বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা ঘোষণা দিয়েছেন,
ﻭَﻻَ ﺗَﻌَﺎﻭَﻧُﻮﺍْ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻹِﺛْﻢِ ﻭَﺍﻟْﻌُﺪْﻭَﺍﻥِ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍْ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺷَﺪِﻳﺪُ ﺍﻟْﻌِﻘَﺎﺏِ
সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর শাস্তিদাতা।(সূরা-মায়েদা-২)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
হারাম কাজের সহায়তার বিভিন্ন স্তর আছে। শরীয়তে সব প্রকার সহায়তা হারাম নয়।বরং সে সব সহায়তাই হারাম যা সরাসরি হারাম কাজের সহিত জড়িত থাকে। যেমন, সুদী লেনদেন করা। সুদী লেনদেন লিখে রাখা। সুদী টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ থেকে উসুল করা, ইত্যাদি ইত্যাদি।
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাঃ এর পিতা থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-
“যে সুদ খায়, যে সুদ খাওয়ায়,যে তার সাক্ষী হয়, এবং যে দলিল লিখে রাখে, তাদের সকলের উপর আল্লাহ তায়ালা অভিশাপ করেছেন।(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং-৩৮০৯, মুসনাদে আবি ইয়ালা, হাদিস নং-৪৯৮১)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
E নামক অর্গানাইজেশনের সুদি সেক্টরে চাকুরী করা হারাম হবে। তবে সুদি সেক্টর না হলে চাকুরী করা হারাম হবে না। প্রশ্নের বিবরণমতে আপনার স্বামীর চাকুরীতে যদি সুদি কাজে সহযোগিতা না থাকে, বা সহযোগিতা থাকলেও কম থাকে, তাহলে উক্ত চাকুরি জায়েয হবে। তবে অধিকাংশ বা পুরো কাজ সুদি কাজে সহযোগিতা মূলক হলে তখন জায়েয হবে না। মিথ্যা ডকুমেন্টস, বিল সাবমিট করা নাজায়েয ও হারাম। তবে ইনকাম হারাম হবে না। মিথ্যা বিল বানিয়ে যত টাকা নেওয়া হবে, সই টাকা নাজায়েয হিসেবে বিবেচিত হবে।