ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলছেন
إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ فَرِيضَةً مِّنَ اللّهِ وَاللّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
যাকাত হল কেবল (১)ফকির, (২)মিসকীন, (৩)যাকাত উসূলকারী ও (৪)যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদের হক (৫)এবং তা দাস-মুক্তির জন্যে ও (৬)ঋণগ্রস্তদের জন্য, (৭)আল্লাহর পথে জেহাদকারীদের জন্যে এবং(৮) মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। সূরা আত-তাওবাহ-৬০
পিতা-পুত্র, স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক ব্যতীত যাকাতের হক্বদার যে কোন আত্মীয়কে যাকাত দেয়া যাবে।এমনকি যাকাতের হকদার নিকটাত্মীয় হলে তাকে দেয়াই উত্তম হবে।(ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যা-৯/৫৩৮) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/699
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
অন্যায় অপরাধে জড়িত থাকলে সে যাকাতের খাত থেকে বঞ্চিত হয় না। যাকাতের হকদারের মূখ্য বিষয় হল, গরীব মিসকিন হওয়া। ঐ আত্মীয়দের যদি নেসাব পরিমাণ মাল না থাকে, তাহলে তাদেরকে যাকাত দেয়া যাবে। তাদের নেসাব পরিমাণ মাল নেই সেটা নিশ্চিত হয়েই যকাত দিতে হবে। নতুবা যাকাত আদায় হবে না।