ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক রাহ বলেন,
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُهْزَاذَ، - مِنْ أَهْلِ مَرْوَ - قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَانَ بْنَ عُثْمَانَ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ، يَقُولُ الإِسْنَادُ مِنَ الدِّينِ وَلَوْلاَ الإِسْنَادُ لَقَالَ مَنْ شَاءَ مَا شَاءَ .
সনদ পরস্পরায় বর্ণনা দ্বীনের অংশ।যদি সনদ না থাকত, তাহলে যার যা ইচ্ছা তাই বলত।(সহীহ মুসলিম-৩২)
সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
বোখারীর হাদীস বা অন্যান্য হাদীস গুলো সনদ পরস্পর দ্বারা বর্ণিত। সনদ পরস্পর দ্বারা আমাদের নিকট এসে পৌছেছে। হাদীস দ্বারা দ্বীনের বিস্তারিত ব্যখ্যা বর্ণিত হয়েছে। যদি হাদীস না মানা হয়, তাহলে নামায পড়ার পদ্ধতি জানা অসম্ভব। কেননা কুরআনে শুধুমাত্র নামায পড়ার কথা বলা হয়েছে। কিভাবে পড়তে হবে? তা কিন্তু হাদীসে বর্ণিত হয়নি। আপনি উনাকে জিজ্ঞাসা করবেন, তিনি যেন কুরআন থেকে নামাযের পদ্ধতি, রোযার মাসাঈল,যাকাত আদায়ের পদ্ধতিগুলো বের করে দেখান! অদ্য এটা উনার জন্য সম্ভব হবে না।