আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
49 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (7 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু!
শায়েখ আমি একজন নারী এবং অবিবাহিত। । আমার কোনো ভাই নেই। আমার আম্মু সেভিংস এর টাকা গুলো সঞ্চয়পত্র করেছেন এবং সেখান থেকে প্রতিমাসে সুদ আসে, এটা দিয়েই আমাদের সংসার চলে। শায়েখ আমার বাবা নেই। এ মুহুর্তে আমার করণীয় কি!   আমার একজন প্রতিবন্ধী বোনও আছে। তার পিছনে প্রতি মাসে অনেকটা টাকার প্র‍য়োজন হয়। আমি আম্মুকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তবে আমার মায়ের কথা,  সেখান থেকে মুনাফা নেওয়া ছাড়া আমাদের সংসার চলবে না। যদিও আমার মা মানেন, সুদ নেওয়াটা ঠিক না, হারাম। আমাকে যদি কিছু পরামর্শ দিতেন! আমি এ অবস্থা কিছুতেই সহ্য করতে পারছি না।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বাংলাদেশে দুই ধরণের ব্যাংক রয়েছে।(ক) সাধারণ ব্যাংক (খ) ইসলামী ব্যাংক বা ইসলামি ব্যাংকিং শাখা। যেখানে হালাল হারাম যাচাই-বাছাইয়ের জন্য শরীয়া বোর্ড সক্রিয় রয়েছে। 

সাধারণ ব্যাংক সমূহে প্রচলিত ডিপিএস, এফডিআর  হারাম এবং পরিত্যাজ্য। কেননা এখানে স্পষ্টত সুদ দেয়া হয়ে থাকে। 

তবে ইসলামী ব্যাংক সমূহের ডিপিএস বা এফডিআর জায়েয কি না? বিষয়টা ব্যখ্যা সাপেক্ষ্য...

যদি কোনো ইসলামী ব্যাংক শরীয়তকে পুরোপুরি মেনে এই সমস্ত প্রকল্প, স্কীমগুলো প্রনয়ন করে ও যত্নসহকারে তা পালন করতে সচেষ্ট থাকে তবে তা জায়েযই হবে। যেমন বহির্বিশ্বের কিছু ব্যাংক সম্পর্কে শুনা যায়,যে তারা সম্পূর্ণভাবে শরীয়তকে মেনে চলে।
যত্নসহকারে পালনের অর্থ হচ্ছে,ডিপিএস বা এফডিআর এমন হতে হবে যে, যে যেই মেয়াদের জন্য ডিপিএস বা এফডিআর করা হবে, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আসল ব্যতীত মুনাফা কত? তা প্রথম থেকেই নির্দিষ্ট  হতে পারবে না। এবং লাভক্ষতিতে মুদারাবা ব্যবসার আদলে ব্যাংক ও গ্রাহক উভয় শরীক থাকতে হবে। 
যদি মুনাফা নির্দিষ্ট হয়ে থাকে,তাহলে সেটা সুদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে হারাম হয়ে যাবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/8101

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রচলিত ব্যাংক সমূহর টাকা জমা করে মুনাফাহ গ্রহণ সর্বাবস্থার নাজায়েয ও হরাম। সুতরাং আপনার আম্মকে এত্থেকে বেচে থাকতে হবে। যদি এই ব্যাংক মুনাফা ব্যতিত অন্য কোনো রাস্তা খোলা না থাকে, তাহলে কিছু সংখ্যক উলামায়ে কেরামের মতে জায়েয হবে। তবে  এটা বিচ্ছিন্ন মতামত। সুতরাং সুদ গ্রহণ থেকে অবশ্যই বেচে থাকা উচিত।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...