জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ لَا يَظْلِمُهُ وَلَا يُسْلِمُهُ وَمَنْ كَانَ فِي حَاجَةِ أَخِيهِ كَانَ اللَّهُ فِي حَاجَتِهِ وَمَنْ فَرَّجَ عَنْ مُسْلِمٍ كُرْبَةً فَرَّجَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرُبَاتِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَمَنْ سَتَرَ مُسْلِمًا سَتَرَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিম মুসলিমের ভাই। কোন মুসলিম না কোন মুসলিমের ওপর জুলুম করবে, না তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে। যে ব্যক্তি কোন মুসলিম ভাইয়ের অভাব মোচনে সাহায্য করবে, আল্লাহ তা’আলা তার অভাব মোচন করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিম ভাইয়ের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করবে, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার দুঃখ-কষ্ট লাঘব করবেন। যে ব্যক্তি তার কোন মুসলিম ভাইয়ের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবে, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন।
(বুখারী ২৪৪২, মুসলিম ৫৮-(২৫৮০), তিরমিযী ১৫২৬, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৫০৪, আবূ দাঊদ ৪৮৯৩, সহীহুল জামি‘ ৬৭০৭, শু‘আবুল ঈমান ১১১৫০, সুনানুন্ নাসায়ী আল কুবরা ৭২৯১, হিলইয়াতুল আওলিয়া ২/১৯৫, আল মু‘জামুল কাবীর ১২৯৫৯, আস্ সুনানুল কুবরা ১২৪৮৮।)
হাদীসটি সহীহ।
(০২)
এক্ষেত্রে সমান গুনাহ হবে! নাকি কম বেশি হবে! তা আল্লাহ তায়ালাই নির্ধারণ করবেন।
(০৩)
উল্টো পেশ থাকলে এক আলিফ টান হবে। উল্টো পেশ না হয়ে শুধু পেশ হলে টান হবেনা।
এখানে টান দিলেও সমস্যা হবে না, টান না দিলেও সমস্যা হবে না।
সুতরাং উভয়টিই সহীহ।
(০৪)
আপনি যদি এসব আমল করার সময়ই অন্তরের মধ্যে নিয়ত রাখেন যে আল্লাহ যেন এগুলোর ছওয়াব বাবা,মা,ভাই,দাদা,দাদু,নানা,নানু এই কয়জনের আমলনামায় পৌঁছায়, তাহলেও এসব আমল করা মাত্র অটোমেটিকলি সেই ছওয়াব তাদের আমলনামায় পৌঁছে যাবে।
আর যদি আপনি তখন নিয়ত না করেন, সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে আপনি আল্লাহর কাছে বলবেন হে আল্লাহ এ সমস্ত আমল গুলোর ছওয়াব আপনি বাবা,মা,ভাই,দাদা,দাদু,নানা,নানু এই কয়জনের আমলনামায় পৌঁছিয়ে দিন।
তাহলে সেই আমল গুলোর ছওয়াব তাদের আমলনামায় পৌঁছে যাবে।
(০৫)
তিনটার জন্য আলাদাভাবে ইস্তেখারা করতে পারেন। তবে একটার ব্যাপারে ইস্তেখারা ফলাফল আসার আগ পর্যন্ত অপরটি সম্পর্কে ইস্তেখারা না করার পরামর্শ থাকবে। এতে আপনি সহিহ ভাবে ফলাফল পাবেন। ইনশাআল্লাহ।
এরজন্য বেশ কয়েকদিন সময় হাতে রাখতে হবে।
(০৬)
আগে ফোন দেখবেন, তারপর বাসায় এসে ইস্তেখারা করবেন,ফলাফল পজিটিভ পেলে এরপরে ফোন কিনতে যাবেন।
উল্লেখ্য ইস্তেখারা শরীয়তের পক্ষ থেকে আপনার উপর আবশ্যক করা হয়নি। আপনি ইস্তিখারা না করেও ফোন কিনতে পারেন।
তবে যেহেতু আপনি ইস্তেখারা করতে চাচ্ছেন তাই এভাবে বলা হলো।
(০৭)
এ সংক্রান্ত জানুনঃ-
(০৮)
তৃতীয় রাকাতে সুরা ফাতেহা ও সাথে অন্য সূরা মেলানোর পর তাকবির বলে হাত কান পর্যন্ত উঠাবেন, এরপর আবার হাত বাঁধবেন, তারপর দোয়ায়ে কুনুত পড়বেন, এরপরে রুকুর তাকবীর বলে রুকুতে যাবেন, রুকুর পর সেজদাহ আদায় করবেন। এরপর শেষ বৈঠক করে অন্যান্য নামাজের মতই নামাজ শেষ করবেন।
আরো জানুনঃ-
(০৯)
হ্যাঁ ঠিক আছে।
তবে এক্ষেত্রে অনেক গুলো রেওয়ায়াত আছে।
ইসমে আজম সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুনঃ-
(১০)
এক্ষেত্রে সেই বস্তু হাদিয়া দেওয়া যাবে না, তা কোন গরিব মিসকিনকে সওয়াবের নিয়ত ছাড়া সদকাহ করে দিতে হবে।