ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) নামাজে কোনো কিছু ভুল হয়েছে এমন সন্দেহে সরাসরি নামাজ ভেঙ্গে আবার নিয়ত করে নতুন করে পড়লে কোনো গোনাহ হবে না।
(২) সিজদায়ে তিলাওয়াত ওয়াজিব। যতগুলো সিজদায়ে তিলাওয়াত কাজা হয়েছে।অনুমান করে সবগুলো সিজদায়ে তিলাওয়াতকে কাযা করে নিবেন।
(৩) সাবালক হওয়ার পর যতগুলো রোজা বাদ গেছে।অনুমান করে সবগুলের কাযা আদায় করতে হবে।
(৪) কোনো বাচ্চার প্রস্রাব, পায়খানা বা মাছ, মাংসের রক্ত,নাপাকিকে কাপড় দিয়ে তিনবার মুছতে হবে।দৃশ্যমান হলে নাপাকি দূর করলেই হবে।আর অদৃশ্যমান হলে তিনবার মুছতে হবে ।
(৫) সামি আল্লহু লিমান হামিদা রব্বানা লাকাল হামদ বলার পর হামদান কাসীরণ তয়্যিবান মুবারকান ফিহ বসতে বসতে পড়লে তাকবির কখন বলবেন। তাকবির সুন্নত।তাহলে তো তাকবির ছুটে যাবে।
হামদান কাসীরণ তয়্যিবান না বলে মুবারকান ফিহ বলে ফেললে নামাযে কোনো সমস্যা হবে না।
কোনো এক রাকাতে হামদান কাসীরণ তয়্যিবান মুবারকান ফি বলার পর অন্য রাকাতে না বললে নামাযে কোনো সমস্যা হবে না।
(৬) কেরাতের জায়গায় তাশাহুদ পড়ে নিলে সাহু সিজদা দিতে হবে।
(৭) ওযু ছাড়া কুরআন ধরতে হলে কাপড় দিয়ে ধরা যাবে।