একটা শুকনো রুগ্ন বিড়াল আছে যে আমাদের পাশের বাসার চালে এসেছিলো। আমাদের বাসা থেকে তাদের চালে আমরা বিভিন্ন তরকারি ও খাবার ফেলতাম। কিন্তু এতে করে প্রতিনিয়ত ও এখানে এসে শব্দ করে এবং যাদের চালের উপর আসে,- চাল তাদের ই পরিষ্কার করতে হয়, প্লাস তাদের বাচ্চা ও ঘুমাতে পারে না বিড়ালের শব্দে। এটা নিয়ে গতকাল তারা অনেক রাগ করে, আমার মা ও খুব রাগারাগি করে তাদের সাথে। আমি তাদের বলি, " আমাদের এখানে খাবার দেওয়া ভুল হয়েছে, এরপর থেকে দিবো না "
উল্লেখ্য, বিড়াল হাঁটতে পারে। এখানে খাবার না ফেললে অন্য জায়গায় খুজবে, যেভাবে আগে খুঁজতো। অথবা আমাদের বাসায় ও আসে প্রায় ই। আমরা চাচ্ছিলাম যাতে বিড়াল টা আগের মতো সব জায়গায় ঘুরে বেড়ায় এখানেই পরে না থেকে খাবারের আশায়।
প্রশ্ন হলো --
১. আমার আম্মু বলতেসে আমাদের নাকি অধিকার আছে তাদের বাসার উপরে খাবার দেওয়ার। চালের পাশে পাকা জায়গা- সেখানে দেওয়ার -- যদিও তাদের অনুমতি নেই, এবং বার বার এখানেই এসে চিৎকার করতে থাকবে বিড়াল এখানে খাবার পেলে। এটা নাকি দিতেই হবে - fatwa এনেছে এক মাদ্রাসা থেকে, আম্মুর মতো describe করে। এটা কি আসলেই ঠিক?
২. আম্মু আমার মাফ চাওয়াটাকে "ভুল", "লজ্জাহীনতা" বলে আখ্যা দিচ্ছে। এটা মানতেই পারছে না আমরা কিভাবে মাফ চাইলাম। যদিও মাফ চাওয়ার পর তারা একটুও কথা বলে নি/ খারাপ ব্যবহার করে নি আর। আম্মু সেই ভাড়াটিয়ার ব্যাপারে " তুচ্ছ ভাড়াটিয়া " শব্দ বলেছে। যেনো তার অধিকার নেই তার ডিসটার্ব হলে কথা বলার। এটা কেমন শরীয়তের দৃষ্টিতে?
৩. নবীজি কখনো এরকম বিড়ালের কারণে মাফ চান নি - আম্মু এটাও বলেছে এখানে মাফ চাওয়ার কিছু হয় নি বোঝাতে, এ বিষয়ে জানাবেন প্লিজ।
৪. আম্মু অনেক নফল ইবাদত করে। অনেক রোজা রাখে। কিন্তু প্রতিহিংসা পরায়ণ। এই পুরো ঘটনায় আম্মু নিজের কোনো ভুল বারবার বোঝানোর পরও খুঁজে পাচ্ছে না। সবার না করার পরেও বার বার খাবার দিচ্ছে এখানেই লুকিয়ে। না করলে আমরা তর্ক করছি, বেয়াদবি করছি বলছে। এক্ষেত্রে আম্মু কি এভাবে খাবার দিতে থাকবে?
অনেক তুচ্ছ বিষয় হলেও এটা নিয়ে অনেক ঝামেলা বাসায়। আম্মু আবার fatwa নিয়ে আসায় আরো ঝামেলা করছে। উত্তর দিবেন প্লিজ।