আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন নারী চিকিৎসক। এমবিবিএস শেষ করে আমি উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য গাইনি বিভাগ এ উচ্চতরো ডিগ্রি( ৫ বছরের) গ্রহণের জন্য নিয়োজিত ছিলাম। এই ডিগ্রীর দুইটা ফেইজ বা পর্যায় থাকে। প্রথম ফেইজ দুই বছর। ফেইজ A. এরপর বড় একটা পরীক্ষা হয়, এবং এই দুই বছরে গাইনী সহ অনেকগুলি ওয়ার্ডে রোটেশন থাকে। যাতে করে গাইনির জ্ঞান আরো সমৃদ্ধ হয়। এরপর ফেইজ A এর বড় একটা পরীক্ষার পর, পাশ করলে, দ্বিতীয় ফেইজে (যেটা তিন বছর) সেখানে যাওয়া যায়। ওই তিন বছর শুধু গাইনিতেই থাকা হয়।
এখন আমার প্রশ্ন হল, দুই বছর করে পাস করার পর, যদি, আমি পর্দা রিলেটেড ইসু ও পরিবারের হক আদায় করার ভয় থেকে, কোর্সটা যদি আর কন্টিনিউ না করি, (উল্লেখ্য এই কোর্সটা কখনোই নিজে থেকে বাদ হবে না, হলেও ৮-১০ বছর পর । সেক্ষেত্রে, আমি আমার বায়োডাটাতে, কি এম এস (ফেইজ বি) লিখব? যেহেতু আমি এটা আর কন্টিনিউ করছি না এখন? এটা লেখা কি আমার জন্য জায়েজ হবে কিনা? যদিও আমি যেকোনো সময় জয়েন করলে আমার পজিশন এটাই হবে।
কিন্তু আমি তো আর জয়েন্ করছি না, সেজন্য কি আমি এটা লিখতে পারবো?
নাকি আমি পিজিটি /পোস্ট গ্রেজুয়েশন ট্রেনিং অন গাইনি /যেটা সাধারণত এক বছরের /ছয় মাসের হয়ে থাকে , এবং সেটা শুধু গাইনিতেই থাকা হয়। এই পিজিটিতে চান্স পেতে হয় না যেটা এমএস ডিগ্রিতে পেতে হয়, যেটাতে আমি ছিলাম।
সেক্ষেত্রে আমি কি লিখব? পিজিটি লেখা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? নাকি এম এস ফেইজ বি তে ছিলাম, সেটা লিখা জায়েজ হবে?
উল্লেখ্য যে, সরকারি মেডিকেলে এমবিবিএস থাকায়, আলহামদুলিল্লাহ রোগী দেখতে পারি কনফিডেন্টলি, ক্লিনিক্যাল এক্সপোজার ভালো আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু ডিগ্রি উল্লেখ করা নিয়ে সমস্যা। যেটাতে এখন নাই,কখনো কন্টিনিউ করবো না হয়তো , কিন্তু ডিগ্রীটা তো একেবারে শেষ হবে না, সেজন্য কি সেটা লিখতে পারবো, জায়েজ হবে কিনা?
আবার অপেক্ষাকৃত ছোট ডিগ্রি pgt, যদিও আমি পুরোপুরি পিজিটির ট্রেনিং করিনি, কিন্তু আমার পোস্ট গ্রাজুয়েশনটাও একটা ট্রেনিং এর মতই ছিল, কিন্তু এখানে পুরোপুরি টানা ছয় মাস বা এক বছর একটা ডিপার্টমেন্টে ছিলাম না। সেই তুলনায় আমার অর্জিত নলেজ আলহামদুলিল্লাহ বেশি, শুধু টানা এক ডিপার্টমেন্টে থাকা হয় নাই ছয় মাস বা এক বছর। কিন্তু রিলেটেড অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে থাকায় নলেজ আলহামদুলিল্লাহ বেড়েছে। এক্ষেত্রে কি করণীয়?