলো একদম টকটকে লাল মানে হায়েজ হলে যেমন রক্ত ওমন রং এর। এবং রক্ত বের হওয়ার পরিমান একদম হায়েজের সময়ে স্বাভাবিক যেমন হয় ওমনই বের হচ্ছে।  এখন আমার প্রশ্ন হলো আমি কি প্রথম যেদিন একটু গোলাপ সাথে সাদা বের হয়েছে সেদিন থেকে হায়েজ ধরবো নাকি ৫/৬ দিন পর থেকে যে পরিপূর্ণ লাল ঘন রক্ত বের হয়েছে সেদিন থেকে হায়েজ ধরবো?

আর সালাত তাহলে কবে পড়বো।  বললে মুনাসিব হতো।
জাযাকাল্লাহ খাইরান।

1 Answer

0 votes
by (812,700 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দুই হায়েযের মাঝখানে পাক থাকার মুদ্দৎ কমের পক্ষে পনের দিন, আর বেশীর কোন সীমা নাই। অতএব, যদি কোন মেয়েলোকের কোন কারণবশতঃ কয়েক মাস যাবৎ হায়েয বন্ধ থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ঋতুস্রাব না হইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে পাক থাকিবে। 

(১৩) মাসআলাঃ 
যদি কোন মেয়েলোকের তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখা যায়, তারপর ১৫ দিন পাক থাকে; আবার তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখে, তবে আগেকার তিন দিন তিন রাত এবং পনের দিনের পর তিন দিন তিন রাত হায়েয ধরিবে। আর মধ্যকার দিন পাক থাকার সময়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেহেতু ১৬ দিন পর রক্তস্রাব এসেছে। এবং যেহেতু ৪ দিন রক্তস্রাব জারি ছিলো। তাই এটা জায়েয। ১০ দিনের মধ্যে যদি আবার আসে, তাহলে দেখতে হবে যে, ১০ দিন পেরিয়ে গেছে কি না? যদি ১০ দিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে এই দিনগুলি হায়েয। আর ১০ দিন অতিরিক্ত অতিক্রম করলে পূর্বের আদত যতদিনের ততদিন হায়েয এবং অতিরিক্ত ইস্তেহাযা। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 328 views
0 votes
1 answer 190 views
...