আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
60 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (5 points)
আস্সালামুআলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বার-কাতুহ।

হুজুর আমি কয়েকটি বিষয় নিয়ে পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিত হতে চাচ্ছি।

১. আমার স্ত্রীর সাথে আমার ফোনে কথা চলছিলো।কয়েকমাস আগের কথা। সে তার বাবার বাড়িতে যেতে চায় বুঝলাম। তো আমি তাকে সম্ভবত এভাবে বলেছিলাম "তুমি চাইলে চলে যেতে পারো কিন্তু পরে আফসোস করিওনা"। হুজুর আমি এই কথা তালাকের নিয়তে বলেছি কিনা সঠিক জানিনা। এতটুকু মনে আছে যে সে যদি যায় আমি তাকে এতো সহজে আনবো না এরকম। আবার এই কথা দ্বারা তালাক উদ্দেশ্য করেছি কিনা সে যেন সেটা না বুঝে সেজন্য আবার কি যেন একটা বলেছিলাম তাকে। আর আমি নিজেও শতভাগ শিউর না আমি কি তালাকের উদ্দেশ্যে বলেছি কিনা। এই বিষয় নিয়ে আমার কোনো চিন্তার কারণ আছে কিনা?

২. হুজুর আমি ১ নং প্রশ্নে আপনাকে জানানোর জন্য লিখেছি যে " তবে এ কথা বলার দ্বারা আমি আমার স্ত্রীকে তাৎহ্মনাত তালাক দিয়ে দিলাম বা দিয়ে দিচ্ছি এরকমটা মনে আসেনি" এটা লিখছিলাম আবার সন্দেহ থাকার কারণে কেটে দিছি। তো এভাবে যে লিখিতভাবে এটা লিখলাম এর দ্বারা কোনো সমস্যা হইলো কিনা?

৩. আরেকদিনও ফোনে কথা হচ্ছিল। সে অনেকদিন যাবত আমার শশুরবাড়িতে। আমার শাশুড়ীর সাথে আমার ঝামেলা হইছিলো। আমি আমার স্ত্রীকে আনতে যাইনি সম্ভবত এক মাসের উপর হইছিলো। তো আমি তাকে স্পষ্টভাবে কি বলেছিলাম মনে নাই তবে যতটুকু মনে করার চেষ্টা করতে পেরেছি ততটুকু থেকে বলতেছি। আমি বলেছিলাম " আমি আমার মতো আছি তুমিও তোমার মতো করে থাকো" এই কথার দ্বারা আমার নিয়তে কি ছিলো আমি সঠিক জানিনা। তবে মনে হচ্ছে তালাকের নিয়ত না থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তখন হতে পারে যে অনেকদিন হলো সে আমাদের বাড়িতে আসলোনা সে জায়গা থেকে আমার একটা রাগ থেকেও বলেছি মনে হয়। এখন এটি নিয়ে কি আমার চিন্তার কোনো কারণ আছে?

৪. হুজুর আমার আরেকটা প্রশ্ন হলো কেনায়া তালাকের হ্মেত্রে স্ত্রীকে না শুনিয়ে স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে কেনায়া শব্দ বল্লে সমস্যা হবে? এবং স্পষ্ট ভাবে কোন নিয়ত থাকলে কেনায়া শব্দ উচ্চারণ করলে তালাক হয়ে যায়?

জাযাকুমুল্লহু খইরন।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...